বেলকুচিতে দুই ছেলেসহ মায়ের লাশ উদ্ধার
jugantor
বেলকুচিতে দুই ছেলেসহ মায়ের লাশ উদ্ধার

  বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০২ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে দুই ছেলেসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের সুলতান মিয়ার স্ত্রী রওশনারা (৪০), ছেলে জেহাদ (১০) ও মাহিম (৩)। মবুপুর গ্রামের নিজ ঘর থেকে শনিবার সন্ধ্যার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, প্রাথমিকভাবে এটাকে হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। তবে ঘটনার সম্ভাব্য সব কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই আসল রহস্য বের হবে।

জানা গেছে, দ্বিতীয় স্ত্রীর করা মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সুলতান জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি আসেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছেই থাকতেন। এদিকে প্রথম স্ত্রী রওশনারা অন্যের বাড়িতে সুতাকাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। সঙ্গে দুই ছেলেকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে বসবাস করতেন। কয়েকদিন ধরে কাজে না যাওয়ায় ও ফোনে না পেয়ে মহাজন রওশনারার বড় বোন লিলি খাতুনকে ফোন দেন। তিনি শনিবার দুপুরে বোনের বাড়িতে এসে ঘরের ছিটকিনি বন্ধ পান। ছিটকিনি খুললে তাদের লাশ দেখে চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে জড়ো হন। পরে পুলিশকে খবর দেন তারা। লাশ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজমিলুর রহমান জানান, একটি ফাঁকা বাড়িতে শুধু মা আর তার দুই ছেলেই থাকত। ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে সিআইডি ও পিবিআইয়ের টিমও কাজ করছে।

বেলকুচিতে দুই ছেলেসহ মায়ের লাশ উদ্ধার

 বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০২ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে দুই ছেলেসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন উপজেলার ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের সুলতান মিয়ার স্ত্রী রওশনারা (৪০), ছেলে জেহাদ (১০) ও মাহিম (৩)। মবুপুর গ্রামের নিজ ঘর থেকে শনিবার সন্ধ্যার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, প্রাথমিকভাবে এটাকে হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। তবে ঘটনার সম্ভাব্য সব কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই আসল রহস্য বের হবে।

জানা গেছে, দ্বিতীয় স্ত্রীর করা মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সুলতান জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি আসেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছেই থাকতেন। এদিকে প্রথম স্ত্রী রওশনারা অন্যের বাড়িতে সুতাকাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। সঙ্গে দুই ছেলেকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে বসবাস করতেন। কয়েকদিন ধরে কাজে না যাওয়ায় ও ফোনে না পেয়ে মহাজন রওশনারার বড় বোন লিলি খাতুনকে ফোন দেন। তিনি শনিবার দুপুরে বোনের বাড়িতে এসে ঘরের ছিটকিনি বন্ধ পান। ছিটকিনি খুললে তাদের লাশ দেখে চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে জড়ো হন। পরে পুলিশকে খবর দেন তারা। লাশ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজমিলুর রহমান জানান, একটি ফাঁকা বাড়িতে শুধু মা আর তার দুই ছেলেই থাকত। ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে সিআইডি ও পিবিআইয়ের টিমও কাজ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন