রাজশাহীতে পরিবহণ ধর্মঘটে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি
jugantor
রাজশাহীতে পরিবহণ ধর্মঘটে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী বিভাগে পরিবহণ ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। সড়ক পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিভাগের আট জেলায় অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘট শুরু হয়।

রাজশাহী-বগুড়া রুটে রংপুর থেকেও বাস চলাচল বন্ধ রাখেন মালিক ও শ্রমিকরা। শহরের বাস টার্মিনালগুলোতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের গাড়ির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেকে ধর্মঘটের কথা না জেনে ঘর থেকে বের হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।

কেউ কেউ ছোট যানবাহন ও থ্রি-হুইলারে করে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছান। এতে বাসের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হয়েছে তাদের। বিএনপির নেতারা বলছেন, আগামীকাল তাদের বিভাগীয় গণসমাবেশে বাধা দিতেই এ ধর্মঘট দেওয়া হয়েছে। তবে বাস মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, গণসমাবেশের সঙ্গে তাদের ডাকা ধর্মঘটের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের শিরোইল আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করা বাসগুলো টার্মিনালের ভেতরে-বাইরে সারিবদ্ধভাবে পার্ক করা। এই সময় রাজশাহীতেও প্রবেশ করেনি অন্য কোনো জেলার বাস। ঢাকাগামী বাস কাউন্টারগুলোতে তালা দেওয়া।

অনেক যাত্রী ধর্মঘটের খবর না জেনে টার্মিনালে এসে গাড়ি বন্ধ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে রাজশাহী থেকে সব গন্তব্যের ট্রেন ও বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ট্রেনগুলোও ছেড়ে যায় নির্দিষ্ট সময়ে। এসব ট্রেনে যাত্রীর ভিড় ছিল কয়েকগুণ বেশি।

এদিকে মহানগরীর প্রবেশদ্বারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও কিছু সংখ্যক ট্রাক চলাচল অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে মালামাল নিয়ে দূর গন্তব্যের ট্রাকগুলো বাধাহীনভাবে চলাচল করেছে। তবে রাজশাহীগামী কোনো ট্রাকে যাত্রী দেখলেই পুলিশ তাদের নামিয়ে ফেরত পাঠায়।

বানেশ্বর পয়েন্ট দিয়ে অটো ও ভ্যানে রাজশাহী মহানগরগামী যাত্রীদের তল্লাশি করেছে পুলিশ। বাস টার্মিনালে নওগাঁর আব্দুল মমিন বলেন, শুক্রবার (আজ) ঢাকায় একটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ট্রেনের টিকিট পাইনি। এখন কিভাবে যাব বুঝতে পারছি না।

বগুড়া : দিনভর শহরের বারপুর, মাটিডালি, চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, তিনমাথা ও বনানী মোড়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বাসগুলো রাখা ছিল। তবে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল ছিল স্বাভাবিক। বাস বন্ধ থাকায় অনেকে ট্রাকে গন্তব্যে গেছেন। কেউ কেউ অধিক ভাড়ায় অটোরিকশায় চলাচল করেন। সড়ক ও মহাসড়কের পাশে গাড়ির জন্য যাত্রীরা ভিড় করেন।

শহরের চারমাথা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গাইবান্ধার শ্রমিক ফরিদ উদ্দিন জানান, তিনি ধান কাটার জন্য এসেছেন। নন্দীগ্রামে যাবেন কিন্তু গাড়ি বন্ধ থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসে আছেন। সিএনজি অটোরিকশা পাওয়া গেলেও চারগুণ ভাড়া দাবি করছে।

ব্যক্তিগত জরুরি কাজে নাটোর যাওয়ার কথা বগুড়া শহরের বৃন্দাবনপাড়ার ব্যবসায়ী মোজাফফর হোসেনের। তিনি এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ট্রাক বা অটোরিকশায় উঠতে পারেননি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সরকার রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ ঠেকাতে কৌশলে গাড়ি বন্ধ করছে। এতে জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই মন্তব্য করেন, বগুড়ার গাবতলীর দুর্গাহাটা গ্রামের সিকিউরিটি গার্ড রকিব হোসেন। তার নওগাঁয় কাজে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গাড়ি না পাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ চারমাথায় বসে থেকে বাড়িতে ফিরে যান।

রংপুর : দুপুরে রংপুর মহানগরীর কেন্দ্রীয় সিটি বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, রাজশাহী রুটের বেশিরভাগ যাত্রীবাহী বাস বন্ধ। শ্রমিকেরা অলস সময় পার করছেন। তবে রংপুর বিভাগের আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নগরীর মডার্ন মোড়, মিঠাপুকুরের জায়গীরহাট বাসস্ট্যান্ড, বলদিপুকুর বাসস্ট্যান্ড, পীরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও লালদিঘী থেকেও রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

নগরীর মডার্ন এলাকায় যাত্রী আমজাদ হোসেন ও সাজু মিয়া বলেন, আমাদের বাড়ি হারাগাছ এলাকায়। ব্যবসায়িক কাজে বগুড়া যাওয়ার জন্য এসে শুনি বাস বন্ধ। এতে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। অনেকে ছোট ছোট যানবাহন ও থ্রি-হুইলারে ভেঙে ভেঙে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন। এতে বাসের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া গুনতে হয়েছে যাত্রীদের।

নাটোর : নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়ার চলনবিল গেটে সার্জেন্ট রতনের নেতৃত্বে ও সিংড়া বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ ও স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রাজশাহীমুখী সব ধরনের যান চলাচলে বাধা দিতে দেখা গেছে।

নওগাঁ : শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী খোকন হোসেন বলেন, জরুরি কাজে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে রাজশাহী যেতে হবে। প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। কয়েক দিন পরপর পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে অন্য কারও কিছু না হলেও যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে।

জয়পুরহাট : দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা রুটে বাস, মিনিবাসসহ যাত্রীবাহী কোনো পরিবহণ চলাচল না করায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে জয়পুরহাটের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

রাজশাহীতে পরিবহণ ধর্মঘটে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী বিভাগে পরিবহণ ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। সড়ক পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিভাগের আট জেলায় অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘট শুরু হয়।

রাজশাহী-বগুড়া রুটে রংপুর থেকেও বাস চলাচল বন্ধ রাখেন মালিক ও শ্রমিকরা। শহরের বাস টার্মিনালগুলোতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের গাড়ির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেকে ধর্মঘটের কথা না জেনে ঘর থেকে বের হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।

কেউ কেউ ছোট যানবাহন ও থ্রি-হুইলারে করে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছান। এতে বাসের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হয়েছে তাদের। বিএনপির নেতারা বলছেন, আগামীকাল তাদের বিভাগীয় গণসমাবেশে বাধা দিতেই এ ধর্মঘট দেওয়া হয়েছে। তবে বাস মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, গণসমাবেশের সঙ্গে তাদের ডাকা ধর্মঘটের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের শিরোইল আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করা বাসগুলো টার্মিনালের ভেতরে-বাইরে সারিবদ্ধভাবে পার্ক করা। এই সময় রাজশাহীতেও প্রবেশ করেনি অন্য কোনো জেলার বাস। ঢাকাগামী বাস কাউন্টারগুলোতে তালা দেওয়া।

অনেক যাত্রী ধর্মঘটের খবর না জেনে টার্মিনালে এসে গাড়ি বন্ধ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে রাজশাহী থেকে সব গন্তব্যের ট্রেন ও বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ট্রেনগুলোও ছেড়ে যায় নির্দিষ্ট সময়ে। এসব ট্রেনে যাত্রীর ভিড় ছিল কয়েকগুণ বেশি।

এদিকে মহানগরীর প্রবেশদ্বারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও কিছু সংখ্যক ট্রাক চলাচল অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে মালামাল নিয়ে দূর গন্তব্যের ট্রাকগুলো বাধাহীনভাবে চলাচল করেছে। তবে রাজশাহীগামী কোনো ট্রাকে যাত্রী দেখলেই পুলিশ তাদের নামিয়ে ফেরত পাঠায়।

বানেশ্বর পয়েন্ট দিয়ে অটো ও ভ্যানে রাজশাহী মহানগরগামী যাত্রীদের তল্লাশি করেছে পুলিশ। বাস টার্মিনালে নওগাঁর আব্দুল মমিন বলেন, শুক্রবার (আজ) ঢাকায় একটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ট্রেনের টিকিট পাইনি। এখন কিভাবে যাব বুঝতে পারছি না।

বগুড়া : দিনভর শহরের বারপুর, মাটিডালি, চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, তিনমাথা ও বনানী মোড়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বাসগুলো রাখা ছিল। তবে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল ছিল স্বাভাবিক। বাস বন্ধ থাকায় অনেকে ট্রাকে গন্তব্যে গেছেন। কেউ কেউ অধিক ভাড়ায় অটোরিকশায় চলাচল করেন। সড়ক ও মহাসড়কের পাশে গাড়ির জন্য যাত্রীরা ভিড় করেন।

শহরের চারমাথা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গাইবান্ধার শ্রমিক ফরিদ উদ্দিন জানান, তিনি ধান কাটার জন্য এসেছেন। নন্দীগ্রামে যাবেন কিন্তু গাড়ি বন্ধ থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসে আছেন। সিএনজি অটোরিকশা পাওয়া গেলেও চারগুণ ভাড়া দাবি করছে।

ব্যক্তিগত জরুরি কাজে নাটোর যাওয়ার কথা বগুড়া শহরের বৃন্দাবনপাড়ার ব্যবসায়ী মোজাফফর হোসেনের। তিনি এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ট্রাক বা অটোরিকশায় উঠতে পারেননি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সরকার রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ ঠেকাতে কৌশলে গাড়ি বন্ধ করছে। এতে জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই মন্তব্য করেন, বগুড়ার গাবতলীর দুর্গাহাটা গ্রামের সিকিউরিটি গার্ড রকিব হোসেন। তার নওগাঁয় কাজে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গাড়ি না পাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ চারমাথায় বসে থেকে বাড়িতে ফিরে যান।

রংপুর : দুপুরে রংপুর মহানগরীর কেন্দ্রীয় সিটি বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, রাজশাহী রুটের বেশিরভাগ যাত্রীবাহী বাস বন্ধ। শ্রমিকেরা অলস সময় পার করছেন। তবে রংপুর বিভাগের আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নগরীর মডার্ন মোড়, মিঠাপুকুরের জায়গীরহাট বাসস্ট্যান্ড, বলদিপুকুর বাসস্ট্যান্ড, পীরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও লালদিঘী থেকেও রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

নগরীর মডার্ন এলাকায় যাত্রী আমজাদ হোসেন ও সাজু মিয়া বলেন, আমাদের বাড়ি হারাগাছ এলাকায়। ব্যবসায়িক কাজে বগুড়া যাওয়ার জন্য এসে শুনি বাস বন্ধ। এতে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। অনেকে ছোট ছোট যানবাহন ও থ্রি-হুইলারে ভেঙে ভেঙে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন। এতে বাসের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া গুনতে হয়েছে যাত্রীদের।

নাটোর : নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়ার চলনবিল গেটে সার্জেন্ট রতনের নেতৃত্বে ও সিংড়া বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ ও স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রাজশাহীমুখী সব ধরনের যান চলাচলে বাধা দিতে দেখা গেছে।

নওগাঁ : শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী খোকন হোসেন বলেন, জরুরি কাজে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে রাজশাহী যেতে হবে। প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। কয়েক দিন পরপর পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে অন্য কারও কিছু না হলেও যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে।

জয়পুরহাট : দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা রুটে বাস, মিনিবাসসহ যাত্রীবাহী কোনো পরিবহণ চলাচল না করায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে জয়পুরহাটের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন