সংস্কৃতি এবং ব্যক্তির বেঁচে থাকা

  ফজলুল হক সৈকত ২৫ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সংস্কৃতি এবং ব্যক্তির বেঁচে থাকা

‘আমাদের বিচরণের ক্ষেত্র ক্রমাগত কমে আসছে’- এমন অভিযোগ-আপত্তি আজকাল কানে আসে। অ্যাপার্টমেন্ট কালচার এবং প্রযুক্তির বিরাট-ব্যাপক প্রভাবের কারণে এ পরিস্থিতির আবির্ভাব ঘটেছে বলে সাধারণভাবে মনে করা যেতে পারে।

এই যে সামাজিকভাবে আপাত ছোট্ট গণ্ডির মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলা কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচিতির প্রসার- কোনোটাই ব্যক্তির জন্য, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এবং সংস্কৃতির পরিচর্যা ও বিকাশের জন্য সম্ভবত খুব একটা সুখকর নয়।

যেহেতু সংস্কৃতির স্রষ্টা ও ভোক্তা মানুষ, তাই এর বিকাশ কিংবা বিনাশও নির্ভর করে মানুষের তাগিদ ও বিবর্তনের ওপর। বেঁচেবর্তে থাকার প্রয়োজনে মানুষকে সংস্কৃতির আলো ও বাতাসে পরিভ্রমণ করতে হয়; পরিবর্তনটা তাই স্বাভাবিক। সংস্কৃতি ব্যক্তিকে প্রাণভরে বাঁচতে শেখায়; বাঁচবার দরকারে ব্যক্তি সংস্কৃতির পাঠ ও প্লাটফর্ম বেছে নেয় অথবা তৈরি করে সংস্কৃতির ঘর ও বারান্দা।

সম্প্রতি আমার বন্ধুস্থানীয় একজন বলছিলেন- ‘আজকাল পৃথিবীতে সবকিছুই অর্থনীতিনির্ভর হয়ে পড়েছে।’ শিল্প-সাহিত্যের ব্যাপারেও তিনি ওই অর্থনৈতিক প্রভাবের কথা মান্য করে খানিকটা আফসোস করলেন।

আর মানুষের প্রবণতা কীভাবে পোশাক ও প্রথার ওপর ভর করে ধীরে ধীরে সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে ওঠে সে সম্বন্ধেও ব্যক্তিগত ধারণার খানিকটা জানিয়ে রাখলেন। আমার এ বন্ধুটি ভাষাপ্রেমিক।

দুনিয়ার বিভিন্ন ভাষা বিষয়ে তার আগ্রহ আছে। শিল্পভুবন, জীবনাচার আর রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন বিষয়ে তার বোধ ও ভাবনা আমাকে বিশেষভাবে আলোড়িত করে। তার ভাবনার সঙ্গে আলাপের সুরে গলা মিলিয়ে বলা চলে- আগে যে শিল্প-সাহিত্য অর্থনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলেছে বা চলতে পেরেছে, তা নয়।

পৃষ্ঠপোষকতার ব্যাপারটি আদ্যিকাল থেকেই প্রচলিত। তবে সৃজনশীলতার একটা ভিন্ন জায়গা ছিল। ওই ভুবনে অর্থনীতির শাসন খুব একটা জোরালো হয়ে উঠতে পারেনি। ব্যক্তির সৃজনশীলতা কখনও রাজনীতি বা অর্থনীতির চাপে পড়ে প্রবলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়নি। রাজনীতি ও অর্থনীতির চালচলনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সাহিত্য ও শিল্পের জয় হয়েছে।

কিন্তু বর্তমানে বোধকরি সময়টা খারাপ যাচ্ছে। ব্যক্তির অনুভব ও প্রকাশের ব্যাপার-স্যাপার সম্ভবত আর নিজের থাকছে না- কর্পোরেট হাউস আর কারবারি পেশাদার লোকদের হাতের কবলে চলে গেছে প্রায় সর্বোতভাবে।

আমার বন্ধুটি বোধ হয় ওই কারণে মন খারাপ করছিলেন। অবশ্য তিনি সংস্কৃতির প্রাতিস্বিকতা সম্বন্ধে প্রবলভাবে পজিটিভ বলেই মনে হয়েছে।

আর পরিবর্তনের ব্যাপারে তার সরল ও গ্রহণশীল মানসিকতা বেশ কিছুটা উদার বলেও আমি ধরে নিতে পেরেছি। আমার মনে হয়, ‘কস্টিউম ও কাস্টম’কে (পোশাক ও প্রথা) নির্ভর করে যে সংস্কৃতির ভিত নির্মাণ ও বিকাশের কাজটি চলে, তাতে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ও সময় যাপনের ঘটনাপ্রবাহ ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।

কেন না, ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচর্যা সম্ভব নয়। আবার মানুষের ব্যক্তিত্ব তৈরির পথ ধরে অগ্রসর হয় সংস্কৃতির বিচিত্র পথ ও ধারা।

কাজেই যাপিত জীবন বা আটপৌরে সংসারের সীমানার বাইরে ব্যক্তিমানুষের নিজের মতো করে বেঁচে থাকার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেয়ার প্রয়োজন পড়ে।

তার মানসিক স্থিতি-অস্থিতি, চাওয়া-পাওয়ার হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে দেখারও দরকার দেখা দেয়। প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নেয়ার জন্য ব্যক্তিতে কিছুটা স্পেস ছেড়ে দিতে হয়।

সারাক্ষণ তাকে সংসারের সমাচারে আবদ্ধ রাখা চলে না। ভেতরে ভেতরে চিন্তার চার দেয়ালের মধ্যে আটকেপড়া ব্যক্তিমানুষ ক্লান্ত হয়ে ওঠে; বিপন্নতা কিংবা বিষণ্ণতাও তাকে গ্রাস করে। তবে, সমাজ এসব বিষয়কে পাত্তা দেয় না। সংসারও দেয় না কোনো সামাজিক স্বীকৃতি। কিন্তু ব্যক্তিটি বাঁচার জন্য তৈরি হতে থাকে।

নিজেকে প্রস্তুত করে সবকিছুর ভেতরে থেকেও কীরকম এক বাইরে বাইরে বিচরণের আবহ নির্মাণের কারিগর হিসেবে। আর এই কাজটি সম্পন্ন করতে পর্দার আড়ালে থেকে সহায়তা করে সংস্কৃতির উদার জমিন। কাজেই সংস্কৃতি ও ব্যক্তির বেঁচে থাকার বিষয় পরস্পর সম্পর্কিত।

প্রসঙ্গত জর্ডানের এ সময়ের এক খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী খালিদের ফ্রেঞ্চ ভাষায় গাওয়া একটি গানের কথা স্মরণ করা যেতে পারে। গানটিতে আমরা জীবনের কথা শুনতে পাই; গ্রহণ করি বাঁচার কিছু মন্ত্রণা ও আশ্বাস। গানের প্রধান কথাগুলো এরকম: ‘আয়েশা, আয়েশা, ভইগারদে মোয়া; আয়েশা, আয়েশা, একুতে মোয়া; ‘আয়েশা, আয়েশা, রেপনদে মোয়া।’ (অর্থাৎ: ‘ও আয়েশা, আমাকে দেখো, আমার কথা শোনো, আর আমার ডাকে সাড়া দাও’।) প্রেমের বা রোমান্টিকতার ছোঁয়া থাকলেও গানটি ব্যাপক অর্থে জীবনবোধে উজ্জ্বল। দেখার, শোনার এবং রেসপন্স করার যে ব্যাপক চিন্তা পরিসরের কথা এ গানে প্রকাশ পেয়েছে, তাকে কেবল নারী-পুরুষের প্রেম কামনা হিসেবে না দেখে জীবনের বৃহৎ ক্যানভাসে রেখে বিবেচনা করলে আমরা দেখব সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রভা। ব্যক্তিমানুষের বেঁচে থাকার জন্য, নিজের জন্য খানিকটা সময় বের করে প্রাণবান ব্যক্তিসত্তার বিকাশের জন্য আমাদের প্রত্যেকের মনে যে প্রকাশ-অপ্রকাশ আকুতির খেলা, যে আকর্ষণ-বিকর্ষণবিষয়ক টানাটানির উপলব্ধি, তারই সোজাসাপটা উচ্চারণ এ জীবনবোধের চেতনায় চিহ্নিত হয়ে আছে।

নিজের সঙ্গে অপরের সম্পর্ক, ভালোলাগার সঙ্গে প্রাপ্তির যোগাযোগ আর উপলব্ধির নিবিড়তা পাওয়া যায় এই গানটির কথামালায়। এ গানটির রেশ শেষ হতে না হতেই আমরা বোধকরি মানতে বাধ্য থাকি যে, জীবনকে অনুধাবন ও উপভোগ করার জন্য ব্যক্তির অনুভব এবং চলমানতার সংস্কৃতিকে কিছুতেই অস্বীকার করা চলে না।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একবার এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম। বিপাকে পড়ার খানিকটা পর বুঝলাম, অনুষ্ঠানের অধ্যক্ষ চাচ্ছিলেন আমি যেন বলি- ‘বড় বড় দেশের সংস্কৃতি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারিত-প্রসারিত হয়ে ছোট ছোট সংস্কৃতিকে গিলে ফেলছে’।

কিন্তু আমার কথা ছিল ভিন্ন রকম। আমার ধারণা সংস্কৃতি এমন এক ধারণা ও ধারা যা খুব সহজে গিলে ফেলার মতো বিষয় নয়। দীর্ঘদিন ধরে যা সৃষ্টি হয়, তা হঠাৎ করেই মিলিয়ে যায় না, অন্তত যেতে পারে না। সংস্কৃতির ব্যাপরটিও ওরকম। অথচ ওই অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনদাতারা যেহেতু ‘ওই রকম’ ধারণা পোষণ করেন, তাই বক্তাদের দিয়ে তাদের কাক্সিক্ষত কথাগুলো বলিয়ে নিতে পারাটাই অনুষ্ঠান অধ্যক্ষের প্রধান দায়িত্ব ছিল বলে মনে হয়েছে!

অথবা প্রযোজকের প্রচেষ্টাটাই ছিল ওরকম চিন্তাকে প্রতিষ্ঠিত করা। অন্তত চ্যানেলটির শ্রোতা ও দর্শকের কাছে ওই জাতীয় একটা মেসেজ পৌঁছে দেয়া। প্রডিউসারের ক্রিয়েটিভিটি এখানে গৌণ ব্যাপার মাত্র; কৌশলটাই মুখ্য। কাজেই একটা না-বলা দূরত্ব তৈরি হতে থাকে আলোচক ও প্রচারকদের মধ্যে। কেবল আমার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে, তা নয়।

হয়তো আরও অনেকেরই রয়েছে এ জাতীয় অভিজ্ঞতা। কথাটা আমি এভাবে বললাম। অনেকে বলেন না। মেনে নিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়ার সাফল্যে বুকও প্রসারিত হয় কারও কারও। আবার কেউ কেউ না বলা যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন। কিন্তু কী কারণে যেন আমরা অপরের সংস্কৃতিকে আর মিডিয়াকে দোষারোপ করে নিশ্চিন্তে থাকতে চাই।

আর নিজেদের প্রতিদিনের অভ্যাস, শিক্ষার প্রসার, চিন্তার বিবর্তন, রুচি ও গ্রহণ-সামর্থ্যরে ক্রম-উন্নতি এবং সমাজ ও সময়ের চলমানতাকে অগ্রাহ্য করে ফেলি। মানুষের বাঁচার তাগিদ আর নিজের জন্য খানিকটা সময় বরাদ্দ রাখার ব্যাপারে আমাদের যেন কোনো খেয়ালই নেই।

যৌথ পরিবার ও যৌথ জীবনধারার মধ্যে আমরা ব্যক্তির বিচরণের বিবেচনাকে অনেকটা দূরে সরিয়ে রাখি। ব্যক্তি যে পোশাক-পরিচ্ছদ, প্রথা আর চারপাশের জীবনধারা থেকে সংস্কৃতির ধাপ ও সিঁড়ি নির্মাণে ভূমিকা রাখে, সে কথা আমরা অনেক সময় আমলেও আনি না। অনেকে হয়তো ভেবেও দেখি না যে, সংস্কৃতি তো চাপিয়ে দেয়ার মতো কোনো ঘটনা নয়। আবার, অন্যকে দিয়ে জোর করে কিছু একটা বলিয়ে নিতে পারাতে সংস্কৃতির কোনো উপকার হয় বলে তো মনে হয় না। না-কি এই যে চাপিয়ে দেয়ার রীতি- এটাও এক ধরনের সংস্কৃতি (অপসংস্কৃতি নয় তো!)? হয়তো তাই।

সামান্য সতর্ক হয়ে খেয়াল করলে বুঝতে পারা যায়, মিশ্রসংস্কৃতির সাম্প্রতিক উপস্থিতি আমাদের যেমন বিস্মিত করে চলেছে, তেমনি জোগান দিচ্ছে বিচিত্র আনন্দ-অভিজ্ঞতা।

বহুতল ভবনের সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্টে, চা কিংবা কফির আড্ডায় আর ক্লাসরুমে নানা সংস্কৃতির লোকের হাজির থাকার ব্যাপার থেকে হয়তো সমাজে এবং সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছে এরকম ধারণার প্রকাশ-চেষ্টা। জীবন-ভালোবাসা-মূল্যবোধ-শান্তি এবং সংগ্রাম সম্বন্ধে যেহেতু প্রত্যেক জাতি-গোষ্ঠীর রয়েছে আলাদা আলাদা ঐতিহ্য, তাই সংস্কৃতিতেও প্রবেশ করতে থাকে জীবনেরই মতো ঐতিহ্যসমৃদ্ধির আলো-বাতাস।

ভাষা এবং মানবিক বিষয় হিসেবে পাঠক্রমে সংস্কৃতি সব সময়ই একটি জটিল পরিসররূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। সংস্কৃতির লালন, ধারণ, পাঠদান এবং পাঠগ্রহণ সত্যিই অন্যান্য প্রাত্যহিক প্রয়োজনীয় বিষয়ের মতো দরকার আছে কি-না, সে প্রশ্নও যে মাঝে মাঝে ওঠে না, তা কিন্তু নয়।

অন্যদিকে আচার-অনুশীলনের গতানুগতিক রীতি এবং আমাদের প্রয়োজনীয় ভাবনার অভাবের চিত্রও বিরল নয়। মিশ্র সংস্কৃতির এই প্রবল প্রবাহের কালে, ব্যক্তিসচেতনতার বিবেচনা-প্লাটফরমে, সংস্কৃতিবিষয়ক বোধির জটিলতা সত্যিই দুঃখজনক এবং রীতিমতো ভয়ঙ্কর।

সংস্কৃতির শব্দগত বিশ্লেষণে উপলব্ধি-স্বাধীনতার সুবিধা নিতে গিয়ে সমাজ-সংস্কৃতি এবং এর সৃষ্টিকারী-পরিচর্যাকারী ও ভোক্তা পড়ছেন বিপাকে; যেন সংস্কৃতির চিন্তা ও ধারাকে আমরা করে তুলছি হতাশাঘেরা এক গুমোট কক্ষরূপে। প্রথা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রভৃতির আলোচনা একটা অদ্ভুত ছকের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সে সবের আলো ও প্রক্ষেপণ-প্রবণতা দৃশ্যত অনেক দূরে অবস্থান করছে; সংস্কৃতি-নির্দেশকের রক্তচক্ষু থেকে নিজেকে রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নামছে তারা।

এসব বিক্ষিপ্ত কিছু বিষয় যখন ভাবনার টেবিলে সাজিয়ে বসে থাকি, তখন নিজেকে কেবল বিপন্ন মনে হয়। নিজের চিন্তা আর অনুভবের জমিনটাকে শুধু ধু ধু মাঠ ছাড়া আর কিছুই কল্পনা করা যায় না।

এক নিবিড় অসহায়তা কেবলই গ্রাস করতে থাকে অস্তিত্বের ভেতর-বাহির। ঘোর কেটে গেলে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি- উৎপাদননির্ভর কৃষিসভ্যতায় আস্থাশীল ব্যক্তি এবং তার অনুভবে ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের ব্যাপারাদির বিচরণকে আমরা যদি প্রসারিত করতে পারি, তাহলে অনায়াসে বিস্তার লাভ করতে পারে সংস্কৃতি-বিষয়ক চিন্তারাজি। ফলে ব্যক্তি মানুষের বেঁচে থাকার তাগিদ তার প্রয়োজনের ভিত নির্মাণ করার সমূহ শক্তি ও কাঁচামাল আমাদের সামনে সহজলভ্য হয়ে উঠতে পারে। আর এর অন্যথা হলে ঘটতে পারে যে-কোনো রকমের সাংস্কৃতিক বিপত্তি!

আরও পড়ুন
--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×