ভাষার প্রতিরোধ ও মধুসূদন দত্ত

  জাহেদ সরওয়ার ২৮ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভাষার প্রতিরোধ ও মধুসূদন দত্ত

ভাষার প্রতিরোধের কথা বলতে গেলেই নগুগি ওয়া থিয়াঙ্গোকে হাজির করতে হয়। কেনিয়ার এই লেখক ভাষার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সিনা টান করে দাঁড়িয়ে আছেন। নগুগির সমস্ত লেখাপত্রেই প্রায় ভাষাও যে সাম্রাজ্যবাদীদের হাতিয়ার হতে পারে আবার সে একই পদ্ধতিই যে সাম্রাজ্যবাদ প্রতিরোধে কার্যকর হতে পারে তা দেখিয়েছেন।

শৈশব থেকে নগুগিদের আঞ্চলিক ভাষা ভুলে গিয়ে ইংরেজি ভাষা শেখার জন্য স্কুলেই বিভিন্ন অপমানজনক পদ্ধতি অবলম্বন করা হতো। কারণ সে ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদকে সরাসরি স্থানীয় ভাষার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হয়েছে। ভারতবর্ষে বিষয়টা ছিল অন্যরকম। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ভারতের শাসন-শোষণের আগে এখানে মোগল সাম্রাজ্যবাদ বা ইসলামী সাম্রাজ্যবাদ জারি ছিল সুদীর্ঘ দিন।

ফলে সেই সময় ইসলামী সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে স্বাগতমই জানিয়েছেন ভারতবর্ষের বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবী। বাংলাভাষার ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন এককাঠি সরেস।

তিনি ইসলামী সাম্রাজ্যবাদকে তাড়ানোর জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে স্বাগতম জানিয়েছিলেন। তার লোকরহস্য বইয়ে ইংরাজস্তোত্র বলে একটা লেখা আছে। এ লেখাটিকে প্রবন্ধ বলা যাবে না। তিনি লেখাটায় ইংরেজদের ব্যাপক স্তোত্র করেন। লেখাটি বঙ্কিম শুরুই করেন, হে, ইংরাজ। আমি তোমাকে প্রণাম করি, তিনি আরও বলেন, হে মিষ্টভাষিন। আমি মাতৃভাষা ত্যাগ করিয়া তোমার ভাষা কহিব, পৈতৃক ধর্ম ছাড়িয়া ব্রাহ্মণধর্ম্মাবলম্বন করিব। বাবু নাম ঘুচাইয়া মিস্টর লেখাইব, তুমি আমার প্রতি প্রষণ্ণ হও। আমি তোমাকে প্রণাম করি।

বঙ্কিমচন্দ্র তার কথা রেখেছিলেন। তিনি তার প্রথম উপন্যাস রাজমোহন’স ওয়াইফ ইংরেজিতে লিখেছিলেন। কিন্তু সেটি ব্যর্থ উপন্যাস ছিল। তার অচিরেই উপলব্ধি হয়েছিল অন্য ভাষায় সাহিত্যচর্চায় তেমন লাভ নেই। তবে তার বাংলা উপন্যাসের ভেতরও তিনি বারবার ইসলামী সাম্রাজ্যবাদকে একহাত নিতে ছাড়েননি।

এ ক্ষেত্রে মধুসূদন ব্যতিক্রম। মধুসূদন সৃষ্টিশীল প্রতিভা, বোহেমিয়া তার রক্তে। গোটা দুনিয়াটাই বলতে গেলে তিনি পান করেছিলেন। দেশীয় কেরানি ও ইংরেজ-মনস্ক একটা মধ্যবিত্ত সমাজ তৈরি করার জন্য হিন্দু কলেজ ও সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। সে কথায় পরে আসি। ফরাসি ভার্সাই নগরীতে থাকাকালীন শত স্ট্রাগল সত্ত্বেও মধুসূদন ক্রমাগত লিখে যাচ্ছিলেন। ভার্সাইতে বসে তিনি বেশ কিছু সনেট লিখেন যা পরে ১৮৬৬ সালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী নামে প্রকাশিত হয়ে। এখানকার একটা কবিতা ‘বঙ্গভাষা’। কবিতাটি পড়া যাক।

হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন,-

তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,

পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ

পরদেশ, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।

কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি!

অনিদ্রায়, অনাহারে সঁপি কায়, মনঃ

মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি,-

কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!

স্বপ্নে তব কুললক্ষী কয়ে দিলা পরে-

“ওরে বাছা মাতৃ-কোষে রতনের রাজি,

এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?

যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে!”

পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে

মাতৃ-ভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণিজালে॥

কবিতাটির প্রতিরোধের প্রতীক আবিষ্কার করার আগে মধুসূদনের ইংরেজি ভাষা ও সাম্রাজ্যের প্রতি মোহযুক্ত হওয়ার খানিকটা কাহিনী আমাদের শুনতে হবে। মধুসূদনের পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ব্রিটিশ আমলে উকিল ছিলেন। মানে ইংরেজদের প্রথম দিকের সেবক। উকিলদের কাজ তখন আর এখন প্রায় একই রকম। ব্রিটিশ আইন আর বর্তমান আইনও প্রায় একই রকম। তো সেই সূত্রেই কলকাতায় বাস। ১

৮৩৩ সালে মধুসূদন হিন্দু কলেজের জুনিয়র বিভাগে ভর্তি হন। ১৮৪২ সাল পর্যন্ত সেখানে পড়ালেখা করেন। তার ব্যক্তিচরিত্র গঠনে হিন্দু কলেজের ভূমিকা অপরিসীম। এখানে ইংরেজি সাহিত্য, ভাষা ও চালচলনের প্রতি গভীর প্রেম ও দেশীয় আচার ও ভাবনার প্রতি অশ্রদ্ধা দেখা যায়। তখন তিনি ইংরেজিতেই লেখালেখি শুরু করেন। বিভিন্ন সাময়িকীতে ইংরেজিতে লেখা কবিতা ছাপা হতে থাকে।

এতে তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং তিনি মনে করতে থাকেন বড় কবি হতে হলে তাকে বিলাত যেতে হবে। মধুসূদন যখন সিনিয়র ডিপার্টমেন্টের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র সেই সময়, ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিতভাবেই খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। তার নতুন নাম হয় মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এখনও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেক আদিবাসী বা নিুবর্গের মানুষকেও ধর্মান্তরিত হতে দেখা যায়।

অর্থাৎ মধুসূদনের ইংরেজি মোহ তাকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছিল। বিলাত যাওয়ার অদম্য বাসনা, পিতার নির্বাচিত পাত্রীকে বিবাহ করার অনাগ্রহ ও রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহনের রূপবতী মেয়ের প্রতি আসক্তি তাকে খ্রিস্টান হতে উদ্বুদ্ধ করে।

এরপর তাকে স্কুলও ছাড়তে হয়েছিল। কারণ হিন্দু কলেজে খ্রিস্টান ছাত্র পড়তে পারত না। তিনি বিশপস কলেজে পড়ালেখা করেন। পরে তিনি শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে মাদ্রাজে চলে যান। মাদ্রাজে মধুসূদন সাত বছর ছিলেন।

এ সময় শিক্ষক, সাংবাদিক এবং কবি হিসেবে খ্যাতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলেন। ইংরেজি পত্রপত্রিকায় তার প্রবন্ধ ও কবিতা নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। একাধিক পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের সঙ্গেও তিনি যুক্ত হয়েছিলেন। এক সময়ে tihenaeum I hindu chronicle পত্রিকার সম্পাদনাও করেন। timothy penpoem ছদ্মনামে অনেক সনেট গীতিকবিতা ও খণ্ডকাব্য এ সময় তিনি লিখেছিলেন।

তার visions of the past, the captive lady নামের দুটি দীর্ঘ কবিতা একসঙ্গে পুস্তকাকারে মাদ্রাজ থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৯ সালে। ক্যাপটিভ লেডি মাদ্রাজে প্রশংসিত হলেও বাংলায় বিশেষ সমাদর পায়নি।

১৮৬২ সালের ৯ জুন ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য মধুসূদন ইংল্যান্ড যাত্রা করেন। পিতার সম্পত্তি বিক্রয় ও বিলিব্যবস্থার মাধ্যমে তিনি যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসের ওপর ভরসা করে স্ত্রী সন্তানদের কলকাতায় রেখে গিয়েছিলেন, তার ইউরোপ যাত্রার কয়েক মাসের মধ্যে তারা সবাই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় আর্থিক দুর্বিপাকে পড়লেন হেনরিয়েটা।

অবশেষে ১৮৬৩ সালের ২ মে তিনি কোনোক্রমে অর্থ সংগ্রহ করে পুত্র-কন্যাদের নিয়ে ইংল্যান্ড যাত্রা করলেন। সপরিবারে এবারে মধু আর্থিক অনটনের শিকার হলেন। ঋণে জর্জরিত মধুসূদন এ সময়ে যে দুর্বিপাকে পড়েছিলেন ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহৃদয় সহযোগিতা ও অর্থানুকূল্যে তা থেকে তিনি উদ্ধার লাভ করেছিলেন।

১৮৬৫ সালে ব্যারিস্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কবি দেশে ফিরে এলেন ১৮৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ইউরোপে ফ্রান্সের ভার্সাই বাসকালে মধুসূদন ফরাসি ইতালীয় ও জর্মন ভাষা শেখার চেষ্টা করেন। দেশে ফিরে এলে মধু কলকাতা হাইকোর্টে ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ দেন এবং অল্পকালেই প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন। কিন্তু আধুনিক ইউরোপীয় ভোগবাদী ভাবধারায় বর্ধিত কবির জীবনে আয় ও ব্যয়ের সমতা বিধান হতো না।

ফলে অমিতব্যয়ী উচ্ছৃঙ্খল জীবনে অবিলম্বেই নেমে এলো দুর্দশা। অর্থাগমের অনিশ্চয়তা দূর করার জন্য তাকে ব্যারিস্টারি ছেড়ে গ্রহণ করতে হল মাসিক দেড় হাজার টাকা বেতনের প্রিভি কাউন্সিল আপিলের অনুবাদ বিভাগে পরীক্ষকের পদ। কিন্তু দু’বছর পরই এ কাজ ছেড়ে দিয়ে আবার ফিরে এলেন আইন ব্যবসায়। কবির স্বাস্থ্য তখন নানা রোগে জীর্ণ।

তার শেষ জীবনে রোগযন্ত্রণা, অর্থাভাব ও ঋণের ভারে হয়ে উঠেছিল দুর্বিসহ। এরই মধ্যে নানা সাময়িক কারণে রচনা করেছিলেন কিছু সনেট ও কবিতা, মায়াকানন নামে একটি নাটক এবং হেক্টর বধ নামে একটি গদ্য আখ্যান। বেশি কিছু রচনা তিনি শুরু করেও ঠিক করতে পারেননি।

ক্রমে মধুসূদন অসুস্থ ও অসমর্থ হয়ে পড়লেন। অসুস্থ হলেন হেনরিয়েটাও। ১৮৭৩ সালের এপ্রিলে উত্তরপাড়ার জমিদার জয়কৃষ্ণ মুখার্জির আহ্বানে তিনি বেনেপুকুরের বাড়ি থেকে সপরিবারে এসে উঠলেন পাবলিক লাইব্রেরির দোতলায়।

কিন্তু এখানে রোগের উপশম না হওয়ায় ফিরে এলেন বেনেপুকুরে। জুনের শেষের দিকে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ভর্তি করা হল জেনারেল হাসপাতালে। ১৮৭৩ সালের ২৬ জুন কবির জীবনসঙ্গিনী হেনরিয়েটা মৃতুবরণ করেন। মাত্র কয়েকদিন পর ২৯ জুন রবিবার বেলা দুটার সময় মধুসূদনের জীবনাবসান ঘটে।

প্রথমে বঙ্গভান্ডারে বিবিধ রতনকে অবহেলা করার জন্য নিজেকে তিনি অবোধ বলে গালি দিচ্ছেন। মধুসূদন যখন লেখালেখি করছিলেন বেশিরভাগই ইংরেজিতে। অনেক কাছের বন্ধু তাকে অনুরোধ করেছিলেন বাংলায় কিছু লেখার জন্য।

মধুসূদন হোমার আর মিল্টন হওয়ার স্বপ্নে বিভোর তখন। তিনি বাংলায় লিখেননি। কিন্তু ইউরোপ ঘোরার সময় তার এই মতি হয়। হোমার বা মিল্টন হওয়ার স্বপ্নকে তিনি পরধন লোভে মত্ত বলছেন। আসলে এ সময়টায় মধুসূদন পরিপক্ব হচ্ছিলেন ম্যাচিউরিটি যাকে বলে।

ইউরোপে তখন নিজেকে তার ভিক্ষুকের মতোই মনে হচ্ছিল। এই পুরা স্ট্রাগলটাকে তার বিফল তপ বলে মনে হচ্ছিল। এরপর তিনি স্বপ্নের আশ্রয় নেন মহাকাব্যিক স্টাইলে। ‘স্বপ্নে তব কুললক্ষী কয়ে দিলা পরে’ কোন কোন সময় শব্দের অর্থ নীরবে বদলায় এখানে স্বপ্নও সে রকম একটা অবস্থানে আছে। স্বপ্ন এখানে আসলে বাস্তবতার মূর্ততা। এটাই তার রিয়ালাইজেশন। এটা তার জীবনের সারমর্ম।

ইংরেজি আক্রান্ত আমাদের বাংলাভাষায় মধুসূদনই একমাত্র কবি যিনি ভাষা দিয়েই ভাষার প্রতিরোধ করেছেন। অবশ্যই মধ্যযুগের এক কবি আবদুল হাকিম বলেছিলেন যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সে সবে কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। স্বপ্নের দোহাই দিয়ে আমাদের সামনে তখন যে বাস্তবতাকে হাজির করেছিলেন মধুসূদন সারা জাহানে আজ সাম্রাজ্যবাদের প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ভাষাও যে একটা হাতিয়ার হতে পারে। সেটা আজ পরীক্ষিত প্রায়।

ভারতবর্ষের প্রথম দিকের ইংরেজদের কেরানি তৈরির স্কুল-কলেজে তাদের নিজস্ব ছাঁচে তৈরি হয়েও মধুসূদন নিজেকে সুধরে নিয়েছিলেন নিজ অভিজ্ঞতার গুণে। এরপর বাংলাভাষায় তার রচনাগুলো নিজস্ব স্বকীয়তায় ভাস্মর। সেটা মধুসূদনের দ্বারা সম্ভব হয়েছিল অন্য অনেক ভাষা জানার কারণে। তুলনামূলকভাবে তিনি ভাষার কাজকর্ম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়েছিলেন বা হতে পেরেছিলেন।

নগুগিও তাই তিনি ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন। তারও পর সাম্রাজ্যবাদের সরাসরি ছাঁচে তৈরি ছিলেন তিনিও। তিনিও তুলনামূলকভাবে ভাষার ক্রিয়া সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে পেরেছিলেন। ভাষা এমন যে সেটা শক্তির সঙ্গে সঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারে। আরবি উর্দু যেভাবে বাংলায় প্রভাব বিস্তার করেছিল ইংরেজি হয়তো আরেকটু ভিন্নভাবে বিস্তার করেছিল তার প্রভাব।

কিন্তু এসব ভাষাই তাদের সাম্রাজ্যিক শক্তির কারণে প্রবাহমান। এখন তো ইংরেজিসহ কয়েকটি ভাষাকে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ এ ভাষা অনেক ভাষাকে গিলে খেয়েছে। আর সেসব ভাষাভাষী হরর সিনেমার গল্পের মতো মিশে গেছে ইংরেজি দুনিয়ায়। ইংরেজি শুধু ভাষা নয় এটা রাজনীতি ও অর্থনীতিরও বাহন। যেসব ভাষা ইংরেজির কারণে হারিয়ে গেছে সেসব ভাষাভাষী লোকের ধর্ম অর্থনীতি রাজনীতি সবই খেয়েছে ভাষা।

আর ভাষা এভাবে খায় বলেই নিজস্ব ভাষার স্বকীয়তাও দাঁড়াতে পারে ভাষার সাম্রাজ্যিক বাসনার মুখোমুখি। যে কারণে নগুগি ইংরেজিতে এত স্মার্ট হওয়ার পরও মাত্র দু’লাখ লোকের ভাষায় সাহিত্য করেন। মধুসূদন ফিরে আসেন নিজের বাংলাভাষায়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×