কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদুর্ভোগ

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৬ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে বর্তমানে যাত্রীর চাপ বাড়ছে। লক্ষ করা যাচ্ছে, কোনো কোনো যাত্রীর পক্ষে স্টেশনে ঢুকে দ্রুততম সময়ে ট্রেন ধরা কষ্টকর হয়ে পড়ছে। এর অন্যতম কারণ রেলস্টেশনজুড়ে অনেক ছিন্নমূল মানুষ ঘুমিয়ে থাকে। টিকিটের মূল্য বৃদ্ধির পরও রেলওয়েতে সেবার মান বাড়েনি। ইতিমধ্যে যাত্রীর সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এ রেলওয়ে স্টেশনটি চতুর্দিক সংরক্ষিত না থাকায় হকার, ভিক্ষুক, ছিঁচকে চোর ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য লক্ষ করা যায়। স্টেশনের সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। সেখানে ভাসমান মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির বিয়ষটি উদ্বেগজনক। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ঠিক কাউন্টারের সামনে যাওয়া মাত্র বলা হয় ‘টিকিট নেই’। অথচ দালালদের কাছে সব ট্রেনের টিকিট অতিরিক্ত টাকায় পাওয়া যায়। টিকিট কাউন্টারের স্বল্পতায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত চেয়ার ও ফ্যানের ব্যবস্থা করা দরকার। পরিচ্ছন্ন টয়লেটের ব্যবস্থা করাও জরুরি। টিকিট ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ কেন্দ্র না থাকায় অনেক যাত্রীকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দেখা যায়।

বনানী, গেণ্ডারিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও এয়ারপোর্ট রেলস্টেশন ঢাকা-কলকাতা-ঢাকার টিকিট ক্রয় করার সুযোগ প্রর্বতন করলে দুর্ভোগ কমবে। কলকাতা-ঢাকা ফিরতি টিকিট বিক্রির ব্যাপারে অনেক অভিযোগ রয়েছে। একত্রে চারটির বেশি টিকিট বিক্রির ব্যাপারে বিধিনিষেধ অযৌক্তিক। যে পরিবারে লোকসংখ্যা ছয়, তাদের দু’-দুবার লাইনে গিয়ে টিকিট নিতে গেলে দেখা যায় সেই বগির টিকিট শেষ। এতে অহেতুক বিড়ম্বনা বাড়ে।

এসব ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter