সাত মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই চট্টগ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা
jugantor
সাত মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই চট্টগ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা

চট্টগ্রামে শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হওয়া মাত্র ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। নগরীর নিম্নাঞ্চল ও আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে হাঁটুপানিতে। সরকারি ছুটির এদিন অধিকাংশ মানুষ বাড়িতেই ছিলেন। তবে জীবিকার প্রয়োজনে এবং বিভিন্ন কারণে যারা ঘরের বাইরে ছিলেন তাদের পোহাতে হয়েছে সীমাহীন ভোগান্তি। এ ছাড়া সড়কে পানি জমে যাওয়ায় জুমার নামাজ আদায়ে মসজিদে যেতেও অনেককে দুর্ভোগে পড়েন। স্বয়ং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদও পড়েন জলাবদ্ধতার কবলে। দেওয়ান বাজার মৌসুমী আবাসিক এলাকার বাড়ি থেকে তাকে পানি ভেঙে রিকশায় মসজিদে যেতে দেখা গেছে। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে রিকশায় ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবু তৈয়ব।

তিনি বিকালে যুগান্তরকে জানান, বৃষ্টির কারণে তথ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে রাস্তায় পানি ওঠে। হাঁটুপানি থাকায় গাড়ি বের করা যায়নি। তবে এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিয়ে মেয়রের টেলিফোনে কথা হয়েছে। ওই এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মেঘনাথ তঞ্চঙ্গা যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর কম সক্রিয়। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে।

সকাল থেকে নগরীর বাকলিয়া, মুরাদপুর, ষোলশহর দুই নম্বর গেট, দেওয়ান বাজার, মৌসুমি আবাসিক এলাকা, চকবাজার, আগ্রাবাদ, সিডিএ আবাসিক, হালিশহর নয়াবাজার মোড়, ইপিজেড, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন স্থানের সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে। এ কারণে সড়কে যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়ে যায়। পানি ঢুকে যায় নিচু এলাকার বাড়িতেও। তবে সাড়ে ১২টার দিকে বৃষ্টি থেমে গেলে বিকালের পর এসব সড়ক থেকে পানি নেমেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এতে বিভিন্ন খালের ভেতর বাঁধ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে নিচু এলাকায়।

সাত মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই চট্টগ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০১ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হওয়া মাত্র ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। নগরীর নিম্নাঞ্চল ও আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে হাঁটুপানিতে। সরকারি ছুটির এদিন অধিকাংশ মানুষ বাড়িতেই ছিলেন। তবে জীবিকার প্রয়োজনে এবং বিভিন্ন কারণে যারা ঘরের বাইরে ছিলেন তাদের পোহাতে হয়েছে সীমাহীন ভোগান্তি। এ ছাড়া সড়কে পানি জমে যাওয়ায় জুমার নামাজ আদায়ে মসজিদে যেতেও অনেককে দুর্ভোগে পড়েন। স্বয়ং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদও পড়েন জলাবদ্ধতার কবলে। দেওয়ান বাজার মৌসুমী আবাসিক এলাকার বাড়ি থেকে তাকে পানি ভেঙে রিকশায় মসজিদে যেতে দেখা গেছে। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে রিকশায় ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবু তৈয়ব।

তিনি বিকালে যুগান্তরকে জানান, বৃষ্টির কারণে তথ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে রাস্তায় পানি ওঠে। হাঁটুপানি থাকায় গাড়ি বের করা যায়নি। তবে এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিয়ে মেয়রের টেলিফোনে কথা হয়েছে। ওই এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মেঘনাথ তঞ্চঙ্গা যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর কম সক্রিয়। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে।

সকাল থেকে নগরীর বাকলিয়া, মুরাদপুর, ষোলশহর দুই নম্বর গেট, দেওয়ান বাজার, মৌসুমি আবাসিক এলাকা, চকবাজার, আগ্রাবাদ, সিডিএ আবাসিক, হালিশহর নয়াবাজার মোড়, ইপিজেড, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন স্থানের সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে। এ কারণে সড়কে যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়ে যায়। পানি ঢুকে যায় নিচু এলাকার বাড়িতেও। তবে সাড়ে ১২টার দিকে বৃষ্টি থেমে গেলে বিকালের পর এসব সড়ক থেকে পানি নেমেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এতে বিভিন্ন খালের ভেতর বাঁধ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে নিচু এলাকায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন