ই-সরকার সূচকে আট ধাপ এগোল বাংলাদেশ
jugantor
ই-সরকার সূচকে আট ধাপ এগোল বাংলাদেশ
এলডিসিতে সর্বোচ্চ মান

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ এ বছর ই-সরকার সূচকে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ৮ ধাপ এগিয়ে ১১১তম স্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (ইজিডিআই) ২০২২-এ ওই তথ্য উঠে এসেছে। ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১৯তম। অন্যদিকে ই-পার্টিসিপেশন সূচকে বাংলাদেশ এগিয়েছে ২০ ধাপ। বাংলাদেশ শীর্ষ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান অর্জন করেছে। সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারিতে দুই বছরের বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের এই উন্নতি ‘উল্লেখযোগ্য’ বলে দাবি করছে সরকারের এটুআই বিভাগ।

২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রকাশিত ওই সূচকে বাংলাদেশ ০.৫৬৩০ স্কোর নিয়ে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১১১তম স্থান এবং ০.৫২২৭ স্কোর নিয়ে ই-পার্টিসিপেশন বা ইপিআইতে ৭৫তম স্থান অর্জন করেছে। ইপিআইতে বাংলাদেশ এক বছর আগে ০.৫৭১৪ স্কোর নিয়ে ৯৫তম স্থানে ছিল।

অনলাইনে সেবা প্রদান, আইন ও পলিসি কাঠামো, ই-পার্টিসিপেশনের অবস্থার পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং হিউম্যান ক্যাপিটালকে মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। সব সদস্য রাষ্ট্রের ই-সরকার উন্নয়ন মূল্যায়নে বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সেবার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এই জরিপ। এই জরিপে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সূচকগুলো হলো ই-সেবা, টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং বিশ্বব্যাপী হিউম্যান ক্যাপিটাল। এ বছর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।

বাংলাদেশে ই-পার্টিসিপেশন টুলের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে উন্নয়নের বিষয় উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। বাংলাদেশ শাখাবিহীন ব্যাংকিংয়ের প্রসারের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অসাধারণ উন্নতি দেখিয়েছে। যা এজেন্ট ব্যাংকিং এবং মোবাইল আর্থিক পরিষেবার (এমএফএস) মাধ্যমে সারা দেশের ১০ কোটির বেশি গ্রামীণ নাগরিকের দোরগোড়ায় সব সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।

জাতিসংঘের এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শীর্ষ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান অর্জন করেছে। তাছাড়া পরপর দুটি জরিপে বাংলাদেশ উচ্চ ইজিডিআই গ্রুপে রয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি সেবা প্রদানে দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন ই-গভর্নমেন্ট উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। ২০০৯ সালে জাতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ কৌশল গ্রহণ করা হয়।

ই-সরকার সূচকে আট ধাপ এগোল বাংলাদেশ

এলডিসিতে সর্বোচ্চ মান
 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ এ বছর ই-সরকার সূচকে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ৮ ধাপ এগিয়ে ১১১তম স্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (ইজিডিআই) ২০২২-এ ওই তথ্য উঠে এসেছে। ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১৯তম। অন্যদিকে ই-পার্টিসিপেশন সূচকে বাংলাদেশ এগিয়েছে ২০ ধাপ। বাংলাদেশ শীর্ষ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান অর্জন করেছে। সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারিতে দুই বছরের বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের এই উন্নতি ‘উল্লেখযোগ্য’ বলে দাবি করছে সরকারের এটুআই বিভাগ।

২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রকাশিত ওই সূচকে বাংলাদেশ ০.৫৬৩০ স্কোর নিয়ে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১১১তম স্থান এবং ০.৫২২৭ স্কোর নিয়ে ই-পার্টিসিপেশন বা ইপিআইতে ৭৫তম স্থান অর্জন করেছে। ইপিআইতে বাংলাদেশ এক বছর আগে ০.৫৭১৪ স্কোর নিয়ে ৯৫তম স্থানে ছিল।

অনলাইনে সেবা প্রদান, আইন ও পলিসি কাঠামো, ই-পার্টিসিপেশনের অবস্থার পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং হিউম্যান ক্যাপিটালকে মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। সব সদস্য রাষ্ট্রের ই-সরকার উন্নয়ন মূল্যায়নে বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সেবার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এই জরিপ। এই জরিপে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সূচকগুলো হলো ই-সেবা, টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং বিশ্বব্যাপী হিউম্যান ক্যাপিটাল। এ বছর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।

বাংলাদেশে ই-পার্টিসিপেশন টুলের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে উন্নয়নের বিষয় উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। বাংলাদেশ শাখাবিহীন ব্যাংকিংয়ের প্রসারের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অসাধারণ উন্নতি দেখিয়েছে। যা এজেন্ট ব্যাংকিং এবং মোবাইল আর্থিক পরিষেবার (এমএফএস) মাধ্যমে সারা দেশের ১০ কোটির বেশি গ্রামীণ নাগরিকের দোরগোড়ায় সব সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।

জাতিসংঘের এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শীর্ষ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে সর্বোচ্চ ইজিডিআই মান অর্জন করেছে। তাছাড়া পরপর দুটি জরিপে বাংলাদেশ উচ্চ ইজিডিআই গ্রুপে রয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি সেবা প্রদানে দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন ই-গভর্নমেন্ট উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। ২০০৯ সালে জাতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ কৌশল গ্রহণ করা হয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন