সরকার কি টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে
jugantor
মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন
সরকার কি টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের ‘আনুকূল্যে’ সরকার টিকে আছে কিনা প্রশ্ন রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ঢাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল-সমাবেশ থেকে মন্ত্রীরা হুমকি দিয়েছেন, সন্ত্রাসী ভাষায় কথা বলেছেন। এতই যদি হুমকি-ধমকি দেন তাহলে আবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাদের সরকারকে, প্রধানমন্ত্রীকে টিকিয়ে রাখার জন্য ভারতের সাহায্য দাবি করেন কেন?

আমরা একথার (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য) ব্যাখ্যা চাই। এই সরকার এবং ভারত সরকারের কাছেও জানতে চাই, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন তার অর্থ কী? তাতে কি এটা দাঁড়ায়, এই সরকার টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে? এ কথার অর্থ মানুষ তো জানতেই চাইবে। এটা জরুরি কথা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ সভা হয়। সভা শুরুর আগে মহাসচিব মিলনায়তন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশ কি সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র থাকবে কি থাকবে না। বাংলাদেশ কি সত্যিকার অর্থেই একটা গণতান্ত্রিক দেশ থাকবে কি থাকবে না।

কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সব অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে, সংবিধানকে পরিবর্তন করেছে।

মানুষের ৫ বছর পরপর একদিন ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করার যে সুযোগ ছিল, তাও হরণ করে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম শহরের জেএম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। দুদেশেরই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। সেজন্য শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা অনুরোধ করেছি।’

দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে ফোকলা করে দেয়া হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই সরকার দুর্নীতিবাজদের সরকার। এরা অবৈধ। রাতের অন্ধকারে নির্বাচনে করেছে, জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে।

ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এত চ্যালেঞ্জ করবেন না। ক্ষমতা ছাড়ুন। ক্ষমতা ছেড়ে রাস্তায় নামুন। দেখা যাবে এ দেশের জনগণের শক্তি বেশি না আপনাদের মতো দুর্নীতিবাজদের শক্তি বেশি।

অবশ্যই ক্ষমতা ছাড়তে হবে। ক্ষমতায় থেকে অনেক লম্বা লম্বা কথা বলা যায়। ক্ষমতা ছেড়ে আসুন, তখন বোঝা যাবে আপনার শক্তি কত? এ দেশে কটা লোক পক্ষে আছে তখনই বোঝা যাবে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, কামরুজ্জামান রতন, মীর সরাফত আলী সপু, আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম সারোয়ার, সাদরেজ জামান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ইয়াসীন আলী, এসএম জিলানী, ফখরুল ইসলাম রবিন প্রমুখ।

আ.লীগে সংশয় দেখা দিয়েছে-গয়েশ্বর : বাংলাদেশের বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারকে ভারত ক্ষমতায় রাখবে কিনা-তা নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বক্তব্য প্রসঙ্গে শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ, নিয়ন্ত্রণহীন দ্রব্যমূল্য’ শীর্ষক এ সভা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, আনোয়ার হোসেন বুলু, তাঁতী দলের মনিরুজ্জামান মুনির, কৃষক দলের ইসমাইল হোসেন তালুকদার প্রমুখ। গয়েশ্বর বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ভারতকে বলেছি আমাদের সরকারে রাখতে। অর্থাৎ ভারত তাদের রাখবে কিনা-এটা নিয়ে সংশয় আছে।

বেহেশত থেকে সত্যটাই বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী-রিজভী : ‘পার্শ্ববর্তী দেশকে বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বলেছি’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বেহেশত থেকে তো আর মিথ্যা কথা বলা যায় না। তাই সত্যটাই বলে দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন নেই। শেখ হাসিনার পায়ের নিচে মাটি নেই-এ কথাটাই তো সত্য প্রমাণিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সারফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, সহসভাপতি গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী প্রমুখ।

মির্জা ফখরুলের প্রশ্ন

সরকার কি টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের ‘আনুকূল্যে’ সরকার টিকে আছে কিনা প্রশ্ন রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ঢাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল-সমাবেশ থেকে মন্ত্রীরা হুমকি দিয়েছেন, সন্ত্রাসী ভাষায় কথা বলেছেন। এতই যদি হুমকি-ধমকি দেন তাহলে আবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাদের সরকারকে, প্রধানমন্ত্রীকে টিকিয়ে রাখার জন্য ভারতের সাহায্য দাবি করেন কেন?

আমরা একথার (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য) ব্যাখ্যা চাই। এই সরকার এবং ভারত সরকারের কাছেও জানতে চাই, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে কথা বলেছেন তার অর্থ কী? তাতে কি এটা দাঁড়ায়, এই সরকার টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে? এ কথার অর্থ মানুষ তো জানতেই চাইবে। এটা জরুরি কথা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ সভা হয়। সভা শুরুর আগে মহাসচিব মিলনায়তন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশ কি সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র থাকবে কি থাকবে না। বাংলাদেশ কি সত্যিকার অর্থেই একটা গণতান্ত্রিক দেশ থাকবে কি থাকবে না।

কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সব অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে, সংবিধানকে পরিবর্তন করেছে।

মানুষের ৫ বছর পরপর একদিন ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করার যে সুযোগ ছিল, তাও হরণ করে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম শহরের জেএম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। দুদেশেরই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। সেজন্য শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা অনুরোধ করেছি।’

দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে ফোকলা করে দেয়া হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই সরকার দুর্নীতিবাজদের সরকার। এরা অবৈধ। রাতের অন্ধকারে নির্বাচনে করেছে, জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে।

ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এত চ্যালেঞ্জ করবেন না। ক্ষমতা ছাড়ুন। ক্ষমতা ছেড়ে রাস্তায় নামুন। দেখা যাবে এ দেশের জনগণের শক্তি বেশি না আপনাদের মতো দুর্নীতিবাজদের শক্তি বেশি।

অবশ্যই ক্ষমতা ছাড়তে হবে। ক্ষমতায় থেকে অনেক লম্বা লম্বা কথা বলা যায়। ক্ষমতা ছেড়ে আসুন, তখন বোঝা যাবে আপনার শক্তি কত? এ দেশে কটা লোক পক্ষে আছে তখনই বোঝা যাবে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, কামরুজ্জামান রতন, মীর সরাফত আলী সপু, আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম সারোয়ার, সাদরেজ জামান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ইয়াসীন আলী, এসএম জিলানী, ফখরুল ইসলাম রবিন প্রমুখ।

আ.লীগে সংশয় দেখা দিয়েছে-গয়েশ্বর : বাংলাদেশের বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারকে ভারত ক্ষমতায় রাখবে কিনা-তা নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বক্তব্য প্রসঙ্গে শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ, নিয়ন্ত্রণহীন দ্রব্যমূল্য’ শীর্ষক এ সভা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, আনোয়ার হোসেন বুলু, তাঁতী দলের মনিরুজ্জামান মুনির, কৃষক দলের ইসমাইল হোসেন তালুকদার প্রমুখ। গয়েশ্বর বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ভারতকে বলেছি আমাদের সরকারে রাখতে। অর্থাৎ ভারত তাদের রাখবে কিনা-এটা নিয়ে সংশয় আছে।

বেহেশত থেকে সত্যটাই বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী-রিজভী : ‘পার্শ্ববর্তী দেশকে বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বলেছি’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বেহেশত থেকে তো আর মিথ্যা কথা বলা যায় না। তাই সত্যটাই বলে দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন নেই। শেখ হাসিনার পায়ের নিচে মাটি নেই-এ কথাটাই তো সত্য প্রমাণিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সারফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, সহসভাপতি গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী প্রমুখ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন