পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় উপস্থিতি নিয়ে খুশি প্রধানমন্ত্রী
jugantor
সংবাদ সম্মেলনে আ জ ম নাছির
পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় উপস্থিতি নিয়ে খুশি প্রধানমন্ত্রী

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় লোকসমাগম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশি ও সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। জনসভায় ভাষণ দেওয়ার আগে হেলিকপ্টারে জনসভাস্থলের চারদিকে চক্কর দিয়ে উপস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। জনসভায় কী পরিমাণ উপস্থিতি ছিল, সেটি সুনির্দিষ্টভাবে না বললেও আ জ ম নাছির জানান, এটি ছিল স্মরণকালের সেরা জনসভা। কেউ বলছেন ১০ লাখ। আমি তো বলব ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও আবেগাপ্লুত হয়েছেন। আর এখানেই আমাদের সার্থকতা।

জনসভার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি জানাতে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, হাছান মাহমুদ হাসনি, বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, শ্রমিক লীগ নেতা শফর আলী ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল কাদের।

পলোগ্রাউন্ডে ১২ অক্টোবর বিএনপি বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করেছিল। একই স্থানে আওয়ামী লীগ জনসভা করে পালটা জবাব দিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আ জ ম নাছির বলেন, আমরা বিএনপির পালটা জনসভা করিনি। এটা কো-ইনসিডেন্স হতে পারে। আপনারা দেখেছেন, পলোগ্রাউন্ডে আমরা মঞ্চ কোথায় করেছি। বিএনপি কোথায় করেছিল। তারা মাঠের পুরোটা ব্যবহার করেনি। আমরা মাঠ অনেক প্রশস্ত করে মঞ্চ তৈরি করেছি। যদি তুলনা করেন, তাহলে আমাদের জনসভায় যে পরিমাণ উপস্থিতি হয়েছে, তার সঙ্গে বিএনপির সমাবেশের তুলনাই হয় না। অনেক দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক লাগানো হয়েছিল। মাঠের বাইরেও অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নাছির বলেন, চট্টগ্রামের মানুষই মূলত জনসভায় যোগ দিয়েছেন। এটা আমাদের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় নেতাদের আগামী নির্বাচন নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে আ জ ম নাছির বলেন, জনসভার বাইরেও প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।

ফের পেছাল নগরীর সম্মেলন : ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে না। নগরীর ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলনের পর নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে আ জ ম নাছির বলেন, ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যে সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সম্মেলন নিয়ে কথা হয়েছিল। তিনি বলেছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন আয়োজন করতে।

মারা যাওয়া নেতার পাশে আওয়ামী লীগ : নগরীর পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় যোগ দিতে এসে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া চন্দনাইশের হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম বাচার পরিবারকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, জহিরুল ইসলাম বাচার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপির নেতৃত্বে একটি দল সেখানে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আ জ ম নাছির

পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় উপস্থিতি নিয়ে খুশি প্রধানমন্ত্রী

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় লোকসমাগম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশি ও সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। জনসভায় ভাষণ দেওয়ার আগে হেলিকপ্টারে জনসভাস্থলের চারদিকে চক্কর দিয়ে উপস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। জনসভায় কী পরিমাণ উপস্থিতি ছিল, সেটি সুনির্দিষ্টভাবে না বললেও আ জ ম নাছির জানান, এটি ছিল স্মরণকালের সেরা জনসভা। কেউ বলছেন ১০ লাখ। আমি তো বলব ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও আবেগাপ্লুত হয়েছেন। আর এখানেই আমাদের সার্থকতা।

জনসভার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি জানাতে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, হাছান মাহমুদ হাসনি, বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, শ্রমিক লীগ নেতা শফর আলী ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল কাদের।

পলোগ্রাউন্ডে ১২ অক্টোবর বিএনপি বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করেছিল। একই স্থানে আওয়ামী লীগ জনসভা করে পালটা জবাব দিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আ জ ম নাছির বলেন, আমরা বিএনপির পালটা জনসভা করিনি। এটা কো-ইনসিডেন্স হতে পারে। আপনারা দেখেছেন, পলোগ্রাউন্ডে আমরা মঞ্চ কোথায় করেছি। বিএনপি কোথায় করেছিল। তারা মাঠের পুরোটা ব্যবহার করেনি। আমরা মাঠ অনেক প্রশস্ত করে মঞ্চ তৈরি করেছি। যদি তুলনা করেন, তাহলে আমাদের জনসভায় যে পরিমাণ উপস্থিতি হয়েছে, তার সঙ্গে বিএনপির সমাবেশের তুলনাই হয় না। অনেক দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক লাগানো হয়েছিল। মাঠের বাইরেও অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নাছির বলেন, চট্টগ্রামের মানুষই মূলত জনসভায় যোগ দিয়েছেন। এটা আমাদের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় নেতাদের আগামী নির্বাচন নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে আ জ ম নাছির বলেন, জনসভার বাইরেও প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।

ফের পেছাল নগরীর সম্মেলন : ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে না। নগরীর ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলনের পর নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে আ জ ম নাছির বলেন, ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যে সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সম্মেলন নিয়ে কথা হয়েছিল। তিনি বলেছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন আয়োজন করতে।

মারা যাওয়া নেতার পাশে আওয়ামী লীগ : নগরীর পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় যোগ দিতে এসে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া চন্দনাইশের হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম বাচার পরিবারকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, জহিরুল ইসলাম বাচার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপির নেতৃত্বে একটি দল সেখানে যাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন