টিপু-প্রীতি হত্যা মামলায় আরও ৫ জন গ্রেফতার
jugantor
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলায় আরও ৫ জন গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি হত্যা মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শামীম হোসাইন ওরফে মোল্লা শামীম, তৌফিক হাসান ওরফে বাবু, সুমন হোসেন, এহতেশাম উদ্দিন চৌধুরী ওরফে অপু ও শরিফুল ইসলাম ওরফে হৃদয়। সোমবার যশোরের বেনাপোল ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ২৪ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদ এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন টিপু। ওই সময় ঘটনাস্থলে রিকশায় বসে থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ওই ঘটনায় শাহজাহানপুর থানায় মামলা হয়। গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে মূল শুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও তার দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়ক সুমন শিকদার ওরফে মুসা ও পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহম্মেদ মন্টি ও জাফর আহম্মেদ মানিক ওরফে ফ্রিডম মানিকের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রকাশ পায়। পরবর্তী সময়ে ইন্টারপোলের সহায়তায় মুসাকে ওমান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী অন্যতম আসামি মোল্লা শামীম।

তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মোল্লা শামীম দেশত্যাগ করার উদ্দেশে যশোর বেনাপোল এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তাকে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় মোট ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ গোড়ান এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ২টি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি, ৩টি ম্যাগাজিন ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীমের দিকনির্দেশনায় খিলগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

টিপু-প্রীতি হত্যা মামলায় আরও ৫ জন গ্রেফতার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি হত্যা মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শামীম হোসাইন ওরফে মোল্লা শামীম, তৌফিক হাসান ওরফে বাবু, সুমন হোসেন, এহতেশাম উদ্দিন চৌধুরী ওরফে অপু ও শরিফুল ইসলাম ওরফে হৃদয়। সোমবার যশোরের বেনাপোল ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ২৪ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদ এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন টিপু। ওই সময় ঘটনাস্থলে রিকশায় বসে থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ওই ঘটনায় শাহজাহানপুর থানায় মামলা হয়। গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে মূল শুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও তার দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়ক সুমন শিকদার ওরফে মুসা ও পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহম্মেদ মন্টি ও জাফর আহম্মেদ মানিক ওরফে ফ্রিডম মানিকের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রকাশ পায়। পরবর্তী সময়ে ইন্টারপোলের সহায়তায় মুসাকে ওমান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী অন্যতম আসামি মোল্লা শামীম।

তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মোল্লা শামীম দেশত্যাগ করার উদ্দেশে যশোর বেনাপোল এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তাকে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় মোট ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ গোড়ান এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ২টি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি, ৩টি ম্যাগাজিন ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীমের দিকনির্দেশনায় খিলগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন