তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

দ্বন্দ্ব মেটাতে ৩শ’ নেতা মাঠে

  রেজাউল করিম প্লাবন ও তারিকুল ইসলাম ১৮ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ৩০ জুলাই। তিন সিটিতেই জয় পেতে মরিয়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। জয়ের পথ মসৃণ করতে প্রচার থেকে শুরু করে সবদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে তারা।

নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব যেন নেতিবাচক ফল না আনে, এজন্য সতর্ক দুই দলই। সবদিক বিবেচনায় নির্বাচন পরিচালনায় কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে আলাদা সমন্বয় কমিটি করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

বিভিন্ন দল-উপদলে প্রায় ৩০০ কেন্দ্রীয় নেতা চষে বেড়াচ্ছেন তিন সিটি। প্রচার ও গণসংযোগে অংশ নেয়ার পাশাপাশি তারা বসছেন স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে। দ্বন্দ্ব মিটিয়ে এক করে নেতাকর্মীদের নামিয়ে দিচ্ছেন নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে। তবে আওয়ামী লীগ বলছে, দলে কোনো দ্বন্দ্ব নেই, যা আছে মান-অভিমান। সেটিও আলোচনাতেই মিটে যাচ্ছে।

নেতাদের নিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বৈঠক

তিন সিটিতেই জয় নিশ্চিত করতে নির্ঘুম কাজ করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলে দলে সফর করছেন এসব নগরে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে নামছেন। যেখানে নেতাকর্মীদের মধ্যে সুপ্ত বা প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব রয়েছে, সেখানে তা নিরসনে স্থানীয় নেতাদের নিয়ে বসছেন। আর খুলনা ও গাজীপুরে নৌকার বিজয় যেন পথ দেখিয়েছে তিন সিটিতে দলের নেতাকর্মীদের।

সূত্রমতে, একেকটি দলে রয়েছেন ৭ থেকে ১০ জন। তারা পর্যায়ক্রমে তিন সিটিতে অবস্থান নিয়ে কাজ করছেন। এমন কয়েকজন যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এসব সিটিতে অন্য সিটির মতো সমস্যা নেই, দলীয় বিভেদ কম। প্রার্থী বা স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কিছু নেতাকর্মীর মান-অভিমান আছে। আমরা এগুলো ভাঙানোর জন্য ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাজ করছি। সামান্য উদ্যোগেই এসব দূর হচ্ছে।

দ্বন্দ্ব না থাকার কারণ কী- জানতে চাইলে তারা বলেন, কোথাও কোথাও কাউন্সিলর পদে দলীয় সমর্থন দেয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাউন্সিলরে যাকেই সমর্থন দেয়া হোক, মেয়রের ক্ষেত্রে সবাই একাট্টা। যেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নির্বাচন করছেন, তারাও নিজের পাশাপাশি নৌকার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন।

তিন সিটি মনিটরিংয়ে থাকা এক শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে পর্যবেক্ষণ করেছি। দলীয় প্রার্থী নিয়ে তাদের অবস্থান নেতিবাচক কি না, জানার চেষ্টা করছি।

কিন্তু না, তারা মনোযোগ দিয়েই নৌকার পক্ষে কাজ করছেন। বরিশাল নিয়ে আমাদের একটু সংশয় ছিল। সেটিও কেটে গেছে। এই তিন সিটিতে বিজয় হলে গাজীপুরে আজমত উল্লার মতো বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহীতে কয়েকজন নেতা পুরস্কৃত হবেন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কেন্দ্র থেকে একটি টিম অনবরত বরিশালে কাজ করছে। একটি টিম সোমবার থেকে কাজ করছে। আজ (মঙ্গলবার) আমরা এসেছি। সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাজ করছি। তিনি বলেন, আমরা নৌকার পক্ষে গণসংযোগের পাশাপাশি ওয়ার্ড নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছি। এখানে নৌকার অবস্থা খুবই ভালো।

বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম যুগান্তরকে বলেন, বরিশালে নৌকার জোয়ার উঠেছে। উন্নয়নবঞ্চিত এ অঞ্চলের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়।

এখানে আওয়ামী লীগের মনোয়ন দেয়া হয়েছে তারুণ্যের প্রতীক সাদিক আবদুল্লাহকে। জনপ্রিয়তা দিয়েই তিনি জয়লাভ করবেন আশা করছি। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘বরিশালে আমাদের কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধি (ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা) যোগ দিয়েছেন। তাদের নিয়ে পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের নিয়ে বৈঠক করছি। ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে দিয়েছি।’

মান-অভিমানের বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, এখন বরিশালে আর মান-অভিমান নেই। সবাই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। ঐক্যবদ্ধ থেকেই তারা সবাই নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে চান।

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় টিমের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক। এ টিমে আছেন রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এরই মধ্যে একটি টিম রাজশাহী গিয়ে কাজ করছে। টিমে রাজশাহী অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নেতা ও উপকমিটির সদস্যদের রাখা হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, রাজশাহীতে সাবেক মেয়র ও বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের আমলে যে কাজ হয়েছে, গত ৫ বছরে বিএনপির মেয়র তার চুল পরিমাণও করতে পারেনি। উন্নয়নবঞ্চিত রাজশাহীর মানুষ এখন উন্নয়ন চায়। এজন্য তারা নৌকার প্রার্থীকে ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে। আশা করি, বিপুল ভোটে রাজশাহীতে লিটন বিজয়ী হবেন।

সিলেট নিয়েও আশাবাদী আওয়ামী লীগ। এখানে নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। মঙ্গলবার তিনি যুগান্তরকে বলেন, অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে সিলেটে আওয়ামী লীগ এখন অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ। এটাকে মহা ঐক্যই বলা যায়। তিনি বলেন, এখানকার নেতাকর্মীরা খেয়ে না খেয়ে প্রচারে অংশ নিচ্ছে। এখন সিলেটের মানুষ আগের থেকে অনেক সচেতন। তারা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আর ভুল করবে না। তারা নিজেদের স্বার্থে নৌকাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

আহমদ হোসেন বলেন, আমরা কেন্দ্র থেকে একটি টিম সিলেটে কাজ করছি। ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা যাতে ক্ষমতার ভাব না দেখায়, সেটি বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। ওয়ার্ড নেতাদের নানা পরামর্শও দিচ্ছি। উঠান বৈঠক করে ভোটারদের সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরছি। আজও (মঙ্গলবার) সিলেট মেডিকেল কলেজ, দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কয়েকটি জায়গায় নির্বাচনী সমাবেশে কথা বলেছি। সবক্ষেত্রে সাড়া ব্যাপক। আশা করি, বিপুল ভোটে নৌকার প্রার্থী জয়লাভ করবে।

প্রচারের সঙ্গেই চলছে বিভেদ মেটানো

তিন সিটিতে নির্বাচন পরিচালনায় তিন জ্যেষ্ঠ নেতাকে ‘সমন্বয়কের’ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে গড়া হয়েছে ‘অঞ্চলভিত্তিক টিম’। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও গঠন করা হয়েছে একাধিক কমিটি।

অঞ্চলভিত্তিক টিমে সদস্যসংখ্যা প্রায় অর্ধশত। এসব টিম নেমে পড়েছে মাঠে। এসব টিমের শতাধিক সদস্য এরই মধ্যে বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটে অবস্থান নিয়েছেন। প্রচারণার পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করছেন তারা। স্থানীয় টিমগুলো তাদের সহায়তা করে যাচ্ছে।

রাজশাহী সিটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু যুগান্তরকে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা রাজশাহীতে এসে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।

পর্যায়ক্রমে অন্য নেতারাও আসবেন। খুলনা ও গাজীপুর নির্বাচনের পর ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করছে। এই ভীতি দূর করতেই কেন্দ্রীয় নেতারা ভোটারদের সাহস দিচ্ছেন। ধানের শীষের পক্ষে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। দুলু আরও বলেন, স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে যে টুকটাক মনোমালিন্য আছে, আলোচনায় বসে সেগুলো মিটিয়ে ফেলা হচ্ছে।

সূত্রমতে, রাজশাহীতে সমন্বয়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। এছাড়া বরিশালে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও সিলেটে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

অঞ্চলভিত্তিক টিমগুলো গড়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যেসব কেন্দ্রীয় নেতার বাড়ি তাদের নিয়ে। যেসব কেন্দ্রীয় নেতার বাড়ি রাজশাহী বা আশপাশে তাদের নিয়ে রাজশাহীর আঞ্চলিক টিম গড়া হয়েছে। রাজশাহীতে স্থানীয় পর্যায়ে গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও সদস্য সচিব মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

সিলেটে স্থানীয় পর্যায়ে দুটি কমিটি করা হয়েছে। একটির সমন্বয়ক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এমএ হক ও সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক। আরেকটির সমন্বয়ক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মোক্তাদির ও সদস্য সচিব জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ। বরিশালে সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার ও সদস্য সচিব দক্ষিণের সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন। এছাড়াও তিন সিটির প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদাভাবে ‘নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ করেছে বিএনপি।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় রাজশাহীতে অবস্থান করে ধানের শীষের প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে প্রচার চালাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাদিম মোস্তফাসহ অনেকে।

বরিশালে মির্জা আব্বাস দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও প্রচারে অংশ নিচ্ছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবায়দুল হক চাঁন, নির্বাহী কমিটির সদস্য দুলাল হোসেন প্রমুখ।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুগান্তরকে বলেন, ধানের শীষের প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তবে ভোটাররা নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথা বেশি বলছেন। কারণ তারা তো খুলনা ও গাজীপুরের নির্বাচনের কথা জানেন।

সিলেটেও ধানের শীষের পক্ষে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এর আগে প্রচার চালিয়েছেন। দুই-এক দিনের মধ্যে আবারও সিলেটে যাবেন তিনি। এ ছাড়াও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ যুগান্তরকে জানান, কেন্দ্রীয় নেতারা বিভিন্ন স্থানে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার নেমেছে সিলেটে। পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন।

যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারাও দুই-এক দিনের মধ্যে তিন সিটিতে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেবেন। পাশাপাশি বিএনপিসমর্থিত পেশাজীবী সংগঠনগুলোও তাদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে নামবে।

ঘটনাপ্রবাহ : রাজশাহী-বরিশাল-সিলেট সিটি নির্বাচন ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter