প্রত্যাহার চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি
jugantor
তেলের বাড়তি দাম
প্রত্যাহার চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রত্যাহার

দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতিতে দিশাহারা সাধারণ মানুষের চরম দুঃসময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করা হয়েছে মন্তব্য করে বাড়তি দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির শঙ্কা এতে সব ক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হবে। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ দাবি জানানো হয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ‘অযৌক্তিক ও গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানান তিনি।

বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার নভেম্বরে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তখন বাস ভাড়া প্রায় ২৭ শতাংশ ও লঞ্চ ভাড়া ৩৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। ওই সময়ে তেলের দামের চেয়ে বেশি হারে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বেড়েছিল। শঙ্কা রয়েছে, এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে।

দাম বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব সব ক্ষেত্রে পড়বে উল্লেখ করে মোজাম্মেল হক আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা দেশের সাধারণ মানুষের চরম এক দুঃসময়ে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি বাড়ানো হলো। ফলে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসবে। পরিবহণ ব্যয় দ্বিগুণ হওয়ায় পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য সাধারণ মানুষের সামর্থ্যরে বাইরে চলে যাবে। পরিবহণ সেক্টরে অস্থিরতা দেখা দেবে। শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হবে। ফলে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক ছোট ছোট শিল্পকলকারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে একদিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে জাতীয় অর্থনীতি ওপর চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে বেকারত্ব সমস্যা আরও প্রকট হবে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত তেলের দাম যে পরিমাণ বাড়ে তার থেকে কয়েকগুণ বেশি বাড়ে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহণ ভাড়া। পণ্য পরিবহণ ভাড়াও ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে দেয় ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিকেরা। বাসের ক্ষেত্রে সরকার ও বাসের মালিক-শ্রমিক নেতারা মিলেমিশে একচেটিয়াভাবে ভাড়া নির্ধারণ করে। নির্ধারিত ভাড়ারও কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করে বাসের শ্রমিকেরা। সরকার বর্ধিত ভাড়া আদায় বন্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না। এদিকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি তাওহিদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল প্রমুখ।

তেলের বাড়তি দাম

প্রত্যাহার চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
প্রত্যাহার
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মানববন্ধন -যুগান্তর

দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতিতে দিশাহারা সাধারণ মানুষের চরম দুঃসময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করা হয়েছে মন্তব্য করে বাড়তি দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির শঙ্কা এতে সব ক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হবে। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ দাবি জানানো হয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ‘অযৌক্তিক ও গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানান তিনি।

বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার নভেম্বরে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তখন বাস ভাড়া প্রায় ২৭ শতাংশ ও লঞ্চ ভাড়া ৩৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। ওই সময়ে তেলের দামের চেয়ে বেশি হারে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বেড়েছিল। শঙ্কা রয়েছে, এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে।

দাম বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব সব ক্ষেত্রে পড়বে উল্লেখ করে মোজাম্মেল হক আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা দেশের সাধারণ মানুষের চরম এক দুঃসময়ে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি বাড়ানো হলো। ফলে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসবে। পরিবহণ ব্যয় দ্বিগুণ হওয়ায় পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য সাধারণ মানুষের সামর্থ্যরে বাইরে চলে যাবে। পরিবহণ সেক্টরে অস্থিরতা দেখা দেবে। শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হবে। ফলে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক ছোট ছোট শিল্পকলকারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে একদিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে জাতীয় অর্থনীতি ওপর চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে বেকারত্ব সমস্যা আরও প্রকট হবে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত তেলের দাম যে পরিমাণ বাড়ে তার থেকে কয়েকগুণ বেশি বাড়ে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহণ ভাড়া। পণ্য পরিবহণ ভাড়াও ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে দেয় ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিকেরা। বাসের ক্ষেত্রে সরকার ও বাসের মালিক-শ্রমিক নেতারা মিলেমিশে একচেটিয়াভাবে ভাড়া নির্ধারণ করে। নির্ধারিত ভাড়ারও কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করে বাসের শ্রমিকেরা। সরকার বর্ধিত ভাড়া আদায় বন্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না। এদিকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি তাওহিদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল প্রমুখ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন