ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা ককটেল বিস্ফোরণ
jugantor
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ * নারায়ণগঞ্জ ও লৌহজংয়ে ঝটিকা মিছিল

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে বুধবার বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ ও মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের তিনটি এলাকায় একই সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল বের করে। এ সময় তারা অর্ধশত ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ফরিদপুর : ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হামলাকারীরা তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। বিকালে ফরিদপুর প্রেস ক্লাব চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার ঘটনায় জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে বিএনপি।

‘পুলিশের মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা, নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে’ বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। বিকাল পৌন ৪টার দিকে হেলমেট ও মাক্সপরা ৩০ থেকে ৩৫ জন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সভাস্থলে হামলা চালায়। তারা ব্যানার ছিনিয়ে নেয়, চেয়ার ভাঙচুর করে এবং তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের কর্মী সিজানকে পুলিশ আটক করে। সিজানকে নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।

হামলার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ঘটনাস্থলে আসেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। ফরিদপুরে পুলিশের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ হামলা করেছে। আমরা এখন দেখছি-বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন বলেন, হামলায় দিলীপসহ তাদের ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। রিতু, কামাল, রাজীব ও সিজানসহ বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ জলিল বলেন, ফরিদপুর বিএনপি নেতা শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফ দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের নিজেদের মধ্যকার বিরোধে সভাস্থলে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হামলা
ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশ ১১ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র বঙ্গবন্ধু সড়কের পপুলার গলিতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝটিকা মশাল মিছিল বের করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ১০-১২টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডের মৌচাক এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মশাল মিছিল করে তারা। এ সময় সেখানে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এছাড়া ফতুল্লার সস্তাপুর উপজেলা সড়ক এলাকাতেও একই কায়দায় মশাল মিছিল ও ১৫-১৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিক্ষোভ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। তদন্ত করে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গজারিয়া ও লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বুধবার রাত পৌনে ৮টায় ১০-১১টি ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয় তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। আহতরা হলেন-গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির কার্যকরী সদস্য সুমন প্রধান, ছাত্রলীগকর্মী নিঝুম ও আরিফ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, তিন ছাত্রলীগ কর্মী আনারপুরে যাওয়ার জন্য তার অটোরিকশায় ওঠেন। তাদের নিয়ে আনারপুর যাওয়ার পথে ভিটিকান্দি এলাকায় এলে মহাসড়কে ৪০-৪৫ জন লোক দেখতে পান তিনি। এ সময় তারা মহাসড়কে ১০-১১টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং তার অটোরিকশাটি ভাঙচুর করে। এ সময় সিএনজির তিন যাত্রীকে মারধর করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়ী করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম। তবে এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ দায়ী বলে দাবি করেছেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ। তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ সফল করতে তাদের অধিকাংশ নেতাকর্মী এখন রাজধানীতে অবস্থান করছেন। ১০ ডিসেম্বরের সমাসমাবেশে যেতে আগ্রহী এরকম নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও নির্যাতন করার জন্য পুলিশই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এ নাটক সাজিয়েছে। পুলিশের এ নাটক জনগণ বিশ্বাস করেনি। গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা সোহেব আলী বলেন, বিএনপি নেতা কর্মীরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। মমিন মিজানসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।

এদিকে লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়নের বেজগাঁও কবরস্থান মাঠে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যুবদল ও ছাত্রদলের ৫০-৬০ জন ঝটিকা মিছিল বের করেন। সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল থেকে বেশ কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপর মিছিলকারীরা হামলা করে। এতে যুবলীগ কর্মী রাকিব, আবির, আল আমিন ও সুমন আহত হয়। তাদের লৌহজং সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত উদ্ধার ও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ * নারায়ণগঞ্জ ও লৌহজংয়ে ঝটিকা মিছিল
 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরে বুধবার বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ ও মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের তিনটি এলাকায় একই সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল বের করে। এ সময় তারা অর্ধশত ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ফরিদপুর : ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হামলাকারীরা তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। বিকালে ফরিদপুর প্রেস ক্লাব চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার ঘটনায় জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে বিএনপি। 

‘পুলিশের মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা, নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে’ বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। বিকাল পৌন ৪টার দিকে হেলমেট ও মাক্সপরা ৩০ থেকে ৩৫ জন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সভাস্থলে হামলা চালায়। তারা ব্যানার ছিনিয়ে নেয়, চেয়ার ভাঙচুর করে এবং তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের কর্মী সিজানকে পুলিশ আটক করে। সিজানকে নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।

হামলার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ঘটনাস্থলে আসেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। ফরিদপুরে পুলিশের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ হামলা করেছে। আমরা এখন দেখছি-বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন বলেন, হামলায় দিলীপসহ তাদের ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। রিতু, কামাল, রাজীব ও সিজানসহ বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ জলিল বলেন, ফরিদপুর বিএনপি নেতা শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফ দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের নিজেদের মধ্যকার বিরোধে সভাস্থলে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হামলা 
ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশ ১১ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র বঙ্গবন্ধু সড়কের পপুলার গলিতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝটিকা মশাল মিছিল বের করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ১০-১২টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডের মৌচাক এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মশাল মিছিল করে তারা। এ সময় সেখানে ২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এছাড়া ফতুল্লার সস্তাপুর উপজেলা সড়ক এলাকাতেও একই কায়দায় মশাল মিছিল ও ১৫-১৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিক্ষোভ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। তদন্ত করে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

গজারিয়া ও লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বুধবার রাত পৌনে ৮টায় ১০-১১টি ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয় তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। আহতরা হলেন-গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির কার্যকরী সদস্য সুমন প্রধান, ছাত্রলীগকর্মী নিঝুম ও আরিফ। 

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, তিন ছাত্রলীগ কর্মী আনারপুরে যাওয়ার জন্য তার অটোরিকশায় ওঠেন। তাদের নিয়ে আনারপুর যাওয়ার পথে ভিটিকান্দি এলাকায় এলে মহাসড়কে ৪০-৪৫ জন লোক দেখতে পান তিনি। এ সময় তারা মহাসড়কে ১০-১১টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং তার অটোরিকশাটি ভাঙচুর করে। এ সময় সিএনজির তিন যাত্রীকে মারধর করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়ী করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম। তবে এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ দায়ী বলে দাবি করেছেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ। তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ সফল করতে তাদের অধিকাংশ নেতাকর্মী এখন রাজধানীতে অবস্থান করছেন। ১০ ডিসেম্বরের সমাসমাবেশে যেতে আগ্রহী এরকম নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও নির্যাতন করার জন্য পুলিশই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এ নাটক সাজিয়েছে। পুলিশের এ নাটক জনগণ বিশ্বাস করেনি। গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা সোহেব আলী বলেন, বিএনপি নেতা কর্মীরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। মমিন মিজানসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।

এদিকে লৌহজংয়ের বেজগাঁও ইউনিয়নের বেজগাঁও কবরস্থান মাঠে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যুবদল ও ছাত্রদলের ৫০-৬০ জন ঝটিকা মিছিল বের করেন। সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল থেকে বেশ কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপর মিছিলকারীরা হামলা করে। এতে যুবলীগ কর্মী রাকিব, আবির, আল আমিন ও সুমন আহত হয়। তাদের লৌহজং সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত উদ্ধার ও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন