পদ্মা সেতুর ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়?
jugantor
চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশ
পদ্মা সেতুর ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়?
আমীর খসরু

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৮ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতুতে ৪০ হাজার কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। এখানে বাড়তি ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এ ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়? কিন্তু আমরা জানি কোথায় গেছে। সবই বের করা হবে। শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীতে বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নগরীর পুরাতন রেলস্টেশন চত্বরে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এএম নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে আমীর খসরু আরও বলেন, পদ্মা সেতু থেকে নাকি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেবে। মনে হয়-বাপের টাকা দিয়ে সেতু করেছে তাতে কেউ উঠলে ফেলে দেবে। তিনি বলেন, আরে টাকাটা কার? ১০ হাজার কোটি টাকার সেতু ৪০ হাজার কোটি টাকায় তৈরি করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেছে। বড় বড় কথা বলার আগে উত্তর দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা জানি টাকা কোথায় গেছে। এগুলো সব বের হবে। দুবাইয়ের কোন অ্যাকাউন্টে গেছে; আমেরিকার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে; মালেশিয়ার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে। সব জানি। কানাডার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে, কয়টা বাড়ি করা হয়েছে। সব জানি। কতগুলো প্রোপারটি কিনেছেন? সব বের হবে।

খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে শেখ হাসিনা ভয় পান উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, খালেদা জিয়াকে নাকি ঠুস করে ফেলে দেবে। এর অনেকগুলো কারণ হতে পারে। একটি হলো শেখ হাসিনার চেয়ে খালেদা জিয়া বেশি জনপ্রিয়। খালেদা জিয়া যখন সড়কে বের হবে, তখন লাখ লাখ মানুষ সমবেত হবে। সেটিকে ভয় পায়। কারণ তারা যখন সমাবেশ করতে যায়, তখন পয়সা দিয়ে লোক আনলেও থাকতে চায় না। জনগণ আওয়ামী লীগকে সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যাবে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, মানুষ যখন হেরে যায় তখন বাঁচার জন্য শেষ চেষ্টা করে। এ জোয়ারে চুনোপুঁটি, ধামাচাপা পার্টি, চুরিচামারি পার্টি, হেলমেট লীগ, সন্ত্রাসী লীগ কোনো লীগই থাকবে না। তাদের সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যাবে দেশের জনগণ। পালানোর পথ পাবে না তারা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমএ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মিয়া ভোলা, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, নুরুল আমিন, জসিম উদ্দীন শিকদার, নূর মোহাম্মদ, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য জামাল হোসেন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ প্রমুখ।

চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশ

পদ্মা সেতুর ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়?

আমীর খসরু
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৮ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
টাকা
চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশনে শুক্রবার বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী -যুগান্তর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতুতে ৪০ হাজার কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। এখানে বাড়তি ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এ ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়? কিন্তু আমরা জানি কোথায় গেছে। সবই বের করা হবে। শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীতে বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নগরীর পুরাতন রেলস্টেশন চত্বরে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এএম নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে আমীর খসরু আরও বলেন, পদ্মা সেতু থেকে নাকি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেবে। মনে হয়-বাপের টাকা দিয়ে সেতু করেছে তাতে কেউ উঠলে ফেলে দেবে। তিনি বলেন, আরে টাকাটা কার? ১০ হাজার কোটি টাকার সেতু ৪০ হাজার কোটি টাকায় তৈরি করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেছে। বড় বড় কথা বলার আগে উত্তর দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা জানি টাকা কোথায় গেছে। এগুলো সব বের হবে। দুবাইয়ের কোন অ্যাকাউন্টে গেছে; আমেরিকার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে; মালেশিয়ার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে। সব জানি। কানাডার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে, কয়টা বাড়ি করা হয়েছে। সব জানি। কতগুলো প্রোপারটি কিনেছেন? সব বের হবে।

খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে শেখ হাসিনা ভয় পান উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, খালেদা জিয়াকে নাকি ঠুস করে ফেলে দেবে। এর অনেকগুলো কারণ হতে পারে। একটি হলো শেখ হাসিনার চেয়ে খালেদা জিয়া বেশি জনপ্রিয়। খালেদা জিয়া যখন সড়কে বের হবে, তখন লাখ লাখ মানুষ সমবেত হবে। সেটিকে ভয় পায়। কারণ তারা যখন সমাবেশ করতে যায়, তখন পয়সা দিয়ে লোক আনলেও থাকতে চায় না। জনগণ আওয়ামী লীগকে সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যাবে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, মানুষ যখন হেরে যায় তখন বাঁচার জন্য শেষ চেষ্টা করে। এ জোয়ারে চুনোপুঁটি, ধামাচাপা পার্টি, চুরিচামারি পার্টি, হেলমেট লীগ, সন্ত্রাসী লীগ কোনো লীগই থাকবে না। তাদের সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যাবে দেশের জনগণ। পালানোর পথ পাবে না তারা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমএ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মিয়া ভোলা, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, নুরুল আমিন, জসিম উদ্দীন শিকদার, নূর মোহাম্মদ, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য জামাল হোসেন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন