সাফজয়ী ১১ ফুটবল কন্যাকে নিজ জেলায় সংবর্ধনা
jugantor
ফুল দিয়ে বরণ : ছাদখোলা জিপে শোভাযাত্রা
সাফজয়ী ১১ ফুটবল কন্যাকে নিজ জেলায় সংবর্ধনা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী বাংলাদেশ দলের ১১ ফুটবল কন্যা ও এক কোচকে নিজ জেলায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহে ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন ৮ জন। আর খাগড়াছড়িতে সংবর্ধিত হয়েছেন ৪ জন। বরণ করে নেওয়ার পর তাদের নিয়ে শোভাযাত্রাও বের করা হয়।

ময়মনসিংহ ব্যুরো জানায়, শুক্রবার সকালে নগরীর টাউন হল মোড়ে পুলিশ অফিসার্স মেসে সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, শিউলি আজিম, তহুরা খাতুন, শামছুন্নাহার, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাজেদা আক্তার ও মার্জিয়া আক্তার-এই আট ফুটবল কন্যাকে ফুল দিয়ে বরণ করে জেলা পুলিশ। পরে সুসজ্জিত দুটি ঘোড়ার গাড়িতে পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয় তাদের। সেখানে তৈরি মঞ্চে দেওয়া হয় সংবর্ধনা। এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য প্রত্যেকের হাতে তুলে দেন সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ। জেলা পুলিশের এমন সংবর্ধনায় খুশি ফুটবল কন্যারা। এই আটজনই জেলার ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম, সহ-সভাপতি সাজ্জাত জাহান চৌধুরী শাহীন, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম দেলোয়ার হোসেন মুকুল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ রানা, কলসিন্দুর নারী ফুটবল দলের কোচ মফিজ উদ্দিন, কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনতি রানী শীল, সাবেক প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন, কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমের ম্যানেজার মালা রানী সরকারসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ফুটবল কন্যাদের পরিবারের সদস্যসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফুটবল কন্যারা বলেন, ‘নিজ এলাকার মানুষের এমন ভালোবাসা পাব কোনো দিনও ভাবতে পারেনি। বিশেষ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফুটবল ফেডারেশনের দুই দিনব্যাপী সংবর্ধনা আগামীতে খেলার অনুপ্রেরণা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরা খেলতে পারছে। দেশের সুনাম বয়ে এনেছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। কলসিন্দুর থেকে যেন প্রতিবছর আরও নারী ফুটবলার উঠে আসতে পারে সেজন্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’

ধোবাউড়া প্রতিনিধি জানান, জেলা শহর থেকে ফুটবল কন্যারা সন্ধ্যায় ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের পৌঁছেন। পথে পথে ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তারা। উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছলে আদিবাসী নৃত্য ও গানের তালে তাদের বরণ করে নেওয়া হয়। দেওয়া হয় বিশাল গণসংবর্ধনা। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডা বার্গ বন লিন্ডে। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া নাজনীন, ভাইস চেয়ারম্যান আবুল ফজল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা জান্নাত, অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আট খেলোয়াড় ও তাদের কোচকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রত্যেক ফুটবলারকে ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।

বিকালে ময়মনসিংহ থেকে প্রথমে হালুয়াঘাট আসেন ফুটবল কন্যারা। সেখানে সংসদ-সদস্য জুয়েল আরেংয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারা।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, এদিন খাগড়াছড়ির তিন নারী ফুটবলার ও এক সহকারী কোচকে সংবর্ধনা দেয় জেলা ক্রীড়া সংস্থা। বরণ শেষে তাদেরকে ছাদখোলা জিপে তুলে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে কয়েকশ মোটরসাইকেলে চরে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ঠাকুরছড়া থেকে শুরু হওয়া বর্ণিল শোভাযাত্রা পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সাধারণ মানুষ কৃতী ফুটবলারদের হাত নেড়ে অভিনন্দন জানায়।

শোভাযাত্রা শেষে ফুটবলারদের জেলা স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় নারী ফুটবলারদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা ছাড়াও জেলা প্রশাসকের পক্ষে থেকে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। নিজ জেলায় এমন সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত নারী ফুটবলাররা।

তারা বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্ট করে এখানে আসতে পেরেছি। যদি মেয়েদের জন্য নিয়মিত প্র্যাকটিস করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে আরও অনেকেই উঠবে আসবে। অনেকের বাড়ি দূরে। স্টেডিয়ামে এসে প্রতিদিন খেলাধুলা করার মতো সামর্থ্য নেই। অনেক খেলোয়াড় গাড়ি ভাড়ার অভাবে প্রতিদিন যাতায়াত করতে পারে না। এখানে যদি খেলাধুলার জন্য আবাসিক হোস্টেলের ব্যবস্থা করা হয়। তাহলে দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা নিয়মিত প্র্যাকটিসের সুযোগ পাবে। ’

নারী ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের মেয়ে ফুটবলারদের এ পর্যন্ত আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এখানে অনেক খেলোয়াড় আছে, যারা টাকার অভাবে যাতায়াত করতে পারে না। তাই প্র্যাকটিসও করতে পারে না।’

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্য বাসন্তী চাকমা। তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে প্রচুর সম্ভাবনাময় নারী ফুটবলার রয়েছে। তাদেরকে উঠিয়ে আনতে হবে। এজন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে কাজের পরিধি বাড়াতে হবে।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার নাইমুল হক, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শানে আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমা প্রমুখ।

ফুল দিয়ে বরণ : ছাদখোলা জিপে শোভাযাত্রা

সাফজয়ী ১১ ফুটবল কন্যাকে নিজ জেলায় সংবর্ধনা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী বাংলাদেশ দলের ১১ ফুটবল কন্যা ও এক কোচকে নিজ জেলায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহে ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন ৮ জন। আর খাগড়াছড়িতে সংবর্ধিত হয়েছেন ৪ জন। বরণ করে নেওয়ার পর তাদের নিয়ে শোভাযাত্রাও বের করা হয়।

ময়মনসিংহ ব্যুরো জানায়, শুক্রবার সকালে নগরীর টাউন হল মোড়ে পুলিশ অফিসার্স মেসে সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, শিউলি আজিম, তহুরা খাতুন, শামছুন্নাহার, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাজেদা আক্তার ও মার্জিয়া আক্তার-এই আট ফুটবল কন্যাকে ফুল দিয়ে বরণ করে জেলা পুলিশ। পরে সুসজ্জিত দুটি ঘোড়ার গাড়িতে পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয় তাদের। সেখানে তৈরি মঞ্চে দেওয়া হয় সংবর্ধনা। এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য প্রত্যেকের হাতে তুলে দেন সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ। জেলা পুলিশের এমন সংবর্ধনায় খুশি ফুটবল কন্যারা। এই আটজনই জেলার ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম, সহ-সভাপতি সাজ্জাত জাহান চৌধুরী শাহীন, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম দেলোয়ার হোসেন মুকুল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ রানা, কলসিন্দুর নারী ফুটবল দলের কোচ মফিজ উদ্দিন, কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনতি রানী শীল, সাবেক প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন, কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমের ম্যানেজার মালা রানী সরকারসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ফুটবল কন্যাদের পরিবারের সদস্যসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফুটবল কন্যারা বলেন, ‘নিজ এলাকার মানুষের এমন ভালোবাসা পাব কোনো দিনও ভাবতে পারেনি। বিশেষ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফুটবল ফেডারেশনের দুই দিনব্যাপী সংবর্ধনা আগামীতে খেলার অনুপ্রেরণা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরা খেলতে পারছে। দেশের সুনাম বয়ে এনেছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। কলসিন্দুর থেকে যেন প্রতিবছর আরও নারী ফুটবলার উঠে আসতে পারে সেজন্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’

ধোবাউড়া প্রতিনিধি জানান, জেলা শহর থেকে ফুটবল কন্যারা সন্ধ্যায় ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের পৌঁছেন। পথে পথে ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তারা। উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছলে আদিবাসী নৃত্য ও গানের তালে তাদের বরণ করে নেওয়া হয়। দেওয়া হয় বিশাল গণসংবর্ধনা। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডা বার্গ বন লিন্ডে। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া নাজনীন, ভাইস চেয়ারম্যান আবুল ফজল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা জান্নাত, অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আট খেলোয়াড় ও তাদের কোচকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রত্যেক ফুটবলারকে ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।

বিকালে ময়মনসিংহ থেকে প্রথমে হালুয়াঘাট আসেন ফুটবল কন্যারা। সেখানে সংসদ-সদস্য জুয়েল আরেংয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর ধোবাউড়ার কলসিন্দুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারা।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, এদিন খাগড়াছড়ির তিন নারী ফুটবলার ও এক সহকারী কোচকে সংবর্ধনা দেয় জেলা ক্রীড়া সংস্থা। বরণ শেষে তাদেরকে ছাদখোলা জিপে তুলে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে কয়েকশ মোটরসাইকেলে চরে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ঠাকুরছড়া থেকে শুরু হওয়া বর্ণিল শোভাযাত্রা পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সাধারণ মানুষ কৃতী ফুটবলারদের হাত নেড়ে অভিনন্দন জানায়।

শোভাযাত্রা শেষে ফুটবলারদের জেলা স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় নারী ফুটবলারদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা ছাড়াও জেলা প্রশাসকের পক্ষে থেকে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। নিজ জেলায় এমন সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত নারী ফুটবলাররা।

তারা বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্ট করে এখানে আসতে পেরেছি। যদি মেয়েদের জন্য নিয়মিত প্র্যাকটিস করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে আরও অনেকেই উঠবে আসবে। অনেকের বাড়ি দূরে। স্টেডিয়ামে এসে প্রতিদিন খেলাধুলা করার মতো সামর্থ্য নেই। অনেক খেলোয়াড় গাড়ি ভাড়ার অভাবে প্রতিদিন যাতায়াত করতে পারে না। এখানে যদি খেলাধুলার জন্য আবাসিক হোস্টেলের ব্যবস্থা করা হয়। তাহলে দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা নিয়মিত প্র্যাকটিসের সুযোগ পাবে। ’

নারী ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের মেয়ে ফুটবলারদের এ পর্যন্ত আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এখানে অনেক খেলোয়াড় আছে, যারা টাকার অভাবে যাতায়াত করতে পারে না। তাই প্র্যাকটিসও করতে পারে না।’

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্য বাসন্তী চাকমা। তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে প্রচুর সম্ভাবনাময় নারী ফুটবলার রয়েছে। তাদেরকে উঠিয়ে আনতে হবে। এজন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে কাজের পরিধি বাড়াতে হবে।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার নাইমুল হক, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শানে আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমা প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন