বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে বাড়বে পরের সপ্তাহে
jugantor
আবহাওয়া পরিস্থিতি
বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে বাড়বে পরের সপ্তাহে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্ষা মৌসুমের কম বৃষ্টিপাত শরতে যেন পুষিয়ে দিচ্ছে প্রকৃতি। হেমন্তের আগমনের আগে অক্টোবরের বড় অংশজুড়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের আভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দুদিন ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত এই ধারা চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার থেকে কিছুটা কমে পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ফের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে এই বন্যা বড় মানের ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করেন তারা।

জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ‘রোববার থেকে সারা দেশেই বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রধান কারণ-মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয়। তাছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ আছে। এই লঘুচাপের প্রভাব এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে থেমে থেমে সারা দেশে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের এমন পরিস্থিতি আরও দুদিন বিরাজমান থাকবে। এরপর নিয়মিত বৃষ্টি হবে। কিন্তু বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমে যাবে।’ বৃষ্টিপাত কমে ফের বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে। কিন্তু সারা দেশে কমবে না। যেমন চট্টগ্রামের দিকে একটু কমতে পারে। দুই থেকে তিন দিন এমন কম থাকবে। এর পরবর্তী সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা ফের বাড়তে পারে।’ কানাডার সাসক্যাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ৯-১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতীয় রাজ্যগুলোতে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালের শুরুতে বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ ও ভারতের স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এ বছর মৌসুমি বায়ু ৩০-৩১ মে চট্টগ্রামে পৌঁছায় ও জুন মাসের ২য় সপ্তাহে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ওপর অবস্থান করায় আবহাওয়া সম্পর্কিত ট্রাফিক জ্যামের সম্মুখীন হয়। যার কারণে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে রেকর্ড ব্রেকিং বৃষ্টিপাত হয় পরপর ৩ দিন (১৫, ১৬ ও ১৭ জুন ৮০০ মিলিমিটারের বেশি)। এ কারণে সিলেট বিভাগে সর্বকালের স্মরণীয় বন্যার সম্মুখীন হয়। সাধারণত মৌসুমি বায়ুর উত্তর-পশ্চিমমুখী যাত্রা শেষ হয় সেপ্টেম্বর মাসের ২য় সপ্তাহে পাকিস্তানের ওপরে। সাধারণত ১৫-২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মৌসুমি বায়ুর বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হয়। চলতি বছরে মৌসুমি বায়ুর বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হয়েছে স্বাভাবিক সময় অপেক্ষা প্রায় ১ সপ্তাহ পরে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে (২০-২৮ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে)। অন্য বছরের চেয়ে দেরি করে বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হওয়ায় এ বছর সাত থেকে ১০ দিন পর মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের স্থলভাগ ছেড়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে।

মোস্তফা কামাল পলাশ আরও বলেন, ‘এক সপ্তাহ ভারি বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব-ভারতীয় রাজ্যগুলোতে। সম্ভাব্য এই ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে অক্টোবর মাসের ৯ থেকে ১৫ তারিখ। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। ‘আগামী ২ সপ্তাহে (অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত) বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ কিংবা নিুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেম এ সম্ভাবনার কথা বলছে।’

এদিকে ভারি বর্ষণের মাস জুলাই ও আগস্ট তেমন বৃষ্টির মুখ না দেখলেও অক্টোবরে এসে তা বেড়েছে। রোববারের মতো সোমবারও ঢাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর (বর্ষা) বিদায় নেওয়ার কথা রয়েছে। তাই এ সময় দিনরাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

উপকূলে বৃষ্টি বেড়েছে, সুন্দরবনে কমেছে পর্যটক : এদিকে যুগান্তরের মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি অগ্রসর হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে মোংলায় সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, পূজার কারণে দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধির আশা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ায় পর্যটক কম আসছে। তবে এসবের মধ্যেও বন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ। এদিকে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ সাগর ও সুন্দরবন উপকূলজুড়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এমন বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানিয়েছেন মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি

বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমে বাড়বে পরের সপ্তাহে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্ষা মৌসুমের কম বৃষ্টিপাত শরতে যেন পুষিয়ে দিচ্ছে প্রকৃতি। হেমন্তের আগমনের আগে অক্টোবরের বড় অংশজুড়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের আভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দুদিন ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত এই ধারা চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার থেকে কিছুটা কমে পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ফের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে এই বন্যা বড় মানের ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করেন তারা।

জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ‘রোববার থেকে সারা দেশেই বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রধান কারণ-মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয়। তাছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ আছে। এই লঘুচাপের প্রভাব এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে থেমে থেমে সারা দেশে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের এমন পরিস্থিতি আরও দুদিন বিরাজমান থাকবে। এরপর নিয়মিত বৃষ্টি হবে। কিন্তু বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমে যাবে।’ বৃষ্টিপাত কমে ফের বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে। কিন্তু সারা দেশে কমবে না। যেমন চট্টগ্রামের দিকে একটু কমতে পারে। দুই থেকে তিন দিন এমন কম থাকবে। এর পরবর্তী সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা ফের বাড়তে পারে।’ কানাডার সাসক্যাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ৯-১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতীয় রাজ্যগুলোতে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালের শুরুতে বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ ও ভারতের স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এ বছর মৌসুমি বায়ু ৩০-৩১ মে চট্টগ্রামে পৌঁছায় ও জুন মাসের ২য় সপ্তাহে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ওপর অবস্থান করায় আবহাওয়া সম্পর্কিত ট্রাফিক জ্যামের সম্মুখীন হয়। যার কারণে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে রেকর্ড ব্রেকিং বৃষ্টিপাত হয় পরপর ৩ দিন (১৫, ১৬ ও ১৭ জুন ৮০০ মিলিমিটারের বেশি)। এ কারণে সিলেট বিভাগে সর্বকালের স্মরণীয় বন্যার সম্মুখীন হয়। সাধারণত মৌসুমি বায়ুর উত্তর-পশ্চিমমুখী যাত্রা শেষ হয় সেপ্টেম্বর মাসের ২য় সপ্তাহে পাকিস্তানের ওপরে। সাধারণত ১৫-২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মৌসুমি বায়ুর বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হয়। চলতি বছরে মৌসুমি বায়ুর বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হয়েছে স্বাভাবিক সময় অপেক্ষা প্রায় ১ সপ্তাহ পরে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে (২০-২৮ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে)। অন্য বছরের চেয়ে দেরি করে বিপরীতমুখী যাত্রা শুরু হওয়ায় এ বছর সাত থেকে ১০ দিন পর মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের স্থলভাগ ছেড়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে।

মোস্তফা কামাল পলাশ আরও বলেন, ‘এক সপ্তাহ ভারি বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব-ভারতীয় রাজ্যগুলোতে। সম্ভাব্য এই ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে অক্টোবর মাসের ৯ থেকে ১৫ তারিখ। এই সময়ে তিস্তা নদী ও যমুনা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যাকবলিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। ‘আগামী ২ সপ্তাহে (অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত) বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ কিংবা নিুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেম এ সম্ভাবনার কথা বলছে।’

এদিকে ভারি বর্ষণের মাস জুলাই ও আগস্ট তেমন বৃষ্টির মুখ না দেখলেও অক্টোবরে এসে তা বেড়েছে। রোববারের মতো সোমবারও ঢাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর (বর্ষা) বিদায় নেওয়ার কথা রয়েছে। তাই এ সময় দিনরাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

উপকূলে বৃষ্টি বেড়েছে, সুন্দরবনে কমেছে পর্যটক : এদিকে যুগান্তরের মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি অগ্রসর হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে মোংলায় সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, পূজার কারণে দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধির আশা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ায় পর্যটক কম আসছে। তবে এসবের মধ্যেও বন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ। এদিকে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ সাগর ও সুন্দরবন উপকূলজুড়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এমন বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানিয়েছেন মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন