নিজ জেলায় ভালোবাসায় সিক্ত সাফজয়ী মেয়েরা
jugantor
ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
নিজ জেলায় ভালোবাসায় সিক্ত সাফজয়ী মেয়েরা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কলসিন্দুর। ভারতের মেঘালয়ঘেঁষা এই গ্রাম থেকে উঠে এসেছে একদল কিশোরী ফুটবলার। তাদেরই সাফল্যে কলসিন্দুর গ্রামের পরিচিতি এখন বিশ্বময়। শুক্রবার রাতে সাফজয়ী সাত ফুটবল-কন্যা ফিরেছে নিজ গ্রামে। তাদের জানানো হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা। পথে পথে বাদ্য-বাজনার তালে ফুলের পাঁপড়ি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয়রা। মেয়েদের বরণ করতে বর্ণাঢ্য আয়োজন ছিল যার যার বাড়িতেও। মায়েরা রান্না করেন তাদের প্রিয় খাবার। দেশের সুনাম বয়ে আনা মেয়েদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত পাড়াপ্রতিবেশীরাও। নিজ জেলায় এমন ভালোবাসায় মুগ্ধ শামসুন্নাহার সিনিয়র-জুনিয়র, তহুরা, মার্জিয়া, সাজেদা, সানজিদা ও মারিয়া। এছাড়া টাঙ্গাইলে কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন, কুষ্টিয়ায় নিলুফা ইয়াসমিন নীলা এবং ঠাকুরগাঁওয়ে সোহাগী কিস্কু ও স্বপ্না রানীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

টাঙ্গাইল : শনিবার দুপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে সংবর্ধনা দেওয়া হয় সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে জোড়া গোল করা কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রব্বানি ছোটনকে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে ছিলেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ-সদস্য আলহাজ ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান খান স্মৃতি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল ইসলাম লিন্টু, যুগ্ম-সম্পাদক মাতিনুজ্জামান সুখন ও ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে কৃষ্ণা রানী সরকারকে এক লাখ টাকা ও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এ সময় ফজলুর রহমান ফারুক ব্যক্তিগতভাবে কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনকে স্বর্ণের চেন উপহার দেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষ্ণাকে এক লাখ, ছোটনকে পঞ্চাশ হাজার, পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে কৃষ্ণাকে এক লাখ ও ছোটনকে পঞ্চাশ হাজার, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ-সদস্যের পক্ষ থেকে দুজনকে পঁচিশ হাজার টাকা করে উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া জেলা পরিষদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, মহিলা উইমেন্স একাডেমি, উপজেলা পরিষদ পৃথকভাবে ক্রেস্ট প্রদান করেন।

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : কৃষ্ণা রানী সরকার, কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও গোপালপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক গোলাম রায়হান বাপনকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার পক্ষ থেকে তাদের ৩ জনকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গোপালপুর প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ইউএনও পারভেজ মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ-সদস্য ছোট মনির। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, প্রেস ক্লাব সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, কৃষ্ণার বাবা বাসুদেব সরকার প্রমুখ।

কুষ্টিয়া : নারী ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য নিলুফা ইয়াসমিন নীলাকে সংবর্ধনা দিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা। শনিবার দুপুরে তাকে শিল্পকলা একাডেমিতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগে কুষ্টিয়ার সন্তান নীলা ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়া বাড়ি পৌঁছলে তাকে শুভেচ্ছা জানান, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার খায়রুল আলম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতারা। পরে নীলাকে নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। সেখানে নীলা ও তার মা বাছিরন আক্তারকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ঠাকুরগাঁও : দুই ফুটবল-কন্যা সোহাগী কিস্কু ও স্বপ্না রানীকে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ-সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মুহ. সাদেক কুরাইশী, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ৫০ হাজার টাকা করে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা ২৫ হাজার করে উপহার দেয় দুই ফুটবলারকে। এছাড়া ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় সুসজ্জিত একটি ছাদখোলা জিপে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তাদের প্রদক্ষিণ করানো হয়।

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) : শুক্রবার রাতে নিজ গ্রাম কলসিন্দুরে ফিরেছে আট নারী ফুটবলার। পথে পথে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা জানায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। শামসুন্নাহার সিনিয়র-জুনিয়র, তহুরা, মার্জিয়া, সাজেদা, সানজিদা ও মারিয়াদের বাড়িতেও ছিল শুভেচ্ছার আয়োজন। বাড়িতে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের ভালোবাসায় উচ্ছ্বসিত মেয়েরা। আশপাশের বাড়ি থেকে অনেক মানুষ আসে তাদের দেখতে। মেয়েদের পছন্দের খাবার তৈরি করেন তাদের মায়েরা। সানজিদার মা হাসের মাংস রান্না করেন। সানজিদা বলেন, অনেকদিন পর মায়ের হাতের রান্না করা হাসের মাংস খেয়েছি। মারিয়া মান্দা জানায়, পথে পথে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। নারী ফুটবলাররা জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ এসেছে। তবে রাস্তাঘাটে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। তাই রাস্তাঘাট উন্নয়নের দাবি জানান তারা। মারিয়া মান্দার বাড়িতে যেতে নেতাই নদী পেরোতে হয় নৌকা দিয়ে। তাই তিনি একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান।

ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

নিজ জেলায় ভালোবাসায় সিক্ত সাফজয়ী মেয়েরা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কলসিন্দুর। ভারতের মেঘালয়ঘেঁষা এই গ্রাম থেকে উঠে এসেছে একদল কিশোরী ফুটবলার। তাদেরই সাফল্যে কলসিন্দুর গ্রামের পরিচিতি এখন বিশ্বময়। শুক্রবার রাতে সাফজয়ী সাত ফুটবল-কন্যা ফিরেছে নিজ গ্রামে। তাদের জানানো হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা। পথে পথে বাদ্য-বাজনার তালে ফুলের পাঁপড়ি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয়রা। মেয়েদের বরণ করতে বর্ণাঢ্য আয়োজন ছিল যার যার বাড়িতেও। মায়েরা রান্না করেন তাদের প্রিয় খাবার। দেশের সুনাম বয়ে আনা মেয়েদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত পাড়াপ্রতিবেশীরাও। নিজ জেলায় এমন ভালোবাসায় মুগ্ধ শামসুন্নাহার সিনিয়র-জুনিয়র, তহুরা, মার্জিয়া, সাজেদা, সানজিদা ও মারিয়া। এছাড়া টাঙ্গাইলে কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন, কুষ্টিয়ায় নিলুফা ইয়াসমিন নীলা এবং ঠাকুরগাঁওয়ে সোহাগী কিস্কু ও স্বপ্না রানীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

টাঙ্গাইল : শনিবার দুপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে সংবর্ধনা দেওয়া হয় সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে জোড়া গোল করা কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রব্বানি ছোটনকে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে ছিলেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ-সদস্য আলহাজ ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান খান স্মৃতি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল ইসলাম লিন্টু, যুগ্ম-সম্পাদক মাতিনুজ্জামান সুখন ও ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে কৃষ্ণা রানী সরকারকে এক লাখ টাকা ও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এ সময় ফজলুর রহমান ফারুক ব্যক্তিগতভাবে কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটনকে স্বর্ণের চেন উপহার দেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষ্ণাকে এক লাখ, ছোটনকে পঞ্চাশ হাজার, পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে কৃষ্ণাকে এক লাখ ও ছোটনকে পঞ্চাশ হাজার, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ-সদস্যের পক্ষ থেকে দুজনকে পঁচিশ হাজার টাকা করে উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া জেলা পরিষদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, মহিলা উইমেন্স একাডেমি, উপজেলা পরিষদ পৃথকভাবে ক্রেস্ট প্রদান করেন।

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : কৃষ্ণা রানী সরকার, কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও গোপালপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক গোলাম রায়হান বাপনকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার পক্ষ থেকে তাদের ৩ জনকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গোপালপুর প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ইউএনও পারভেজ মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ-সদস্য ছোট মনির। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, প্রেস ক্লাব সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, কৃষ্ণার বাবা বাসুদেব সরকার প্রমুখ।

কুষ্টিয়া : নারী ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য নিলুফা ইয়াসমিন নীলাকে সংবর্ধনা দিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা। শনিবার দুপুরে তাকে শিল্পকলা একাডেমিতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগে কুষ্টিয়ার সন্তান নীলা ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়া বাড়ি পৌঁছলে তাকে শুভেচ্ছা জানান, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার খায়রুল আলম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতারা। পরে নীলাকে নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। সেখানে নীলা ও তার মা বাছিরন আক্তারকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ঠাকুরগাঁও : দুই ফুটবল-কন্যা সোহাগী কিস্কু ও স্বপ্না রানীকে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ-সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মুহ. সাদেক কুরাইশী, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ৫০ হাজার টাকা করে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা ২৫ হাজার করে উপহার দেয় দুই ফুটবলারকে। এছাড়া ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় সুসজ্জিত একটি ছাদখোলা জিপে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তাদের প্রদক্ষিণ করানো হয়।

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) : শুক্রবার রাতে নিজ গ্রাম কলসিন্দুরে ফিরেছে আট নারী ফুটবলার। পথে পথে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা জানায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। শামসুন্নাহার সিনিয়র-জুনিয়র, তহুরা, মার্জিয়া, সাজেদা, সানজিদা ও মারিয়াদের বাড়িতেও ছিল শুভেচ্ছার আয়োজন। বাড়িতে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের ভালোবাসায় উচ্ছ্বসিত মেয়েরা। আশপাশের বাড়ি থেকে অনেক মানুষ আসে তাদের দেখতে। মেয়েদের পছন্দের খাবার তৈরি করেন তাদের মায়েরা। সানজিদার মা হাসের মাংস রান্না করেন। সানজিদা বলেন, অনেকদিন পর মায়ের হাতের রান্না করা হাসের মাংস খেয়েছি। মারিয়া মান্দা জানায়, পথে পথে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। নারী ফুটবলাররা জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ এসেছে। তবে রাস্তাঘাটে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। তাই রাস্তাঘাট উন্নয়নের দাবি জানান তারা। মারিয়া মান্দার বাড়িতে যেতে নেতাই নদী পেরোতে হয় নৌকা দিয়ে। তাই তিনি একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন