বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ সিলেটেই ৫১
jugantor
বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ সিলেটেই ৫১

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৯ জন। বন্যাকবলিত এলাকায় বন্যাসৃষ্ট দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এদের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। সারা দেশে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার বিকালে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার পর্যন্ত বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগে চার হাজার ৬১৬ জন আক্রান্ত থাকলেও শনিবার তা বেড়ে পাঁচ হাজার ২০২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ১৭ মে থেকে ২৫ জুন দুপুর পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৬৬৪ জন। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আরটিআই বা চোখের রোগ (রেসপেরিটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৬ জন। এক্ষেত্রে কারও মৃত্যুর খবর নেই।

বন্যার শুরু থেকে এ পর্যন্ত বজ পাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, যাদের মধ্যে ১৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া পানিতে ডুবে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় সিলেট বিভাগে ৫১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭ ও রংপুর বিভাগে চারজনসহ মোট ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলাভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সুনামগঞ্জ। ১৭ মে থেকে ২৫ জুনের মধ্যে এখানে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। সিলেট জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। অন্য দিকে, নেত্রকোনা ও জামালপুরে মারা গেছেন ৯ জন। ময়মনসিংহে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন। এ ছাড়াও শেরপুরে চারজন, কুড়িগ্রামে তিনজন ও লালমনিরহাটে একজন মারা গেছেন।

বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সিলেটের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। শহর থেকে গ্রাম সবখানে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্কসহ সারা দেশের সঙ্গে প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বন্যাকবলিত উপজেলার বাসিন্দারা।

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ সিলেটেই ৫১

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৯ জন। বন্যাকবলিত এলাকায় বন্যাসৃষ্ট দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এদের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। সারা দেশে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার বিকালে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার পর্যন্ত বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগে চার হাজার ৬১৬ জন আক্রান্ত থাকলেও শনিবার তা বেড়ে পাঁচ হাজার ২০২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ১৭ মে থেকে ২৫ জুন দুপুর পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৬৬৪ জন। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আরটিআই বা চোখের রোগ (রেসপেরিটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৬ জন। এক্ষেত্রে কারও মৃত্যুর খবর নেই।

বন্যার শুরু থেকে এ পর্যন্ত বজ পাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, যাদের মধ্যে ১৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া পানিতে ডুবে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় সিলেট বিভাগে ৫১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭ ও রংপুর বিভাগে চারজনসহ মোট ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলাভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে সুনামগঞ্জ। ১৭ মে থেকে ২৫ জুনের মধ্যে এখানে ২৬ জনের মৃত্যু হয়। সিলেট জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। অন্য দিকে, নেত্রকোনা ও জামালপুরে মারা গেছেন ৯ জন। ময়মনসিংহে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন। এ ছাড়াও শেরপুরে চারজন, কুড়িগ্রামে তিনজন ও লালমনিরহাটে একজন মারা গেছেন।

বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সিলেটের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। শহর থেকে গ্রাম সবখানে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্কসহ সারা দেশের সঙ্গে প্রায় সব ধরনের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বন্যাকবলিত উপজেলার বাসিন্দারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন