যশোরে রনির লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
jugantor
কুপিয়ে হত্যা
যশোরে রনির লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

  যশোর ব্যুরো  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে খুনের মামলার আসামি রনি শেখকে কুপিয়ে হত্যার বিচার দাবিতে তার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে শহরের দড়াটানা থেকে মিছিলটি প্রেস ক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিলে নিহতের স্বজনরা ছাড়াও শতাধিক মানুষ অংশ নেয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে রনির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার শ্মশানের পাশ থেকে রনির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চাঁচড়ার ইমরোজ হত্যা মামলার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি ছিলেন। রনি চাঁচড়া হঠাৎপাড়ার বাবুর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ নয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনকভাবে রকি নামে এক যুবককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

রনির স্ত্রী সোনিয়া খাতুন সাংবাদিকদের জানান, শনিবার বিকাল ৫টার দিকে একই এলাকার রবিউল ইসলাম ও রকি নামে দুজন রনিকে পূজা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে বাড়ি না ফেরায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন তিনি। রোববার তার শ্বশুর কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তারপর রকিকে আটক করে পুলিশ। পরে রকির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রনির লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। আমার দুধের শিশুকে যারা বাপহারা করেছে, তাদের ফাঁসি চাই।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, নিহত রনি একই এলাকার নুরু মুহুরির ছেলে ইমরোজ হত্যা মামলার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি। ইমরোজ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা করা হতে পারে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কুপিয়ে হত্যা

যশোরে রনির লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

 যশোর ব্যুরো 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে খুনের মামলার আসামি রনি শেখকে কুপিয়ে হত্যার বিচার দাবিতে তার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে শহরের দড়াটানা থেকে মিছিলটি প্রেস ক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিলে নিহতের স্বজনরা ছাড়াও শতাধিক মানুষ অংশ নেয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে রনির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার শ্মশানের পাশ থেকে রনির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চাঁচড়ার ইমরোজ হত্যা মামলার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি ছিলেন। রনি চাঁচড়া হঠাৎপাড়ার বাবুর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ নয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনকভাবে রকি নামে এক যুবককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

রনির স্ত্রী সোনিয়া খাতুন সাংবাদিকদের জানান, শনিবার বিকাল ৫টার দিকে একই এলাকার রবিউল ইসলাম ও রকি নামে দুজন রনিকে পূজা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে বাড়ি না ফেরায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন তিনি। রোববার তার শ্বশুর কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তারপর রকিকে আটক করে পুলিশ। পরে রকির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রনির লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। আমার দুধের শিশুকে যারা বাপহারা করেছে, তাদের ফাঁসি চাই।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, নিহত রনি একই এলাকার নুরু মুহুরির ছেলে ইমরোজ হত্যা মামলার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত আসামি। ইমরোজ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা করা হতে পারে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন