নৌপথের যাত্রা হোক ভোগান্তিহীন

  যুগান্তর ডেস্ক    ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইলিশের নগরী কিংবা বাণিজ্যিক জেলা হিসেবে চাঁদপুরের সুনাম রয়েছে। মেঘনা নদীর কূল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা চাঁদপুর লঞ্চঘাটে প্রতিনিয়ত চাঁদপুর-টু-ঢাকা রুটে প্রায় ৩০টি যাত্রীবাহী লঞ্চ যাতায়াত করে। ফলে ভোর ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঘাট প্রাঙ্গণে ঢাকাগামী যাত্রীদের আনাগোনা লেগেই থাকে। এ সময় একদল অসাধু চক্র যাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা হাতিয়ে নিতে তৎপর থাকে। রঙিন জামা পরিহিত এই লোকেরা নিজেদের লঞ্চঘাটের কুলি কিংবা ঘাটশ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের কর্মকাণ্ড প্রফেশনাল ছিনতাইকারীর মতো। যাত্রীদের হাতে একটু বড়সড় ব্যাগ, বস্তা, ট্রলি ব্যাগ দেখলে দামদর ঠিক না করে জোরপূর্বক নিজ কাঁধে তুলে নেয়। পরক্ষণেই আবার মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে বসে। তাদের চাহিদামতো টাকা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করলে পুরো চক্রটি যাত্রীদের ঘিরে নানারকম জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে টাকা আদায় করে। কখনও কখনও তাদের লঞ্চ ভাড়ার দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করে তবেই নদীপথে যাত্রা শুরু করতে হয়। এমনকি ব্যাগভর্তি বইয়ের কথা বললেও ছাড় পায়নি শিক্ষার্থীরা।

ফলে নদীপথে ভ্রমণে সাধারণ মানুষকে আতঙ্ক বুকে চেপেই যাত্রা শুরু করতে হয়। রাজধানীর সদরঘাটের মতো অন্যান্য লঞ্চঘাটে কুলিবেশী এসব অসাধু চক্রকে আইনের আওতায় এনে যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মুহাম্মদ ইকবাল আজাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×