শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের
jugantor
গার্ডার দুর্ঘটনায় প্রাণহানি
শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে আপত্তি থাকবে না। সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রদূত একথা বলেছেন। প্রাণহানির ঘটনায় তিনি গভীর শোক ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরায় সোমবার প্রাইভেটকারের ওপর বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজের সময় কংক্রিটের গার্ডার চাপায় দুই শিশুসহ পাঁচজনের প্রাণহানি হয়। সাক্ষাৎকালে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা বিআরটি প্রকল্পের সড়ক ও জনপথ অংশের নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তদন্তের জন্য চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। প্রতিনিধি দলটি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতেও প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

এ সময় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী বলেন, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সমগ্র জাতি ব্যথিত। তিনি যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটিতে বুয়েটের একজন বিশেষজ্ঞকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে কমিটিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পথে বিশেষ লেনের মাধ্যমে বাস চলাচলের জন্য বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পসংক্রান্ত নথি অনুসারে, ২০১২ সালে নেওয়া বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে উড়ালপথ ও সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব পালন করছে তিনটি চীনা কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে-চায়না গেজহুবা গ্রুপ, জিয়াংশু প্রভিনশিয়াল ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ এবং ওয়েহেই ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেটিভ। আর গাজীপুরে ডিপো নির্মাণের দায়িত্বে ছিল দেশীয় কোম্পানি সেল-ইউডিসি। এদের কাজ আগেই শেষ হয়েছে। তবে চীনের তিনটি কোম্পানির কাজ চলছে। এ প্রকল্পের কাজ ২০১৬ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

গার্ডার দুর্ঘটনায় প্রাণহানি

শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে আপত্তি থাকবে না। সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রদূত একথা বলেছেন। প্রাণহানির ঘটনায় তিনি গভীর শোক ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরায় সোমবার প্রাইভেটকারের ওপর বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজের সময় কংক্রিটের গার্ডার চাপায় দুই শিশুসহ পাঁচজনের প্রাণহানি হয়। সাক্ষাৎকালে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা বিআরটি প্রকল্পের সড়ক ও জনপথ অংশের নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তদন্তের জন্য চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। প্রতিনিধি দলটি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতেও প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

এ সময় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী বলেন, এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সমগ্র জাতি ব্যথিত। তিনি যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটিতে বুয়েটের একজন বিশেষজ্ঞকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে কমিটিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পথে বিশেষ লেনের মাধ্যমে বাস চলাচলের জন্য বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পসংক্রান্ত নথি অনুসারে, ২০১২ সালে নেওয়া বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে উড়ালপথ ও সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব পালন করছে তিনটি চীনা কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে-চায়না গেজহুবা গ্রুপ, জিয়াংশু প্রভিনশিয়াল ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ এবং ওয়েহেই ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেটিভ। আর গাজীপুরে ডিপো নির্মাণের দায়িত্বে ছিল দেশীয় কোম্পানি সেল-ইউডিসি। এদের কাজ আগেই শেষ হয়েছে। তবে চীনের তিনটি কোম্পানির কাজ চলছে। এ প্রকল্পের কাজ ২০১৬ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন