গল্প

সুচরিত এখন নির্বাসনে

  আহমেদ আব্বাস ২৪ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুচরিত এখন নির্বাসনে

নানা ব্যস্ততায় সময় করে উঠতে পারিনি। ‘যাব যাব’ করেও যাওয়া হয়নি। ক’দিন আগেই এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে। পুত্রবৎ স্নেহাষ্পদ জয়দীপ চক্রবর্তী গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

আমার বন্ধু অশোক চক্রবর্তী বারবারই বলেছে, ‘তুই অভিনন্দন জানাতে না আসায় জয়দীপ অভিমান করে আছে। তাড়াতাড়ি সময় করে যে কোনোদিনই চলে আয়।’

‘অফিসের পর বাসায় গেলে প্রতিদিনই নানা কাজ। একটু সুযোগ পেলেই চলে আসব।’ বলে তাকে আশ্বাস দিয়েছি।

একই আঙ্গিনার ভেতর পাশাপাশি বাসায় বড় হয়েছে জয়দীপ। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি তার প্রবল ঝোঁক থাকায় ছেলেটি প্রায়ই আমাদের বাসায় এসে বই খুঁজে বেড়াত।

বইপড়া নিয়ে আমাকে নানা বিষয় জিজ্ঞেস করত। আর এভাবেই জয়দীপ ক্রমশ আমার স্নেহাসক্ত হয়ে ওঠে। সাত বছর আমরা পাশাপাশি ছিলাম। বন্ধুপত্নী অনিমা ব্যানার্জিও একজন অকপট ও উদারনৈতিক মহিলা। খাওয়া এবং ঘুম ছাড়া সর্বক্ষণই আমার স্ত্রীর পাশে নানা বিষয় নিয়ে আলাপনে মেতে থাকত। কোথাও গেলেও দুজন একসঙ্গে। দুজনের ভেতর ভীষণ নিবিড় ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল।

আজ মাত্র দু’বছর কর্মরত সংস্থার কোয়ার্টার ছেড়ে দিয়ে তারা নিজ অর্জিত বাসায় গিয়ে ওঠেছে। পাঁচকাঠা জমির ওপর দোতলা বাড়িসহ মাত্র চল্লিশ লাখ টাকা দাম। ফুলবাড়ি গেটে পালপাড়ায় ওই বাড়ি কিনেই ওঠে পড়ে অশোক।

আমার বাসা এখনও সেই কোয়ার্টারেই এবং খুলনায়। দুজনের চাকরি অভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হলেও বাসার দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার বেড়ে গেছে। অশোকের বাসাতে টিএন্ডটি লাইন থাকাতে অনিমার সঙ্গে আমার স্ত্রী শাহনাজের অবিরাম কথা বলতে বাধা নেই।

জুন মাস প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তার মানে মধ্যাহ্ন আষাঢ়। অঝোর ধারায় বৃষ্টি মাথায় নিয়েই অশোকের বাড়ি গেলাম। বড়বাজার হেলাতলা থেকে জয়দীপের জন্য সুকুমার রায় আর ইমদাদুল হক মিলনের লেখা কিশোর গল্পসমগ্র, ফুলের তোড়া এবং ইন্দ্রমোহন সুইট (খুলনার বিশুদ্ধ মিষ্টান্ন) থেকে যথারীতি মিষ্টি নিতে ভুল হয়নি।

বাসায় পৌঁছেই প্রথমেই জয়দীপকে সম্ভাষণ, আদর এবং আশীর্বাদ। তারপর বিভিন্ন অকথিত বিষয় নিয়ে সবার মাঝে ক্রমাগত আলাপচারিতা। শাহনাজ-অনিমা, আমি এবং অশোক আর জয়দীপ।

লেখাপড়ায়ও ইয়ারমেট। কর্মজীবনেও অশোক একসঙ্গে ও অনুরূপ চাকরিতে যোগদান করেছে। ওর গ্রামের বাড়ি মনিরামপুর, যশোর। কথাসাহিত্যিক এবং উপমহাদেশের চলচ্চিত্র নক্ষত্র ধীরাজ ভট্টাচার্য (কেশবপুর, যশোর) তার বড়মামা। মামার মৃত্যুর ছয় বছর পর ওর জন্ম। হয়তো তার মামার জিনই সংক্রমিত হয়েছে তার ছেলের ভেতরে।

রাষ্টযন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত থাকার সুবাদে অজ নিভৃতে বাড়ি করলেও সবাই তাকে মানে। এমনকি যে কোনো বাসায় দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ হলেও তার ডাক পড়ে। এলিজা তার স্বামীর ওপর মারমুখো হলে ডেভিড সরকার দৌড়ে আসে অশোকের কাছে। আমাদের সঙ্গে আলাপ-সালাপের মাঝেই ছুটে যায় কোলাহল মেটাতে। গোলমাল থামিয়ে কিছুক্ষণ পর ফেরে অশোক। শোনাতে থাকে ডেভিড-এলিজার উপাখ্যান।

ডেভিডের বয়স এখন ৬০ বছরের মতো। দেশ স্বাধীনের পর ৭৪ সালে ফ্লোরিনা নামে এক মহিলাকে সে বিয়ে করেছিল। সে ঘরে দুজন ছেলে রয়েছে। ১৯৯৬ সালে সে স্ত্রী মারা যাওয়ার এক বছরের মাথায়ই আবার এলিজাকে বিয়ে করে। আর তিন বছর পরই প্রথম ঘরের দু’ছেলে একসঙ্গে আমেরিকা পাড়ি জমায়। পূর্ব থেকেই ছেলের মামারা সেখানে থাকায় ছেলে দুটি সহজেই সেটেল হতে পেরেছে।

ডেভিড সরকার ছোটবেলা থেকেই বিনয়বাবুর ওয়ার্কশপে কাজ করত। খুলনা সঙ্গীতা সিনেমা হলের পেছনে শেখপাড়ায় চৈতালি ওয়ার্কশপ। সব ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য নির্ভরশীল কারখানা।

দেশ স্বাধীনের আগেই ডেভিড ওয়ার্কশপের কাজে যোগ দিয়েছিল। হানাদার বাহিনী এদেশে দখলদারিত্ব কায়েমে এলে বিনয়বাবু একজন মুসলমান কর্মচারীর ওপর কর্মভার ন্যস্ত করে নির্বিঘ্নে সাময়িক উদ্বাস্তুর কাতারে শামিল হন।

কিন্তু ডেভিড বিশ্বস্ততার সঙ্গেই কারখানার কাজে বহাল রয়ে যায়। তৎকালে পাকসেনাদের কাছে একজন অনাদ্য এবং অনাহুত বাঙালি হিন্দু কিংবা মুসলিমের জীবন ছিল অতিশয় অনিরাপদ, বিপজ্জনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সেক্ষেত্রে একজন প্রমাণিত বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের জীবন ছিল অনেকটাই স্বচ্ছন্দ এবং ঝুঁকিহীন। হয়তো চীন-আমেরিকার অনুরূপ নির্দেশনা ছিল।

স্বাধীনতার পর ফিরে এসেই বিনয়বাবু ওয়ার্কশপের হাল ধরেন। কাজের গুণগতমানের জন্য পূর্ব থেকেই চৈতালি ওয়ার্কশপের বিস্তর খ্যাতি ছিল। বিনয়বাবু আবার পূর্ণোদ্যমে এবং পূর্ণমাত্রায় কাজে মনোযোগী হলেন। তার সব কাজেই অতি নির্ভরশীল ডেভিড সরকার। লেদ মেশিন ছাড়াও সে মিলিং মেশিন, ড্রিলিং মেশিন, শ্যাপার মেশিনসহ সব যন্ত্রপাতির কাজেই সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠে।

পেশাগত কাজে ডেভিডের যথার্থ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জিত হলেও মাঝে মধ্যে সে ড্রিংক করত। তবে মাত্রাজ্ঞানে কখনও বেসামাল হয়নি। তবু একদিন বড় লেদ মেশিনে মেরিন ইঞ্জিনের একটা প্রপেলার শ্যাফট্ অ্যালাইনমেন্ট ও ট্রুনেস চেক করার সময় অসাবধানতাবশত লেদের চাকে (ফ্লাই হুইলের মতো) তার ডানহাত আটকে যায়।

কনুইয়ের নিচ থেকে হাতের নিম্নাংশ কবজিসহ একেবারে থেঁতলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে জেনারেল হাসপাতালে পাঠনোয় জীবন পরিত্রাণ হলেও ডানহাত রক্ষা করা যায়নি। কনুইয়ের নিম্নাংশ কেটে ফেলতে হয়।

বিনয়বাবু চিকিৎসা খরচে কার্পণ্য করেননি। চিকিৎসাসেবা বাদেও পঙ্গুত্ব ও অসামর্থ্য সুবিধা হিসেবে সেই ১৯৭৮ সালে তার পরিবারের জন্য প্রায় ২০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। সেসময় রাষ্ট্রীয়ভাবে একজন শ্রমিকের স্থায়ী অক্ষমতা সুবিধা ছিল ২৪ হাজার টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ (সংশোধিত-২০১৩) মোতাবেক একজন শ্রমিকের স্থায়ী পঙ্গুত্ব সুবিধা মাত্র এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা।

একহাতের সামর্থ্যতায় দু’বছরের মাথায় ডেভিড ওয়ার্কশপের কাজে যোগ দেয়। কাজে এলে বিনয়বাবু খুশি হয়ে বলে, ‘ডেভিড, কাজের সবকিছুই তো তোর জানা আছে। তুই শুধু ওদের দেখিয়ে কাজ ধরিয়ে দিবি। কোন্ কাজে কোন্ মেটেরিয়েল লাগবে, এসব বুঝিয়ে দিবি।’

‘ওস্তাদ ছেলে দুটো সামনে স্কুলে পাঠান লাগবে। এজন্যই আসছি। আর কিছু না করলে খাব কী!’

‘তুই কাজে লেগে যা, আমি তো আছি তোর কোনো চিন্তা নেই।

ডেভিড নিশ্চিন্ত মনে কাজ আরম্ভ করে এবং মুখ্যকর্মী হিসেবে কারিগরি কাজে সবাইকে সহযোগিতা করতে থাকে।

সামরিক সরকার এরশাদের ক্ষমতাকালে ১৯৮৭ সালে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা পর্যালোচনা ও পুনর্বিবেচনা করে মোট ৬৯ হাজার নিরূপণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে আবার ১৯৯৪ সালে তালিকা পুনঃসমীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করে ১ লাখ ৫৪ হাজারে উন্নীত করা হয়। কিছু টাকা হাতে থাকায় ডেভিড সেসময় সুযোগটা গ্রহণ করে। সহযোগীর পরামর্শে বাসাও পাবলা থেকে বদল করে ফুলবাড়ি গেটে নিয়ে যায়। যাতে কেউ সহজে বুঝতে না পারে। কসুর পেলেই মানুষ পশুর মতো সুচরিতকে নির্বাসন দিয়ে সময়ের সুযোগ গ্রহণ করে।

সংশ্লিষ্ট দফতরের কাজকর্ম সম্পন্ন হলে প্রজ্ঞাপন জারির পর ডেভিড ঘোষণা করে, ’৯নং সেক্টরের সে একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। পিরোজপুর ও বাগেরহাট এলাকায় সুবেদার তাজুল ইসলামের অধীনে সে গেরিলা যুদ্ধ করেছে।’

আসলে বিষয়টি একেবারে অসত্য, অযথার্থ এবং কাল্পনিক কিছু বলেনি, সে তো দেশকে পুনর্গঠন এবং সমৃদ্ধশালী করার জন্যই কাজ করছিল। অনেকে তো স্বাধীনতার বিরুদ্ধে থেকেও সনদ সংগ্রহ করেছে।

ওই সময়েই মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা পরিষদের পরিচালক নেভাল কমান্ডো খলিলুর রহমান বলেছিলেন, ‘এই তালিকায় কমপক্ষে ২৫ হাজার অমুক্তিযোদ্ধা আছে।’ এভাবে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে আর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা মর্মে মর্মে বেদনাহত হতে থাকে।

অশোক বলছিল, সে ওখানে পৌঁছার পরও এলিজা ঘরের ভেতর বসে বসে ফুঁসছিল। তাকে দেখেই, ‘দাদা ডেভিড যাই ভাবুক না কেন, আমি সবই জানি। তাকে সরকার কীভাবে এই বাড়ি করে দিয়েছে। কী জন্য মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা ভাতা পায়, সবই বুঝি। আমি বলি, আমাকে মাসে মাত্র চার হাজার টাকা দাও। সে কিছুতেই দেবে না। এই বয়সেও মদ খায় আর সবটাকা কুক্ষিগত করে রাখে।’

‘ডেভিডদা যে বলে, আপনি মাঝে মধ্যেই এদিক-ওদিক চলে যান। বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করেন, ওনাকে পাত্তা দেন না। এটা ঠিক না।’

‘১৯৯৭ সালে তার সঙ্গে আমার যখন বিয়ে হয় তখন বয়স ছিল ২৫ বছর আর ওর ৪৩। আর আজ এই ১৪ সালে আমার বয়স ৪২ আর ডেভিডের এখন ৬০। ও নিজকে চাঙ্গা করার জন্য মাল টেনে টেনে দিনকে দিন আরও অথর্ব হয়ে যাচ্ছে। আর আমি তো একেবারে আমসি হয়ে যাইনি। একটু ঘোরাঘুরি করলেই দোষ।’

‘দাদা মাগির কথা শুনছেন! ও কী বলতে চায়।’ ডেভিড লাফ দিয়ে হঠাৎ কথার ফাঁকে ঢুকে পড়ে।

দেখছেন! হারামি কীভাবে গালি দেয়।’

‘আজ ষোল-সতের বছর আপনাদের বিয়ে হয়েছে। কোনো ঝামেলা নেই, অভাব নেই। নিজের বাড়ি, দাদা যুদ্ধাহত ভাতা পাচ্ছে। ছেলে দুজনই বিদেশে। তারাও মাঝে মধ্যে টাকা দেয়।’

‘সন্তান হয় না দেখে প্রথম স্বামী ডিভোর্স দিল। এর কাছে এসেও কিছু হল না। ছেলেপিলে না থাকলে কী মানুষের সাধ আহ্লাদ থাকে না। সে তো সন্ধ্যে লাগলেই বাড়ি ছেড়ে চলে যায়, ফেরে অনেক দেরিতে।’

‘যাই হোক, এসব সামান্য বিষয় নিয়ে আর অহেতুক ঝগড়া বিবাদ করবেন না। আর আপনি নাকি সবাইকে বলে দিতে চান, সে কীভাবে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হল।’

ও যেন আমাকে প্রতি মাসে হাতখরচের জন্য কমপক্ষে চার হাজার টাকা দেয়। আজ তো সতের বছর বিয়ে হয়েছে। শুধু তাকে ভয়-ই দেখাচ্ছি, কখনও কী কাউকে বলেছি। কেউ বিন্দুমাত্র সন্দেহ করলেও তার থোঁতামুখ ভোঁতা করে দিয়েছি।’

দুজনকে রীতিমতো যথাযথ উপদেশ, প্রেষণা, প্রবর্তনা, পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে ঘরে ফিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয় অশোক।

কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালের পর দিনমান নরম রোদ। তারপর সন্ধ্যে আসে। বেথেলহেমের আলোয় আলোকিত পালপাড়ার একাংশ। বিপুলাকার খুঁটির মাথায় বর্ণিল, বিস্তৃত অপ্রাকৃত নক্ষত্রের সমাহার। সঙ্গীতের উৎসবমুখর মূর্ছনা। ধর্মপ্রাণ লোকজনের আরও বিশুদ্ধতা এবং পুণ্যলাভের জন্য অনাবিল এবং অবিমিশ্রভাবে আনাগোনা।

ডেভিডও পুণ্যলাভ থেকে বসে নেই। সে-ও একটু আগে গির্জা থেকে উপাসনা করে ফিরেছে। বাসায় এসে বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে একটার পর একটা বোতল সাবাড় করেছে।

উৎসবের দিন সব সম্প্রদায়ের ভেতরই একটু-আধটু এ ধরনের পানীয় মনোরঞ্জন হয়ে থাকে। এলিজা আনন্দমুখর বর্ণিল পাড়া ঘুরে এসে দেখে, স্বামীর সব সুহৃদ ঘরমুখো।

সবাইকে শুভাশীষ জানিয়ে বিদায় দিতে দিতেই ডেভিডের চোখমুখ ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। একটু পরই নাক ডেকে অঘোর ঘুম। এখন তাকে সরিয়ে দেশান্তরী করলেও টের পাবে না।

মহাকালের স্রোত কারও জন্য থেমে থাকে না। একজন থেমে গেলে অপরজন এসে হাল ধরে। প্রয়োজনও তেমনি সময়ের প্রয়োজন, তলবকারীর প্রয়োজন। অনিবার্যতা বা অপরিহার্যতাই উদ্ভাবনী শক্তি জুগিয়ে দেয়।

দীর্ঘদিন আত্মপ্রসাদপূর্ণ সম্ভোগহীন এলিজা তার লালসা পূরণের উপযোগিতা পেয়ে যায়। মোবাইলে তার বন্ধু রবার্টকে ডেকে নেয়। ঘুমের অতলান্তে খাটের ওপর পড়ে আছে ডেভিড। আর তার পাশে নরম খর্বাকার ডিভানটাই নাগর রবার্টের গভীর আশ্লেষে হয়ে ওঠে এক জীবন্ত নাগরদোলা।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×