ভূমধ্যসাগর থেকে ৩২ বাংলাদেশিসহ উদ্ধার ৮১
jugantor
ভূমধ্যসাগর থেকে ৩২ বাংলাদেশিসহ উদ্ধার ৮১

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় ৩২ বাংলাদেশিসহ ৮১ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। তারা লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অপর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ৩৮ জন মিসরের, ১০ জন সুদানের এবং ১ জন মরক্কোর নাগরিক। খবর বিবিসি ও এএফপির।

তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী বলছে, শনিবার ভূমধ্যসাগর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৩৮ বছর। তাদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। তারা লিবিয়ার আবু কামাশ গ্রাম থেকে যাত্রা করেন, যা তিউনিসিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে। অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যে নৌকা করে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন, সেটি সমুদ্রযাত্রার জন্য উপযুক্ত ছিল না। উদ্ধারের পর তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদেরকে দেশটির ন্যাশনাল গার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে।

অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। তাদের প্রথম লক্ষ্য তিউনিসিয়া থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইতালির দ্বীপ লাম্পেডুসা। এছাড়া লিবিয়া থেকে ইতালির উপকূলে পাড়ি জমানোর পথও মানব পাচারে বেশি ব্যবহৃত হয়।

সমুদ্রে যাত্রাপথে এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই লিবিয়া ও তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। গত মাসে যাত্রার প্রস্তুতিকালে ৫৪২ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে লিবিয়া। দেশটিতে এএফপি ফটোসাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের বেশির ভাগ ছিলেন বাংলাদেশি।

সাগরের শক্তিশালী ঢেউয়ের বিপরীতে দুর্বল নৌকায় পাড়ি দেওয়া অভিবাসীনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপদে পড়েন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালে ভূমধ্যসাগরে প্রায় ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০১।

মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোয় উন্নত জীবনযাপনের আশায় এশিয়া, আফ্রিকার তরুণরা ভয়ংকর এই পথ বেছে নিচ্ছেন।

ভূমধ্যসাগর থেকে ৩২ বাংলাদেশিসহ উদ্ধার ৮১

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় ৩২ বাংলাদেশিসহ ৮১ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। তারা লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অপর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ৩৮ জন মিসরের, ১০ জন সুদানের এবং ১ জন মরক্কোর নাগরিক। খবর বিবিসি ও এএফপির।

তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী বলছে, শনিবার ভূমধ্যসাগর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৩৮ বছর। তাদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। তারা লিবিয়ার আবু কামাশ গ্রাম থেকে যাত্রা করেন, যা তিউনিসিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে। অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যে নৌকা করে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন, সেটি সমুদ্রযাত্রার জন্য উপযুক্ত ছিল না। উদ্ধারের পর তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদেরকে দেশটির ন্যাশনাল গার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে।

অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। তাদের প্রথম লক্ষ্য তিউনিসিয়া থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইতালির দ্বীপ লাম্পেডুসা। এছাড়া লিবিয়া থেকে ইতালির উপকূলে পাড়ি জমানোর পথও মানব পাচারে বেশি ব্যবহৃত হয়।

সমুদ্রে যাত্রাপথে এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই লিবিয়া ও তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। গত মাসে যাত্রার প্রস্তুতিকালে ৫৪২ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে লিবিয়া। দেশটিতে এএফপি ফটোসাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের বেশির ভাগ ছিলেন বাংলাদেশি।

সাগরের শক্তিশালী ঢেউয়ের বিপরীতে দুর্বল নৌকায় পাড়ি দেওয়া অভিবাসীনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপদে পড়েন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালে ভূমধ্যসাগরে প্রায় ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০১।

মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোয় উন্নত জীবনযাপনের আশায় এশিয়া, আফ্রিকার তরুণরা ভয়ংকর এই পথ বেছে নিচ্ছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন