নির্বাচন কর্মকর্তার আঙুলের ছাপে ভোটের সুযোগ
jugantor
ইভিএমে ভোটগ্রহণ
নির্বাচন কর্মকর্তার আঙুলের ছাপে ভোটের সুযোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দিতে গিয়ে ভোটারের আঙুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সর্বোচ্চ এক শতাংশ ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আইনি কাঠামোয় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি জানান, এজন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দু-একদিনের মধ্যে এই সংশোধনী প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হবে।

সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কমিশনার আলমগীর বলেন, নানারকম অপব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র করার সময় প্রত্যেক ভোটারের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। ইভিএমে ভোট দিতে গেলে ভোটারের আঙুলের ছাপ মেলানো হয়। কারও আঙুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা নিজেদের আঙুলের ছাপ দিয়ে কোনো ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারেন। একজন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ কতজন ভোটারের জন্য এই কাজ করতে পারবেন, তা আইনে নির্দিষ্ট করে দিতে ইসি এই প্রস্তাব করতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার আলমগীর আরও বলেন, যাদের হাতের আঙুলের ছাপ মেলে না, তাদের তো ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভোটার সম্পর্কে নিশ্চিত হলে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেন। এখানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শুধু ভোট দেওয়ার অনুমতি দেন। ওই ভোটার গোপন কক্ষে গিয়ে নিজের ভোট নিজেই দিয়ে থাকেন। এটার একটা সীমা আছে। ওই ভোটকেন্দ্রের সর্বোচ্চ ১ শতাংশ ভোটারের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়ার সুযোগ প্রিসাইডিং কর্মকর্তার আছে। এ বিষয়ের আলাদা রেকর্ড রাখা হয়। তিনি বলেন, এই বিষয় নিয়ে যাতে সংশয় তৈরি না হয়, সেজন্য এটাকে আইনের কাঠামোতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা ১ শতাংশ থাকে। ইভিএম মেশিন সেভাবেই কাস্টমাইজ করা হয়। তিনি চাইলে তার চেয়ে বেশি দিতে পারেন না।

কোনো কেন্দ্রে এক শতাংশের বেশি ভোটারের আঙুলের ছাপ না মিললে তারা ভোট দিতে বঞ্চিত হবেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে এটা করা হচ্ছে। এটি নিয়ে যেহেতু সন্দেহ করা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাই বৃহত্তর স্বার্থে ইসি এটি করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এখন সব ভোটারেরই ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে। এটি হলে আঙুলের ছাপ নিয়ে আর সমস্যা হবে না। কারণ কোনো না কোনো আঙুলের ছাপ মিলবে। তখন ১ শতাংশের জন্যও এই সুযোগের প্রয়োজন হবে না।

ইভিএমে ভোটগ্রহণ

নির্বাচন কর্মকর্তার আঙুলের ছাপে ভোটের সুযোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দিতে গিয়ে ভোটারের আঙুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সর্বোচ্চ এক শতাংশ ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আইনি কাঠামোয় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি জানান, এজন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দু-একদিনের মধ্যে এই সংশোধনী প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হবে।

সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কমিশনার আলমগীর বলেন, নানারকম অপব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র করার সময় প্রত্যেক ভোটারের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। ইভিএমে ভোট দিতে গেলে ভোটারের আঙুলের ছাপ মেলানো হয়। কারও আঙুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা নিজেদের আঙুলের ছাপ দিয়ে কোনো ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারেন। একজন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ কতজন ভোটারের জন্য এই কাজ করতে পারবেন, তা আইনে নির্দিষ্ট করে দিতে ইসি এই প্রস্তাব করতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার আলমগীর আরও বলেন, যাদের হাতের আঙুলের ছাপ মেলে না, তাদের তো ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভোটার সম্পর্কে নিশ্চিত হলে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেন। এখানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শুধু ভোট দেওয়ার অনুমতি দেন। ওই ভোটার গোপন কক্ষে গিয়ে নিজের ভোট নিজেই দিয়ে থাকেন। এটার একটা সীমা আছে। ওই ভোটকেন্দ্রের সর্বোচ্চ ১ শতাংশ ভোটারের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়ার সুযোগ প্রিসাইডিং কর্মকর্তার আছে। এ বিষয়ের আলাদা রেকর্ড রাখা হয়। তিনি বলেন, এই বিষয় নিয়ে যাতে সংশয় তৈরি না হয়, সেজন্য এটাকে আইনের কাঠামোতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা ১ শতাংশ থাকে। ইভিএম মেশিন সেভাবেই কাস্টমাইজ করা হয়। তিনি চাইলে তার চেয়ে বেশি দিতে পারেন না।

কোনো কেন্দ্রে এক শতাংশের বেশি ভোটারের আঙুলের ছাপ না মিললে তারা ভোট দিতে বঞ্চিত হবেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে এটা করা হচ্ছে। এটি নিয়ে যেহেতু সন্দেহ করা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাই বৃহত্তর স্বার্থে ইসি এটি করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এখন সব ভোটারেরই ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে। এটি হলে আঙুলের ছাপ নিয়ে আর সমস্যা হবে না। কারণ কোনো না কোনো আঙুলের ছাপ মিলবে। তখন ১ শতাংশের জন্যও এই সুযোগের প্রয়োজন হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন