আরডিএ বগুড়া

১০ কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

  শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১০ কর্মকর্তার দুর্নীতির অনুসন্ধানে  দুদক

বগুড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) এমএ মতিনসহ ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এজন্য গ্রাম পর্যায়ে স্বল্প খরচে ফ্ল্যাট নির্মাণে ‘পল্লী জনপদ’ নামে একটি প্রকল্পসহ ২০১২ সাল থেকে নেয়া বেশ কয়েকটি প্রকল্পের নথি, ব্যাংক হিসাব, নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র তলব করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ৯ সেপ্টেম্বর আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এমএ মতিনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে আজকের মধ্যে ওইসব নথি ও রেকর্ডপত্র দুদক বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের কাছে দিতে বলা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, বগুড়ায় আরডিএ কার্যালয়ের অদূরে শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের জামালপুর মৌজায় ‘পল্লী জনপদ’ নামের একটি প্রকল্পের জন্য ৩ দশমিক ৯১ একর জমি কেনার সিদ্ধান্ত হয়। প্রায় তিন বছর আগে নেয়া ওই প্রকল্পের জন্য জমি কেনার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি প্রকল্পের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি হুকুমদখল শাখার (এলএ) মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণ অর্থাৎ কেনার কথা থাকলেও আরডিএ তা মানেনি। বরং স্থানীয় কিছু মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ২০১৫ সালের ৩০ জুন সম্পাদিত দলিলে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি দাম দেখানো হয়।

এভাবে আরডিএ’র মহাপরিচালকের (ডিজি) নামে জমি কিনতে গিয়ে সরকারের প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ নিয়ে ২০১৫ সালে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ওই দুর্নীতির খবর প্রচার হয়।

দুদকের সমন্বিত বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, এমএ মতিন আরডিএ’র একজন পরিচালক। তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। মতিনসহ ৯-১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে দুদক সদর দফতর থেকে প্রয়োজনীয় নথি ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারই ভিত্তিতে তাকে চিঠি দেয়া হয়েছে।’ আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. এমএ মতিন দুদকের চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘এখনই এ বিষয়ে কিছু বলব না। আগে দুদকের প্রশ্নের জবাব দিই। তারপর আপনাদের সব জানাব।’

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter