বাউফলের আতঙ্ক আ’লীগ নেতা মোতালেব

সন্ত্রাস ও দখলবাজিতে গড়েছেন বিপুল বিত্তবৈভব

  আকতার ফারুক শাহিন, বাউফল (পটুয়াখালী) থেকে ২৮ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার
বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার

চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি। নিজের ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার।

নিজের গরিবি অবস্থার বর্ণনা করেন সেখানে। স্ট্যাটাসের সারমর্ম এরকম যে- বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে তার বিরুদ্ধে দায়ের হয় ১৮টি মামলা। কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর দেখেন তার মেয়ে প্রতিদিন ভোরে পোষা মুরগির ডিম পাড়ার অপেক্ষায় থাকে।

মুরগি ডিম দিলে তবেই সে তা ভেজে ঘরে থাকা পান্তাভাত খাবে। ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল পদে থাকা এক রাজনৈতিক নেতার এমন স্ট্যাটাসে যে কারও মন খারাপ হবে এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি কি তাই? মোটেই না। একটি ইটভাটাসহ শত একর জমির মালিক মোতালেব হাওলাদার ঘুরে বেড়ান প্রায় ২৭ লাখ টাকা দামের গাড়িতে।

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ৯ বছরের শাসনামলে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হওয়ার আলোচনা রয়েছে তার সম্পর্কে। সেই সঙ্গে রয়েছে হত্যা, সন্ত্রাস আর বেপরোয়া দখলবাজির অভিযোগ।

বাউফলের বগা এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগ নেতাসহ বহু মানুষের বসতবাড়ি, জমি, মার্কেট এমনকি আশ্রয়ের শেষ ঠাঁই পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছেন তিনি। তার ভয়ে এলাকাছাড়া হওয়ার ঘটনাও আছে। এক কথায় বাউফলে মূর্তিমান এক আতঙ্কের নাম মোতালেব।

মানুষের করা এসব অভিযোগ অবশ্য স্বীকার করেননি তিনি। রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, আমি ক্লিন ইমেজের মানুষ। যেসব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, তা সত্য নয়। থানা পুলিশ কিংবা আদালতেও আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি।

বেপরোয়া দখলবাজি : ৬ দফা আন্দোলনের কর্মী মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট হিসেবে যোগ দেন সরকারি চাকরিতে। প্রায় ৩৯ বছর চাকরি করেন। বাউফলের বগা বন্দরে ছিল তার বসতবাড়ি এবং একটি মার্কেট।

সেই মার্কেটসহ তার প্রায় ২ একর জমি দখল করে নিয়েছেন মোতালেব।

যুগান্তরকে লতিফ বলেন, ‘২০১০ সালের ওই দখলের ঘটনায় থানা কিংবা আদালতে মামলা করার সাহস পর্যন্ত পাইনি। একবার চেষ্টা করেছিলাম মামলা করার। কিন্তু একটি মিথ্যা হত্যা মামলায় আমাকে জড়িয়ে দেন মোতালেব। বহু কষ্টে সেই অভিযোগ থেকে রেহাই পেয়েছি। সর্বস্ব হারানোর পর আমি বগা বন্দর ছেড়ে এখন রাজনগরে এসে থাকছি।’

বগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম নবী আলী মৃধার ছেলে নজরুল বলেন, ‘প্রায় ৪০ বছর আগে আমার বাবার কেনা ১৩ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা চালান মোতালেব হাওলাদার। এ সময় বাধা দিতে গেলে তার ক্যাডার বাহিনীর হামলায় আহত হন অনেকে। ওই জমি এখনও তার দখলে রয়েছে।’

বগা ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা আনসার মৃধা বলেন, ‘আমার প্রায় ২ একর ২২ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তি এক রাতের মধ্যে দখল করে নিয়েছেন মোতালেব হাওলাদার। দখল করা ওই জমিতে মার্কেট করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে।’

বগা এলাকার ডা. ইয়াকুব শরীফ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আঃ গনি সিকদার বলেন, ‘২০১২ সালে সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমার ৩৩ শতাংশ জমির ওপর ৫ তলা ফাউন্ডেশন দেয়া একটি মার্কেটসহ মোট ১৩ একর জমি দখল করে নেন মোতালেব। স্রেফ বসতবাড়ি ছাড়া আমার এখন আর কিছুই নেই। থানায় অভিযোগ করতে গেলে মামলা নেয়নি। পরে আদালতে মামলা করি।’

বগা বন্দরের বাসিন্দা মরহুম নুরু মিয়ার (নুরু উকিল) ছেলে আবদুল জব্বার বলেন, ‘বগা বালিকা বিদ্যালয়ের নাম করে আমাদের ৪৫ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছেন মোতালেব।’

বগার মোল্লা এস্টেটের মুতওয়াল্লি নয়া মোল্লা বলেন, ‘এই এস্টেটের ৬৫ শতাংশ জমি মোতালেবের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দখল করে নিয়েছে তার ক্যাডার বাহিনী।’

এছাড়াও বগা বন্দরের আরও অনেকে তাদের জমি দখলের অভিযোগ করেছেন মোতালেব হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

হত্যা সন্ত্রাস চাঁদাবাজি : দল ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই বগা তথা বাউফলের সাধারণ মানুষের কাছে মূর্তিমান আতঙ্কের আরেক নাম মোতালেব হাওলাদার। শত্রুতা উদ্ধারে লোকজন নিয়ে নিজে ডাকাতি করার পর কৌশলে শত্রুপক্ষকে সেই মামলায় আসামি করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

১৯৯৫ সালে বাউফলের রাজনগর গ্রামে বিশা মিস্ত্রীর বাড়িতে সংঘটিত হয় দুর্ধর্ষ ডাকাতি। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন এক নারী। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয় মোতালেব হাওলাদারের তৎকালীন প্রতিপক্ষ করিম হাওলাদারসহ অন্যদের।

কিন্তু ২০০১ সালে সিআইডির তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, পুরো ঘটনাটি ঘটিয়েছে মোতালেব ও তার বাহিনী। পরে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। ২০০১ সালে বগা বন্দরে নৃশংসভাবে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় কলেজ শিক্ষক দেলোয়ার মুন্সি এবং জলিল মুন্সিকে।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয় মোতালেব হাওলাদার এবং তার ছেলে মাহমুদ হাসানসহ ২৮ জনকে। ওই মামলায় ৬৭ বছরের কারাদণ্ড হয় মোতালেবের। ২০১১ সালে বগা বন্দরে মোতালেবের ক্যাডাররা পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় প্রতিপক্ষের কালাম মৃধাকে। এ ঘটনায় মামলা হলেও পরে হুমকির মুখে সেই মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয় বাদী।

একই বছর বগা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বাবু মুকুন্দ চন্দ্রকে মারধর করা হয় তার ছেলের ঠিকাদারি কাজের বিপরীতে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায়। এ ঘটনায় মামলা হলেও সেই মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দেয় পুলিশ।

আধিপত্য বিস্তারের জেরে ২০০৩ সালে মোতালেব হাওলাদারের উপস্থিতিতে শাপলাখালী গ্রামের যুবক শফিক মৃধাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় মামলা হলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় সেই মামলা থেকে রেহাই পান মোতালেব।

২০১৩ সালে রাজনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে চাঁদা না দেয়ায় মনির মৃধা নামে একজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা হয় মোতালেব হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালে এ মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবিতে স্থানান্তর হলেও ৪ বছরেও সেই তদন্ত শেষ হয়নি।

বাউফল পৌর ছাত্রলীগের নেতা জাকির হোসেন বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের জের ধরে ওই বছরের ১৬ অক্টোবর আমাকে বগা ফেরিঘাটে বেদম মারধর করেন মোতালেব। থানায় মামলা করা হলেও মোতালেবকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয় পুলিশ।’

বগা এবং বাউফলের বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, মোতালেব হাওলাদারের কোনো অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ ফুটে কিছু বলার সাহস পায় না কেউ। থানা পুলিশে মামলা করেও কোনো লাভ হয় না।

কোটি কোটি টাকার সম্পদ : বগা ফেরিঘাটের উত্তর পাশে একাধিক ব্যক্তির জমি দখল করে হাওলাদার ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে মোতালেবের বিরুদ্ধে। এটির মালিকানা তার স্ত্রী রেহানা মোতালেবের নামে।

এই রেহানা মোতালেব আবার বাউফল উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। নির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামায় বার্ষিক ২ লাখ টাকা আয় দেখান রেহানা। এছাড়া নগদ ৫ লাখ টাকা হাতে এবং ব্যাংকে ৫ লাখ টাকা জমা দেখান তিনি।

অথচ মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর দাখিল করা এক আবেদনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ ইটভাটা নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান রেহানা মোতালেব।

মজার ব্যাপার হচ্ছে এ ইটভাটাও অবৈধ। এটি নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদফতর কিংবা জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। সম্প্রতি এ ইটভাটার বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের হলে এটি ধ্বংস করে দেয়ার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। যদিও সেই নির্দেশ এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

মোতালেব হাওলাদার চড়েন ২৭ লাখ টাকা দামের গাড়িতে। এ ছাড়া নামে-বেনামে তার রয়েছে শত একর জমির মালিকানা, একাধিক বাড়ি এবং মোটা অংকের ব্যাংক-ব্যালেন্স।

বগা বন্দরের কাছে বালুর ব্যবসাও রয়েছে মোতালেব হাওলাদারের। ৮-৯ বছর আগে বগা বন্দরসংলগ্ন এলাকায় বালিকা বিদ্যালয়ের নাম করে সংখ্যালঘুদের কাছ থেকে ২ একর জমি নেন মোতালেব।

পরে বালিকা বিদ্যালয় সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হলেও সেই জমি সংখ্যালঘুদের ফেরত দেননি তিনি। বরং সেই জায়গাসহ আশপাশের আরও বেশ কিছু জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছেন বালুর ব্যবসা।

এ ব্যবসা নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। বগা বন্দর এলাকার একাধিক বালু ব্যবসায়ী বলেন, বালু ক্রয়-বিক্রয় প্রশ্নে তার একক আধিপত্য। যে কারও তার কাছ থেকেই বালু কিনতে হয় এবং তা তারই নির্ধারিত রেটে।

যা বললেন মোতালেব : অভিযোগ অস্বীকার করে এসব অপপ্রচার এবং তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন মোতালেব। জমি দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে মামলা ছিল আনসার মৃধার।

আমি তার ভাই আনিস মৃধার কাছ থেকে জমি কিনেছি। গনি সিকদারের সঙ্গেও জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল মোসলেম মৃধার। আমি মোসলেম মৃধার কাছ থেকে জমি কিনেছি।

ওই এলাকার কাজী মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে এবং এক সংখ্যালঘুর সঙ্গে জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল লতিফ ডাক্তারের। আমি মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে এবং ওই হিন্দু লোকের কাছ থেকে জমি কিনে দখল নিয়েছি।

জীবিত থাকাবস্থায় নবী আলী মৃধা নিজে আমার কাছে ২ কড়া জমি বিক্রি করে গেছেন। এখন তার ছেলে জমি দিতে চাইছে না। বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপের কাছে বিচার দিয়েছি। মোল্লা এস্টেটের জমির ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। এছাড়া নুরু মিয়ার জমি আমি দখল করিনি। এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।’

আপনার দাবি অনুযায়ী প্রতিটির ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে, আপনি বিরোধপূর্ণ জমি ক্রয় করে দখল নিয়েছেন। এটা কেন, জানতে চাইলে মোতালেব বলেন, ‘যেখানে ন্যায় এবং সত্য মনে হয়েছে সেখানেই আমি জমি কিনেছি। তাছাড়া প্রভাবশালীদের সঙ্গে যেসব দুর্বলরা পেরে উঠছিল না, আমি তাদের সাহায্য করেছি মাত্র।’

সন্ত্রাস চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এসবই ছিল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। ১৯৯৫ সালে ডাকাতি এবং ২০০১ সালের জোড়া মার্ডার মামলায় আমি আদালত থেকে খালাস পেয়েছি। কালাম মৃধাকে মারধর, বাবু মুকুন্দ চন্দ্রের ঘটনা সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। শফিক মৃধা ছিল বগার মোশাররফ হত্যা মামলার আসামি।

সে সশস্ত্র অবস্থায় এলাকায় এলে স্থানীয় জনতা তাকে আটকের পর মারধর করে অস্ত্র এবং গুলিসহ পুলিশে সোপর্দ করে। মনির মৃধা হত্যাকাণ্ডে আমাকে জড়ানোর চেষ্টাও পুরোপুরি রাজনৈতিক কারণে।’ ইটভাটা নিয়ে মামলা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মোতালেব বলেন, ‘আমিও হাইকোর্টে রিট করেছি। বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে।’

বালুর ব্যবসাসহ কোথাও কোনো অনিয়ম দুর্নীতি করেননি দাবি করে তিনি বলেন, ‘এসবই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। একটি মহল আমার নামে অপপ্রচার করছে। কোনো অনিয়ম দুর্নীতি করেছি প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×