সদরঘাট রুটের বাসে নৈরাজ্য

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

রাজধানীর একটি ব্যস্ততম এলাকা পুরান ঢাকার সদরঘাট। এখানে যেসব পরিবহনের বাসগুলো চলাচল করে সেগুলো হল- বিহঙ্গ, তানজীল, আজমেরী গ্লোরী, সুপ্রভাত, ৭নং বাস (গাবতলী টু সদরঘাট), স্বজন পরিবহন ইত্যাদি। সদরঘাট থেকে সাধারণত মিরপুর-১, গাবতলী-সাভার, দিয়াবাড়ি-উত্তরা, রামপুরা-বাড্ডা রুটের বাসগুলো যাতায়াত করে। যারা নদীপথে চলাচল করেন তাদেরকে এ বাসগুলোয় চড়েই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সদরঘাটে গেলে দেখা যায় এক দুঃখজনক চিত্র। যেহেতু নদীপথের যাত্রীদের এই বাসগুলোর ওপর নির্ভর করতে হয়, সেহেতু এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে বাস চালকরা পাতে মহাফাঁদ। যেসব বাস সিটিং নয় সেসব বাসকেও সিটিং বলে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। যদিও অতিরিক্ত যাত্রী তুলে তারা। আর ভাড়া সবার জন্য এক- বাড্ডা গেলে যে ভাড়া, মালিবাগ গেলেও সেই একই ভাড়া দিতে হয়। একইভাবে গাবতলী গেলে যে ভাড়া, শ্যামলী গেলেও সেই একই ভাড়া দিতে হয় যাত্রীদের। অথচ এসব রুটে যেসব বাস চলাচল করে সেগুলোর বেশিরভাগই সিটিং নয়।

অন্যদিকে তারা আশপাশের এলাকার (গুলিস্তান, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ, ফার্মগেট, শান্তিনগর) যাত্রীদের বাসে তোলে না। যদি কেউ উঠতে চান, তাকে সদরঘাট থেকে শাহবাগ যেতে ভাড়া দিতে হয় ৪০-৫০ টাকা। বাস চালকরা ট্রাফিক আইনও মানে না- আগে যাওয়ার জন্য অন্য বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। যাত্রী তোলার জন্য যত্রতত্র বাস থামায়। সিরিয়াল বা নিয়মশৃঙ্খলা বলতে কিছু নেই। ট্রাফিক পুলিশ কোনো বাসকে বারবার চলে যেতে বললেও তারা অতিরিক্ত যাত্রী তোলার জন্য দাঁড়িয়ে থাকে। যারা সড়ক পরিবহন পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, তারা এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন, এটাই প্রত্যাশা।

মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ ইলিয়াস

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়