মেহেন্দীগঞ্জে পন্টুন ও লঞ্চের চাপায় নারীর পা বিচ্ছিন্ন
jugantor
মেহেন্দীগঞ্জে পন্টুন ও লঞ্চের চাপায় নারীর পা বিচ্ছিন্ন

  বরিশাল ব্যুরো ও মেহেন্দীগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে পন্টুন ও লঞ্চের চাপায় রিনা আক্তার নামে এক নারীর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উপজেলার উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চঘাটে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। রিনাকে বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি মেহেন্দীগঞ্জের দক্ষিণ উলানিয়া ইউনিয়নের মৃত কামাল রাঢ়ীর স্ত্রী। মা ফাতেমা বেগমকে লঞ্চে উঠিয়ে দিতে গিয়েছিলেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকাগামী এমভি ফারহান-৪ লঞ্চটি ঘাটে ভিড়লে পন্টুনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। এ সময় রিনা লঞ্চে উঠতে গেলে পন্টুন ও লঞ্চের মধ্যবর্তী স্থানে পা আটকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, রিনার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে লঞ্চের মাস্টার (চালক) বা স্টাফদের গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেন্দীগঞ্জে পন্টুন ও লঞ্চের চাপায় নারীর পা বিচ্ছিন্ন

 বরিশাল ব্যুরো ও মেহেন্দীগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে পন্টুন ও লঞ্চের চাপায় রিনা আক্তার নামে এক নারীর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উপজেলার উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চঘাটে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। রিনাকে বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি মেহেন্দীগঞ্জের দক্ষিণ উলানিয়া ইউনিয়নের মৃত কামাল রাঢ়ীর স্ত্রী। মা ফাতেমা বেগমকে লঞ্চে উঠিয়ে দিতে গিয়েছিলেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকাগামী এমভি ফারহান-৪ লঞ্চটি ঘাটে ভিড়লে পন্টুনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। এ সময় রিনা লঞ্চে উঠতে গেলে পন্টুন ও লঞ্চের মধ্যবর্তী স্থানে পা আটকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, রিনার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে লঞ্চের মাস্টার (চালক) বা স্টাফদের গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন