ঢাকা-মাওয়া রেলপথের কাজ শেষ ২০২৩ সালে
jugantor
পদ্মা রেল লিংক সংযোগ প্রকল্প
ঢাকা-মাওয়া রেলপথের কাজ শেষ ২০২৩ সালে
সংযোগ সড়কের মাওয়া প্রান্তে কার্পেটিং শুরু

  শিপন হাবীব, মাওয়া থেকে   

১৬ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেলপথ

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে রেললাইন স্থাপনের অনুমোদন এখনো মেলেনি। তবে জুলাইয়ে অনুমোদন পাওয়া যেতে পারে-এমনটা আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের দিন সেতুর সংযোগ সড়কে ট্রেন চলবে-এমন চ্যালেঞ্জ প্রতিশ্রুতি নিয়েই সেতুর দুপাশে ৪০ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হচ্ছে। তিনি রোববার পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

অন্যদিকে রেলওয়েসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, রেলকে যদি ৭ মাস আগে লাইন বসানোর অনুমোদন দেওয়া হতো, তাহলে এপ্রিলেই সেতুতে রেললাইন স্থাপন সম্পন্ন করা যেত।

সেতুর দুপাশে প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন করার কথা জুনে। জুলাইয়ে যদি সেতু কর্তৃপক্ষ রেলের অংশ বুঝিয়ে দেয়, তাহলে দ্রুততার সঙ্গে সেতুতে লাইন বসানোর কাজ শুরু হবে।

তবে সেতুতে কাজ শুরু হচ্ছে না বলে পুরো প্রকল্পের কাজ থেমে নেই। আমরা আরও জনবল ও সরঞ্জাম বাড়িয়ে দ্রুততার সঙ্গে সংযোগ সড়কের রেললাইনের কাজ করছি। আগামী বছরে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত রেলের কাজ শেষ করা হবে-এমন টার্গেট নিয়ে কাজ হচ্ছে।

এ বছরে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হবে। ঢাকা-মাওয়া রেললাইন আগামী বছরের ২৬ মার্চ উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয়, তবে জুনে উদ্বোধন করা হবে। এমন টার্গেট সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। করোনার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল, এখন স্বাভাবিক। তবে করোনাকালে একদিনের জন্যও কাজ বন্ধ ছিল না।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের (সিএসসি) প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফএম জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্প এলাকায় তাদের ৮টি ও রেল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ১৮টি ক্যাম্প রয়েছে।

আমরা পুরো কাজ তদারকি করছি। রেলের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, সেই চুক্তি অনুযায়ী ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের মেয়াদ রয়েছে। এ প্রকল্প চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ যথাযথ দাবি করে তিনি বলেন, কাজের গুণগতমান বজায় রেখে পুরো প্রকল্পে কাজ চলছে। পদ্মা সেতুতে কাজের অনুমোদন পেলে নিশ্চয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর উপর লাইন বসানো হতো। এ প্রকল্পে অত্যাধুনিক রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ হচ্ছে, যা উন্নত রাষ্ট্রে রয়েছে।

সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারে যে ত্রুটি ছিল, তা সমাধান হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই পিলার দুটির ৯৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ পিলার ধরেই সেতুতে ট্রেন উঠবে। সেতুর দুপাশে ২৩.২৯ কিলোমিটার ভায়াটেক লাইন হচ্ছে।

সেতু হচ্ছে ৫৯টি, আন্ডারপাস ২৭৬টি। দেশে এই প্রথম কোনো রেললাইন লেভেল ক্রসিংবিহীন আন্ডারপাসের মাধ্যমে নির্মাণ হচ্ছে। ২০টি স্টেশন থেকে ৬টি স্টেশন আন্তর্জাতিকমানের তৈরি করা হচ্ছে। মোট প্রকল্পের ঢাকা-মাওয়া ৬০.৪, মাওয়া-ভাঙ্গা ৭৪.০ ও ভাঙ্গা-যশোর ৪৯.৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকা-মাওয়া সেকশন ২০২৩, মাওয়া-ভাঙ্গা ২০২২ ও ভাঙ্গা-যশোর সেকশন ২০২৪ সালে সম্পন্ন করা হবে।

ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ দশমিক ৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ১৮ হাজার ২১০ দশমিক ২২ কোটি এবং চীন সরকারের ২১ হাজার ৩৬ দশমিক ৬৯ কোটি টাকা অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মাওয়া-ভাঙ্গা প্রান্তে প্রধান সেতু রয়েছে ১২টি, এর মধ্যে ১২টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এমব্যাংকমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে ৯৮.৬৬ শতাংশ। আন্ডারপাস ৬৯টির মধ্যে ৬৭টি সম্পন্ন করা হয়েছে। ওয়াকিং পাইল ১৭১৩টির মধ্যে সবকটি বসানো হয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া প্রান্তে এমব্যাংকমেন্ট কাজ হয়েছে ৬৯.৬০ শতাংশ, ১৫টি প্রধান সেতুর মধ্যে ১১টি সমাপ্ত হয়েছে, চলমান রয়েছে ৪টি। আন্ডারপাস ৩২টির মধ্যে ২৭টি সম্পন্ন হয়েছে, চলমান রয়েছে ৫টি। ওয়াকিং পাইল ৩৭৯২টির মধ্যে ৩৭৫৬টি স্থাপন করা হয়েছে।

ভাঙ্গা-যশোর প্রান্তে ৩১টি প্রধান সেতুর মধ্যে ৯টি সমাপ্ত হয়েছে, ১৯টির কাজ চলমান রয়েছে। ১৭০টি আন্ডারপাসের মধ্যে ১১৩টি সম্পন্ন হয়েছে। আর ঢাকা-যশোর পর্যন্ত মোট প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৫৬.৫০ শতাংশ।

সেতু এলাকা পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার, সিএসসির প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, রেল লিংক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আফজাল হোসেন, ঢাকা রেলওয়ে বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সংযোগ সড়কের মাওয়া প্রান্তে কার্পেটিং শুরু : লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে সংযোগ সড়কের বাকি অংশে শনিবার কার্পেটিং শুরু হয়েছে। এর আগে শেষ হয়েছে মূল সেতুর কার্পেটিং। সেতুর উদ্বোধন প্রস্তুতির কর্মযজ্ঞ দেখে খুশি পদ্মাপারের মানুষ।

এছাড়া জোরেশোরে চলছে পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তের নামফলক ও ম্যুরাল তৈরির কাজ। শুক্রবার জাজিরাপ্রান্তে ও বৃহস্পতিবার মাওয়া প্রান্তে সংযোগ সেতুর নর্থ লেনের লেভেলিং কোড সম্পন্ন হয়।

এর আগে শেষ হয়েছে প্রাইম কোড। পরে মাওয়া প্রান্ত থেকে শনিবার শুরু হয় সংযোগ সেতুর বাকি অংশের কার্পেটিং। পদ্মা সেতুর দুই পারে কার্পেটিং ৫৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি ৪৩ শতাংশ কাজ শেষ করতে সময় লাগার কথা দুই সপ্তাহ।

পদ্মা রেল লিংক সংযোগ প্রকল্প

ঢাকা-মাওয়া রেলপথের কাজ শেষ ২০২৩ সালে

সংযোগ সড়কের মাওয়া প্রান্তে কার্পেটিং শুরু
 শিপন হাবীব, মাওয়া থেকে  
১৬ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
রেলপথ
পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে রোববার সংযোগ সড়কে কার্পেটিংয়ের কাজ করছেন শ্রমিকরা -যুগান্তর

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে রেললাইন স্থাপনের অনুমোদন এখনো মেলেনি। তবে জুলাইয়ে অনুমোদন পাওয়া যেতে পারে-এমনটা আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের দিন সেতুর সংযোগ সড়কে ট্রেন চলবে-এমন চ্যালেঞ্জ প্রতিশ্রুতি নিয়েই সেতুর দুপাশে ৪০ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হচ্ছে। তিনি রোববার পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

অন্যদিকে রেলওয়েসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, রেলকে যদি ৭ মাস আগে লাইন বসানোর অনুমোদন দেওয়া হতো, তাহলে এপ্রিলেই সেতুতে রেললাইন স্থাপন সম্পন্ন করা যেত। 

সেতুর দুপাশে প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন করার কথা জুনে। জুলাইয়ে যদি সেতু কর্তৃপক্ষ রেলের অংশ বুঝিয়ে দেয়, তাহলে দ্রুততার সঙ্গে সেতুতে লাইন বসানোর কাজ শুরু হবে।

তবে সেতুতে কাজ শুরু হচ্ছে না বলে পুরো প্রকল্পের কাজ থেমে নেই। আমরা আরও জনবল ও সরঞ্জাম বাড়িয়ে দ্রুততার সঙ্গে সংযোগ সড়কের রেললাইনের কাজ করছি। আগামী বছরে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত রেলের কাজ শেষ করা হবে-এমন টার্গেট নিয়ে কাজ হচ্ছে।

এ বছরে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হবে। ঢাকা-মাওয়া রেললাইন আগামী বছরের ২৬ মার্চ উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয়, তবে জুনে উদ্বোধন করা হবে। এমন টার্গেট সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। করোনার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল, এখন স্বাভাবিক। তবে করোনাকালে একদিনের জন্যও কাজ বন্ধ ছিল না। 

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের (সিএসসি) প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফএম জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্প এলাকায় তাদের ৮টি ও রেল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ১৮টি ক্যাম্প রয়েছে।

আমরা পুরো কাজ তদারকি করছি। রেলের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, সেই চুক্তি অনুযায়ী ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের মেয়াদ রয়েছে। এ প্রকল্প চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ যথাযথ দাবি করে তিনি বলেন, কাজের গুণগতমান বজায় রেখে পুরো প্রকল্পে কাজ চলছে। পদ্মা সেতুতে কাজের অনুমোদন পেলে নিশ্চয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর উপর লাইন বসানো হতো। এ প্রকল্পে অত্যাধুনিক রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ হচ্ছে, যা উন্নত রাষ্ট্রে রয়েছে। 

সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারে যে ত্রুটি ছিল, তা সমাধান হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই পিলার দুটির ৯৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ পিলার ধরেই সেতুতে ট্রেন উঠবে। সেতুর দুপাশে ২৩.২৯ কিলোমিটার ভায়াটেক লাইন হচ্ছে।

সেতু হচ্ছে ৫৯টি, আন্ডারপাস ২৭৬টি। দেশে এই প্রথম কোনো রেললাইন লেভেল ক্রসিংবিহীন আন্ডারপাসের মাধ্যমে নির্মাণ হচ্ছে। ২০টি স্টেশন থেকে ৬টি স্টেশন আন্তর্জাতিকমানের তৈরি করা হচ্ছে। মোট প্রকল্পের ঢাকা-মাওয়া ৬০.৪, মাওয়া-ভাঙ্গা ৭৪.০ ও ভাঙ্গা-যশোর ৪৯.৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। 

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকা-মাওয়া সেকশন ২০২৩, মাওয়া-ভাঙ্গা ২০২২ ও ভাঙ্গা-যশোর সেকশন ২০২৪ সালে সম্পন্ন করা হবে। 

ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ দশমিক ৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ১৮ হাজার ২১০ দশমিক ২২ কোটি এবং চীন সরকারের ২১ হাজার ৩৬ দশমিক ৬৯ কোটি টাকা অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মাওয়া-ভাঙ্গা প্রান্তে প্রধান সেতু রয়েছে ১২টি, এর মধ্যে ১২টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এমব্যাংকমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে ৯৮.৬৬ শতাংশ। আন্ডারপাস ৬৯টির মধ্যে ৬৭টি সম্পন্ন করা হয়েছে। ওয়াকিং পাইল ১৭১৩টির মধ্যে সবকটি বসানো হয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া প্রান্তে এমব্যাংকমেন্ট কাজ হয়েছে ৬৯.৬০ শতাংশ, ১৫টি প্রধান সেতুর মধ্যে ১১টি সমাপ্ত হয়েছে, চলমান রয়েছে ৪টি। আন্ডারপাস ৩২টির মধ্যে ২৭টি সম্পন্ন হয়েছে, চলমান রয়েছে ৫টি। ওয়াকিং পাইল ৩৭৯২টির মধ্যে ৩৭৫৬টি স্থাপন করা হয়েছে।

ভাঙ্গা-যশোর প্রান্তে ৩১টি প্রধান সেতুর মধ্যে ৯টি সমাপ্ত হয়েছে, ১৯টির কাজ চলমান রয়েছে। ১৭০টি আন্ডারপাসের মধ্যে ১১৩টি সম্পন্ন হয়েছে। আর ঢাকা-যশোর পর্যন্ত মোট প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৫৬.৫০ শতাংশ। 

সেতু এলাকা পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার, সিএসসির প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, রেল লিংক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আফজাল হোসেন, ঢাকা রেলওয়ে বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। 

সংযোগ সড়কের মাওয়া প্রান্তে কার্পেটিং শুরু : লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে সংযোগ সড়কের বাকি অংশে শনিবার কার্পেটিং শুরু হয়েছে। এর আগে শেষ হয়েছে মূল সেতুর কার্পেটিং। সেতুর উদ্বোধন প্রস্তুতির কর্মযজ্ঞ দেখে খুশি পদ্মাপারের মানুষ। 

এছাড়া জোরেশোরে চলছে পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তের নামফলক ও ম্যুরাল তৈরির কাজ। শুক্রবার জাজিরাপ্রান্তে ও বৃহস্পতিবার মাওয়া প্রান্তে সংযোগ সেতুর নর্থ লেনের লেভেলিং কোড সম্পন্ন হয়।

এর আগে শেষ হয়েছে প্রাইম কোড। পরে মাওয়া প্রান্ত থেকে শনিবার শুরু হয় সংযোগ সেতুর বাকি অংশের কার্পেটিং। পদ্মা সেতুর দুই পারে কার্পেটিং ৫৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি ৪৩ শতাংশ কাজ শেষ করতে সময় লাগার কথা দুই সপ্তাহ।  
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন