একটা নদীর মাঝ বরাবর একটি রেখা

  মির্জা ওয়াহেদ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জন্ম নেয় দুটি পৃথক রাষ্ট্র

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসানে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের মাধ্যমে জন্ম নেয় দুটি পৃথক রাষ্ট্র- ভারত ও পাকিস্তান। দেশভাগ হলেও জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে যায়।

সেখানকার অধিকাংশ অধিবাসী মুসলমান হলেও রাজ্যের হিন্দু রাজা হরি সিং ভারতের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপিত হলে ভারত ও পাকিস্তানের সম্মতিক্রমে গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়। গণভোট শেষ পর্যন্ত আর হয়নি। তবে ভারত সরকার সংবিধানে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ সুবিধা দিতে ৩৭০ ধারার অন্তর্ভুক্ত করে।

গত ৫ আগস্ট ভারতের বর্তমান সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে ভারত। বন্ধ করে দেয়া হয় সাধারণ মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা।

ফলে বন্ধ হয়ে যায় প্রবাসে থাকা আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে সেখানকার জনগণের সবরকম যোগাযোগ। কাশ্মীরের অতীত ও বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন সেখানকার যুক্তরাজ্য প্রবাসী প্রখ্যাত লেখক মির্জা ওয়াহেদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দা নিউইয়র্কের আইজ্যাক চটিনার। অনুবাদ : আকেল হায়দার।

আইজ্যাক : কাশ্মীরের সাম্প্রতিক ঘটনার পর সেখানে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে?

মির্জা ওয়াহেদ : আসলে ৫ আগস্টের পর আমি তাদের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগই করতে পারিনি। বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি সেখানে এখন মধ্যযুগীয় শাসনব্যবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের এক প্রতিবেশী দিল্লি যাচ্ছিলেন- তিনি আমার বাবাকে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন। তার কাছ থেকে আরেক প্রতিবেশী এটা জানতে পেরে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে বাবা ভালো আছেন।

কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ কী বা এতে উদ্বেগের কী কী বিষয় আছে বলে আপনি মনে করেন?

: আমি এই সর্বশেষ অবরোধটি দেখছি। যেখানে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে কাশ্মীর একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল। হরি সিং নামক এক রাজা এ রাজ্য শাসন করতেন। যিনি জনপ্রিয় রাজা ছিলেন না, তবে তিনি কাশ্মীর নিয়ে স্বাধীনভাবে থাকতে চেয়েছিলেন।

ভারত ও পাকিস্তান গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারণ করতে রাজি হয়েছিল কারণ তারা কাশ্মীর নিয়ে সবেমাত্র একটি যুদ্ধ শেষ করেছে। যুদ্ধটি ঘটেছিল কারণ মহারাজকে তখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তিনি ভারত বা পাকিস্তানে যোগ দিতে চান কিনা! তিনি কোনো দেশে যোগ দিতে চাননি।

মহারাজ চূড়ান্তভাবে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারতে যোগদানের জন্য সম্মত হয়েছিলেন, তবে কাশ্মীরকে স্বায়ত্তশাসিত রাখার স্পষ্ট শর্তে। আর তখনই রাজাকে পদচ্যুত করা হয়। ভারত সরকার শেখ আবদুল্লাহকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মনোনীত করেন। যিনি ছিলেন খুব জনপ্রিয় কাশ্মীরি নেতা।

শর্ত তাকে অবশ্যই ভারতের সঙ্গে থাকতে হবে। তাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছিল তার সারমর্ম ছিল এই- আমরা স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে কাশ্মীরের মর্যাদা রক্ষা করব এবং আমরা আপনাকে এ অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন ধরে রাখতে সবরকম সহায়তা দেব। তবে পরবর্তীকালে জওহরলাল নেহেরু ক্ষমতায় এলে এই স্বায়ত্তশাসনটি খর্ব হতে শুরু করে।

প্রকৃতপক্ষে শেখ আবদুল্লাহকে দীর্ঘ সময় কারাগারে বন্দি করে রাখার ফলে এর সূত্রপাত। নেপথ্যে ছিলেন জওহরলাল নেহেরু নিজেই। যিনি আবার শেখ আবদুল্লাহর ভালো বন্ধু ছিলেন।

এভাবে বছরের পর বছর স্বায়ত্তশাসন খর্ব হতে থাকে। তবে কাশ্মীরিরা এটি ধরে রেখেছে কারণ এটি ছিল একটি সাংবিধানিক গ্যারান্টি এবং বৃহত্তর ভারতীয় অঙ্গরাজ্যগুলোর সঙ্গে একটি সংযোগের মাধ্যম। অধিকারের জন্য লড়াই হলেও গণভোট বা মতবিরোধের প্রতিশ্রুতিতে কাশ্মীরিরা সেটা মেনে নেন। যদিও আজও তা পূর্ণতা পায়নি। কাশ্মীরিরা ভেবেছিলেন ভবিষ্যতে একটা সময় আসবে যখন তাদের বলার সুযোগ দেয়া হবে। কিন্তু সে সময় কখনও আসেনি।

এভাবেই ভারত পুতুল সরকারগুলোর মাধ্যমে কাশ্মীর শাসন করে আসছিল। ভারত ভালোভাবেই জানত যে, কাশ্মীরিরা ভারতে থাকতে চায় না। এমনকি আজ অবধি বিশাল সংখ্যাগুরু ভারতে থাকতে চান না তারা পাকিস্তানে সঙ্গেও থাকতে চান না। সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরিরা স্বাধীনতা চেয়েছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে তারা মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছিল। গত কয়েক দশক ধরে ভারত বিভিন্ন প্রতিনিধির মাধ্যমে কাশ্মীরের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

‘বিভাজন ও শাসন’ কী? এর ভালো কি ব্যাখ্যা হতে পারে?

: এটি একটি জটিল বিষয়। ভারত সরকার কাশ্মীরে বিশেষ শ্রেণির এলিটদের লালন-পালন করত। যাদের ক্ষমতা ছিল কিন্তু সত্যিকারের শক্তি ছিল না। ১৯৪৭ সালে এখানে আরও একটি নির্বাচন হয়েছিল। সেসব দেখে স্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যকলাপ ও আচরণে কাশ্মীরিরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন।

একই সময়ে ছোট ছোট কাশ্মীরি দলগুলো একত্রিত হয়ে মুসলিম ইউনাইটেড ফ্রন্ট (এমইউএফ) নামে একটা জোট গঠন করে, যা রাজ্যে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পূর্বে তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়নি, কারণ তারা ভেবেছিল যে তারা ভারতীয় সংবিধান সম্মত যে ধারণাটি গ্রহণ করেছে তা সমুন্নত থাকবে। তবুও তারা কাশ্মীরের এ ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ক্ষমতার মল্লযুদ্ধে সম্মত হয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার প্রত্যাশায়।

ধারণাটি ছিল যে তারা হয়তো রাজ্য বিধানসভায় একটি প্রস্তাব পাস করাতে পারবে। যার ফলাফল হবে তাদের স্বাধীন শাসন বা স্বায়ত্তশাসন। তবে এটা থেকে তেমন ভালো কিছু আসেনি। কারণ ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে দিল্লিতে ব্যাপকভাবে কারচুপি হয়েছিল (তখন কংগ্রেস পার্টি দ্বারা শাসিত)। এটা এতটাই খারাপ ছিল যে কাশ্মীরিরা নতুন দলটি নিয়ে নির্বাচনে যে ঝাঁকুনির আশা করেছিল তাতে তাদের ন্যূনতম প্রত্যাশাও পূরণ হয়নি। সে নির্বাচনে তাদের মাত্র চারটি আসন দেয়া হয়েছিল।

মূলত এই নির্বাচনের কারণে কাশ্মীরে বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল বলে অনেকেই মনে করে থাকেন। এসব ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক অভিযোগ রয়েছে।

কাশ্মীরের জন্য মোদির দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে দেখেন? আগে যা ঘটেছিল তার চেয়ে আলাদা কিছু হবে নাকি আরও খারাপ? আপনি কি মনে করেন এর দ্বারা একটা পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে নাকি পরিস্থিতি একই রকম থেকে যাবে?

: একই রকম বিষয় নয়। এটি আরও বড় একটি দুষ্কৃতি। একটি দীর্ঘ সময় ধরে ভারত কাশ্মীরে অবস্থান করছিল। একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের দাবিকে ভারত নষ্ট করেছে। আমাদের একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র রয়েছে। এখনকার ছেলেরা এই নামমাত্র পরিসেবায় বিশ্বাস করে না। পূর্ববর্তী শাসনকর্তারা কমপক্ষে এ ধারণাকে গুরুত্ব দিয়েছিল যে আমরা কাশ্মীরিদের বিশেষ পরিচয় এবং অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখব।

বিজেপিতে জাতীয় কোয়ালিটি বলতে কিছু নেই। ভারত ধর্মনিরপেক্ষ কিনা সে বিষয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই। তারা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র থাকতে দেবে না। তারা সর্বদা ভেবেছিল যে এই রাষ্ট্রের এই রূপে অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। তারা সর্বদা বিশ্বাস করেছে যে এটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় বিভক্ত হওয়া উচিত, যা এখন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। ঠিক যেভাবে লাদাখে, বৌদ্ধ ও মুসলমানদের বাস।

তারা সর্বদা বলেছে যে আমরা কাশ্মীরি মুসলমানদের বিশেষ মর্যাদায় সন্তুষ্ট করতে চাই না। বিজেপির দৃষ্টিতে তা দ্বিগুণ পাপ, কারণ তারা মুসলিম এবং তারা মুসলিম হওয়ার কারণে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে। প্রত্যেককেই বিবেচনা করতে হবে এটি কেবল একটি সাংবিধানিক কথা নয়। এখন কাশ্মীরজুড়ে বিশাল বিশাল সব সামরিক কমপ্লেক্স স্থাপন করা হচ্ছে যা হল সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিজেপির নতুন সংযোজন।

অন্তর্ভুক্তিকরণের বাস্তবিক ফলাফল কি পরিলক্ষিত হচ্ছে?

: ভারতীয় সংবিধানের একটি অংশ যা আর্টিকেল ৩৭০ থেকে উদ্ভূত হয়েছে (রাষ্ট্রপতির আদেশ) ধারা ৩৫(এ)। এ ধারায় বলা হয়েছে যে কাশ্মীরের সরকার এ রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দারাই নির্ধারণ করার ক্ষমতা রাখবে, যা কাশ্মীরিদের সার্বভৌম অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। যার অর্থ আমি বোঝাচ্ছি যে, সম্পত্তি এবং জমি কেনার বিষয়ে শ্রেণিভেদে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

তারা ভারতে যোগ দিতে চায়নি বলে তারা খুব বিশ্বস্ততার সঙ্গে এটি ধরে রেখেছে। তবে তারা কেবল সম্পত্তির অধিকার নয়, চাকরির অধিকারের বেলাতেও তাদের পরিচয় বোধের কোনো সম্মান তারা পায়নি। তারা এ গ্যারান্টিটি ধরে রেখেছিল যে কমপক্ষে আমরা ভারত দ্বারা চালিত হব না। এবং এখন যা আর অবশিষ্ট নেই।

অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অপমান। কাশ্মীরিদের অপমানের ধারণা। ভারত এখন কাশ্মীরিদের বলেছে যে, আমরা কেবল আন্তর্জাতিক ফোরামে এবং ভারতীয় সংসদে আমাদের বর্ণিত প্রতিশ্রুতিগুলোকে সম্মান জানাতে যাব না। আমরা আপনাকে যে টোকেন ও নামমাত্র স্বায়ত্তশাসন দিয়েছি তা ছিনিয়ে নিতে যাচ্ছি। আপনারা স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা ভুলে যান। আমরা আপনাদের বিশেষ মর্যাদাও কেড়ে নেব।

কাশ্মীরের জন্য বিশেষ স্ট্যাটাসের অর্থ কী তা নিয়ে পুরোপুরি অন্য তর্ক রয়েছে। এর অর্থ ব্যাপক নির্যাতন। পশ্চিমে বেশিরভাগ লোকই জানেন না যে গত ত্রিশ বছরে কাশ্মীরিদের একটা অংশ কী ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দশ হাজার মানুষকে নিখোঁজ হিসেবে নথিভূক্ত করা হয়েছে। আমরা জানি না তারা কোথায় আছে। কাশ্মীরের পাহাড়ে তিন হাজারেরও বেশি চিহ্নহীন কবর রয়েছে।

যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ধর্ষণের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। কাশ্মীরের নারীরা অবর্ণনীয় ভাষায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ভোগান্তির শিকার হয়েছে। অসংখ্য ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। গণধর্ষণ হচ্ছে।

আপনি কি এই সপ্তাহে সাংবাদিকদের কারাবন্দি হওয়ার কথা শুনেছেন?

: আমি তাদের সম্পর্কে কিছুই শুনিনি। তবে কমপক্ষে পাঁচ শতাধিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অনেককেই ইতিমধ্যে রাজ্য থেকে বের করে নিয়ে উত্তর ভারতের কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। তারা রাজনৈতিক কর্মী নয়, রাজনৈতিক কর্মীদেরও তো গ্রেপ্তার করা উচিত নয়। সম্প্রতি যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী, আইনজীবী, কাশ্মীরের হাইকোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রধান এ রকম আরও অনেকেই রয়েছেন। তাদের সবাইকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী তা আমরা জানি না। তবে এটা যে নোংরা এবং নির্দয় একটা কাজ সে বিষয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

পাকিস্তানের এখন কোনো ভূমিকা পালন করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

: আমার যদি সে রকম কোনো উপায় থাকত তাহলে পাকিস্তানকে তাদের এ মুহূর্তের করণীয় সম্পর্কে বলতাম। আমার মনে হয় তারা নিজেরাই তাদের ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান, আর এ জন্যই তারা এখনও অনেকটা চুপ হয়ে আছে।

যদি তেমন সুযোগ থাকত আপনি তাদের কী করতে বলতেন?

: সত্যি বলতে বিষয়টা নিয়ে আমি গভীরভাবে ভাবিনি। আমি আপনাকে যা বলতে পারি তা হল, পাকিস্তান ঐতিহাসিক কাশ্মীরের বিরোধী দল। কাশ্মীরের একটি অংশ পাকিস্তানের অধীনে। একই রাজ্যের দুটি অংশ দুই দেশের মধ্যে যা প্রকৃতপক্ষে একটা অসম্ভব ব্যাপার। এ রকম দৃষ্টান্ত আপনি বিশ্বের আর কোথাও পাবেন না। একটা গ্রাম এবং একটা নদীর মাঝ বরাবর একটা রেখা টানা। এটি একটি ডি-ফ্যাক্টো সীমান্ত। আমি জানি এ মুহূর্তে পাকিস্তানিদের করণীয় কী? তবে আপনি আমি দুজনেই বেশ জানি যে সারা বিশ্বে এই দুই দেশের কোনো ভালো বন্ধু নেই।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×