ঢাকায় ছিনতাই দলে নতুন ভার্সন ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’
jugantor
ঢাকায় ছিনতাই দলে নতুন ভার্সন ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’
গায়ে ধাক্কা লাগিয়ে মারধর করে ছিনিয়ে নেয় সর্বস্ব * ঝগড়ার অভিনয়েও লোক জড়ো করে পকেট কাটে তারা

  ইকবাল হাসান ফরিদ  

০৬ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকায় ছিনতাই দলে নতুন ভার্সন ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’। এ চক্রের সদস্যরা সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে তৎপর হয়ে ওঠে।

এদের অধিকাংশই স্মার্ট-সুদর্শন। দেখে বোঝার উপায় থাকে না এরা ছিনতাইকারী। ছিনতাইয়ে এরা অভিনব কৌশল অবলম্বন করে।

কখনো টার্গেট ব্যক্তির সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে ঝগড়া বাধায়। এরপর মারধর করে সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। আবার কখনো নিজেরা নিজেরা ঝগড়া বাধায়।

তা দেখে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতার পকেট কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা। এমন কৌশলের কারণে এ ছিনতাইচক্রকে ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’ হিসাবেই চেনেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওত পেতে থাকে গ্যাঞ্জাম পার্টির সদস্যরা। প্রত্যেক চক্রে ৪-৫ জন সদস্য থাকে। তারা পথচারী কিংবা গাড়িচালকদের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে ঝগড়া বাধায়। এরপর মারধর করে মোবাইল ফোন, টাকাপয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। আবার কখনো চক্রের সদস্যরা নিজেরা ঝগড়ার অভিনয় করে লোক জড়ো করে। এ সময় চক্রের অন্য সদস্যরা উৎসুক জনতার পকেট কেটে মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, এ চক্রের সদস্যরা পেশাদার ‘স্মার্ট ছিনতাইকারী’। এরা ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। এরা বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত। মূলত মাদকের টাকার জোগান দিতেই তাদের কেউ কেউ ছিনতাইয়ে জড়িয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টা। গাবতলী মাজার রোডে ধস্তাধস্তি করছিলেন দুই যুবক। পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে যে কারও বুঝতে অসুবিধা হবে না এরা বিত্তশালী পরিবারের সন্তান। তাদেরকে সরানোর চেষ্টা করছিলেন সমবয়সি আরও দুজন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই পথচারীরা জড়ো হন। বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রীরাও ছিলেন সেখানে। মুহূর্তে জটলা তৈরি হয়। একপর্যাযে যুবকরা যে যার মতো চলে যান। এর ১০ মিনিটের মাথায় মাজার রোডে ঘটনাস্থলে দাঁড়ানো বাসযাত্রী আমেনা খাতুন খেয়াল করে দেখেন তার ভ্যানেটি ব্যাগের চেইন খোলা। একটি স্মার্টফোন এবং ৫০০ টাকা ব্যাগে নেই। এ সময় ঘটনাস্থলে আমিনবাজারের বাসিন্দা আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি জানান, তার মোবাইল ফোনটিও খোয়া গেছে।

গাবতলী টার্মিনালের রাতে যাত্রী উঠানোর কাজ করেন আরিফ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এটি গ্যাঞ্জাম পার্টির কাজ। এদের তৎপরতা প্রায় রাতেই দেখা যায়। এরা কোনো কোনো সময় মানুষের পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া লাগায়। এরপর টার্গেট ব্যক্তিকে মারধর করে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান, এদের কাছে ব্লেড থাকে। কিছু বললে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন লুৎফুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। হঠাৎ তার গাড়ির সামনে এসে একজন বলেন, আমাকে ধাক্কা দিলি ক্যান? এ সময় এগিয়ে আসেন আরেক যুবক। দুজনে লুৎফর রহমানকে মারধর করে টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় ভুক্তভোগী লুৎফুর রহমান চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। থানা পুলিশের টহল টিম ঘটনাস্থলে এসে দুজনকে আটক করে। তাদের একজনের নাম রাজু, অপরজনের নাম সুমন।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতার রাজু একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তার বাসা তুরাগের ভাবনারটেক এলাকায়। আর সুমনের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালীতে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আগেও দুটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জেলও খেটেছে তারা। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, উত্তরা এলাকার গ্যাঞ্জাম পার্টির মূলহোতা রাজু। তার ৮-১০ জনের একটি গ্রুপ রয়েছে। তারা উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় রাতে আড্ডা দেয়। রাতের আঁধারে কোনো পথচারীকে একা পেলে একজন পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা খেয়ে ঝগড়া লাগিয়ে দেয়। এ সময় গ্রুপের অন্যরা আশপাশ থেকে এসে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে পথচারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে রাত যত গভীর হয়, ততই সক্রিয় হতে থাকে এ ধরনের ছিনতাইকারীরা। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে ঘটছে ছিনতাই। মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হয়ে র‌্যাব-৩ বিশেষ অভিযান চালিয়ে শাহজাহানপুর, মতিঝিল, পল্টন ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ২৪ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) একেএম হাফিজ আক্তার জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য আগের চেয়ে কমে এসেছে। গ্রেফতার এড়াতে ছিনতাইকারীরা একেক সময় একেক কৌশল অবলম্বন করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কৌশল বুঝে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ছিনতাই রোধে পুলিশ নানামুখী উদ্যোগ নিলেও দিনদিন ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো, টহল জোরদার করা, এলাকাওয়ারি ছিনতাইকারীদের তালিকা তৈরি করে সাঁড়াশি অভিযান চালানোসহ নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।

ঢাকায় ছিনতাই দলে নতুন ভার্সন ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’

গায়ে ধাক্কা লাগিয়ে মারধর করে ছিনিয়ে নেয় সর্বস্ব * ঝগড়ার অভিনয়েও লোক জড়ো করে পকেট কাটে তারা
 ইকবাল হাসান ফরিদ 
০৬ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকায় ছিনতাই দলে নতুন ভার্সন ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’। এ চক্রের সদস্যরা সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে তৎপর হয়ে ওঠে।

এদের অধিকাংশই স্মার্ট-সুদর্শন। দেখে বোঝার উপায় থাকে না এরা ছিনতাইকারী। ছিনতাইয়ে এরা অভিনব কৌশল অবলম্বন করে।

কখনো টার্গেট ব্যক্তির সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে ঝগড়া বাধায়। এরপর মারধর করে সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। আবার কখনো নিজেরা নিজেরা ঝগড়া বাধায়।

তা দেখে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতার পকেট কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা। এমন কৌশলের কারণে এ ছিনতাইচক্রকে ‘গ্যাঞ্জাম পার্টি’ হিসাবেই চেনেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওত পেতে থাকে গ্যাঞ্জাম পার্টির সদস্যরা। প্রত্যেক চক্রে ৪-৫ জন সদস্য থাকে। তারা পথচারী কিংবা গাড়িচালকদের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে ঝগড়া বাধায়। এরপর মারধর করে মোবাইল ফোন, টাকাপয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। আবার কখনো চক্রের সদস্যরা নিজেরা ঝগড়ার অভিনয় করে লোক জড়ো করে। এ সময় চক্রের অন্য সদস্যরা উৎসুক জনতার পকেট কেটে মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, এ চক্রের সদস্যরা পেশাদার ‘স্মার্ট ছিনতাইকারী’। এরা ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। এরা বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত। মূলত মাদকের টাকার জোগান দিতেই তাদের কেউ কেউ ছিনতাইয়ে জড়িয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টা। গাবতলী মাজার রোডে ধস্তাধস্তি করছিলেন দুই যুবক। পোশাক-পরিচ্ছদ দেখে যে কারও বুঝতে অসুবিধা হবে না এরা বিত্তশালী পরিবারের সন্তান। তাদেরকে সরানোর চেষ্টা করছিলেন সমবয়সি আরও দুজন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই পথচারীরা জড়ো হন। বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রীরাও ছিলেন সেখানে। মুহূর্তে জটলা তৈরি হয়। একপর্যাযে যুবকরা যে যার মতো চলে যান। এর ১০ মিনিটের মাথায় মাজার রোডে ঘটনাস্থলে দাঁড়ানো বাসযাত্রী আমেনা খাতুন খেয়াল করে দেখেন তার ভ্যানেটি ব্যাগের চেইন খোলা। একটি স্মার্টফোন এবং ৫০০ টাকা ব্যাগে নেই। এ সময় ঘটনাস্থলে আমিনবাজারের বাসিন্দা আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি জানান, তার মোবাইল ফোনটিও খোয়া গেছে।

গাবতলী টার্মিনালের রাতে যাত্রী উঠানোর কাজ করেন আরিফ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এটি গ্যাঞ্জাম পার্টির কাজ। এদের তৎপরতা প্রায় রাতেই দেখা যায়। এরা কোনো কোনো সময় মানুষের পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া লাগায়। এরপর টার্গেট ব্যক্তিকে মারধর করে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান, এদের কাছে ব্লেড থাকে। কিছু বললে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন লুৎফুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। হঠাৎ তার গাড়ির সামনে এসে একজন বলেন, আমাকে ধাক্কা দিলি ক্যান? এ সময় এগিয়ে আসেন আরেক যুবক। দুজনে লুৎফর রহমানকে মারধর করে টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় ভুক্তভোগী লুৎফুর রহমান চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। থানা পুলিশের টহল টিম ঘটনাস্থলে এসে দুজনকে আটক করে। তাদের একজনের নাম রাজু, অপরজনের নাম সুমন।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতার রাজু একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তার বাসা তুরাগের ভাবনারটেক এলাকায়। আর সুমনের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালীতে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আগেও দুটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জেলও খেটেছে তারা। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, উত্তরা এলাকার গ্যাঞ্জাম পার্টির মূলহোতা রাজু। তার ৮-১০ জনের একটি গ্রুপ রয়েছে। তারা উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় রাতে আড্ডা দেয়। রাতের আঁধারে কোনো পথচারীকে একা পেলে একজন পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা খেয়ে ঝগড়া লাগিয়ে দেয়। এ সময় গ্রুপের অন্যরা আশপাশ থেকে এসে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে পথচারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে রাত যত গভীর হয়, ততই সক্রিয় হতে থাকে এ ধরনের ছিনতাইকারীরা। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে ঘটছে ছিনতাই। মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হয়ে র‌্যাব-৩ বিশেষ অভিযান চালিয়ে শাহজাহানপুর, মতিঝিল, পল্টন ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ২৪ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) একেএম হাফিজ আক্তার জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য আগের চেয়ে কমে এসেছে। গ্রেফতার এড়াতে ছিনতাইকারীরা একেক সময় একেক কৌশল অবলম্বন করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কৌশল বুঝে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ছিনতাই রোধে পুলিশ নানামুখী উদ্যোগ নিলেও দিনদিন ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো, টহল জোরদার করা, এলাকাওয়ারি ছিনতাইকারীদের তালিকা তৈরি করে সাঁড়াশি অভিযান চালানোসহ নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন