১ লাখ ৮৫ হাজার পরিবারকে ঘর দিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
jugantor
১ লাখ ৮৫ হাজার পরিবারকে ঘর দিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুজিববর্ষে সরকার ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ভূমিহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। এছাড়া দেশের নগর অঞ্চলে জনসাধারণের আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ ‘বিশ্ব বসতি’ দিবস। এ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে রোববার তিনি এ কথা বলেন। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের আপামর জনসাধারণের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন, যাতে দেশের সব মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং একই সঙ্গে নগর ও গ্রামাঞ্চলের সুষম উন্নয়ন হয়। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গৃহীত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ তারই বাস্তবমুখী বহিঃপ্রকাশ। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চারের জন্য আমরা বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছি, যা দেশের পশ্চাৎপদ অঞ্চলসমূহকে দেশের উন্নয়নের মূল ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করবে। নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের সরকার ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু তৈরি করেছে।’

শিশুদের বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের বুকে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সবার মিলিত প্রয়াস। বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে রোববার তিনি এ কথা বলেন। আজ বিশ্ব শিশু দিবস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার শিশুদের কল্যাণে এবং তাদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদন নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, শুধু সরকারি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়। শিশুর যাবতীয় অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসহ সব সচেতন নাগরিক এবং অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ : প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কৃষিজমি কমতে থাকা, জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের জন্য উদাহরণ। ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। আজ এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘করোনা মহামারির মধ্যেও কৃষি নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য জোগানের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষি খাতে আমাদের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে খোরপোষের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হয়েছে এবং খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০-এ স্থান করে নিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশব্যাপী ১শটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমরা উত্তম কৃষিচর্চা নীতিমালা ২০২০ অনুসরণে ফসল উৎপাদন, আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ, অ্যাক্রিডিটেড ল্যাব স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি।

১ লাখ ৮৫ হাজার পরিবারকে ঘর দিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুজিববর্ষে সরকার ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ভূমিহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। এছাড়া দেশের নগর অঞ্চলে জনসাধারণের আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ ‘বিশ্ব বসতি’ দিবস। এ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে রোববার তিনি এ কথা বলেন। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি, সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের আপামর জনসাধারণের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন, যাতে দেশের সব মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং একই সঙ্গে নগর ও গ্রামাঞ্চলের সুষম উন্নয়ন হয়। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গৃহীত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ তারই বাস্তবমুখী বহিঃপ্রকাশ। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চারের জন্য আমরা বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছি, যা দেশের পশ্চাৎপদ অঞ্চলসমূহকে দেশের উন্নয়নের মূল ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করবে। নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের সরকার ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু তৈরি করেছে।’

শিশুদের বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের বুকে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সবার মিলিত প্রয়াস। বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে রোববার তিনি এ কথা বলেন। আজ বিশ্ব শিশু দিবস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার শিশুদের কল্যাণে এবং তাদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদন নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, শুধু সরকারি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়। শিশুর যাবতীয় অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসহ সব সচেতন নাগরিক এবং অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ : প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কৃষিজমি কমতে থাকা, জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের জন্য উদাহরণ। ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। আজ এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘করোনা মহামারির মধ্যেও কৃষি নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য জোগানের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষি খাতে আমাদের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে খোরপোষের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হয়েছে এবং খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০-এ স্থান করে নিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশব্যাপী ১শটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমরা উত্তম কৃষিচর্চা নীতিমালা ২০২০ অনুসরণে ফসল উৎপাদন, আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ, অ্যাক্রিডিটেড ল্যাব স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন