কৃত্রিম উপায়ে পশু মোটাতাজা করার স্বাস্থ্যঝুঁকি

  যুগান্তর ডেস্ক    ১১ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতি বছর কোরবানির ঈদের আগে কৃত্রিম উপায়ে পশু মোটাতাজা করা এবং এ বিষয়ক স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি আলোচনায় আসে। কিছু অসাধু ব্যক্তি বাড়তি মুনাফার আশায় অল্পদিনের মধ্যে গরু মোটাতাজা করতে গো-খাদ্যের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট ব্যবহার করে। এ ছাড়া গরুর মাংসপেশিতে প্রয়োগ করা হয় নিষিদ্ধ ইনজেকশন, যা গরু ও জনস্বাস্থ্য উভয়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। গরুকে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়ানো হলে এর মাংস রান্নার পরও ওষুধের বিভিন্ন উপাদানের অবশেষ থেকে যায়। কারণ ওষুধের কোনো কোনো উপাদান তীব্র তাপেও নষ্ট হয় না। ফলে ওষুধের বিভিন্ন উপাদানের অবশেষ মানবদেহে জমা হয় এবং এ কারণে মানুষের নানা রকম জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা গরু চিহ্নিত করে এ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে অসাধু ব্যক্তিরা বারবার একই কাজ করবে। খামারিদের বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পশু মোটাতাজা করার প্রশিক্ষণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপও নিতে হবে। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা পশু কীভাবে চেনা যাবে তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনগণকে জানানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে পশু মোটাতাজা না করলে কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে, এ নিয়ে সারা বছর আলোচনা হওয়া উচিত।

আবদুল হক

মিরপুর, ঢাকা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×