বিজয় ভাবনা এবং সৈয়দ হকের উত্তরবংশ

  ফজলুল হক সৈকত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সব্যসাচী লেখক। তাকে জানি শক্তিমান কবি, কাব্যনাট্যের সফল নির্মাতা, স্বনামখ্যাত কথাশিল্পী হিসেবে। দেশের আর ভাষার গণ্ডি ছাড়িয়ে, আজ ক্রমাগত, তার পরিচিতি বিশ্বসাহিত্যের বিরাট পরিসরের দিকে প্রসারিত। সাহিত্যপথে দীর্ঘদিনের পরিভ্রমণে তার অবদান আর অর্জনের প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। চেষ্টা যে চলছে না, তা নয়; তবে প্রাতিষ্ঠানিক আর গবেষণাভিত্তিক আরও প্রচেষ্টার উদ্যোগ দরকার। আমাদের আজকের প্রসঙ্গ তার বিশাল কর্মযজ্ঞের বিবেচনা নয়; একটি কাব্যনাট্যের আলোচনা। দেশমাতা আর মাতৃভাষার প্রতি নিবিড় শ্রদ্ধাশীল এই শিল্পী বরাবরই সত্য আর বর্তমানের জিজ্ঞাসা রূপায়ণে নিষ্ঠাবান। উনিশশো একাত্তর, পাকিস্তান-বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অর্জনের সংগ্রাম, প্রতিকূলতা-অনুকূলতা, আসন্ন সম্ভাবনা স্রোতলীন মানুষ, বিপরীত স্রোতের মানুষ, সৃজনশীল সমাজের প্রত্যাশা-প্রচেষ্টা, বিবর্ণতা আর আনন্দ-বিষণ্ণতার গল্প সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য উত্তরবংশ।

একজন নাট্যকার, তার কন্যা, আর তার এক রাজনীতিক বন্ধুকে ঘিরে মূলত আবর্তিত হয়েছে উত্তরবংশ কাব্যনাট্যের ক্যানভাস। তাদের আলাপচারিতায় নির্মিতি লাভ করেছে স্বাধীনতা পরবর্তী বর্তমান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি। পাশাপাশি লেখক উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেছেন ব্যর্থতার কারণ আর বাতলে দিয়েছেন এ থেকে উত্তরণের পথ। কব্যনাট্যটিতে বর্ণিত নাট্যকারের বন্ধু, যিনি রাজনীতিতে ব্যয় করেছেন বিপুল সময়, অর্জন যে কিছু হয়নি- এমন নয়, তিনি চান স্বাধীনতা সংগ্রামের সত্য ইতিহাস আর বাস্তবের উত্তেজনা নিয়ে রচিত হোক একটি নাটক- যা প্রেরণা হয়ে, শক্তি হয়ে বিরাজ করবে বর্তমান প্রজন্মের চিন্তায়। নাট্যকার অবশ্য স্বাধীনতাকেন্দ্রিক একটি ব্যক্তিগত-পারিবারিক ইতিহাস নিয়ে তৈরি করতে থাকেন ভিন্ন এক নাটক। দুই বন্ধুর ভাবনায়, অবশ্য তেমন তফাৎ থাকে না- যেহেতু বিচ্ছিন্নসব ব্যক্তিগত-পারিবারিক ইতিহাসই নির্মাণ করে জাতীয় ইতিহাস; এভাবে এগোতে থাকে গল্প। আর তৈরি হতে থাকে নাটকের শরীর- রক্ত-মাংস-শিরা-উপশিরা; চিহ্নিত হতে থাকে বিভ্রান্তি আর লজ্জার ঘা-পুঁজ-রক্তবমি। প্রকাশ পায় শিল্প-বিষয়ক ধারণা; বিবৃত হয় শিল্পী আর রাজনীতিবিদের দায় ও দায়িত্ব।

বিস্মৃতিপরায়ণ জাতি হিসেবে আমাদের একটা অপবাদ থাকলেও মাত্র আটচল্লিশ বছর আগের ঘটনা আমরা বেমালুম ভুলে যাব- তা কি করে সম্ভব? মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রজন্মের বিরাটসংখ্যক মানুষ এখনও বেঁচে আছেন এবং তাদের জীবদ্দশাতেই ইতিহাস-বিকৃতির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে- এই পরিস্থিতি লজ্জাকর ও অপমানজনক ঘটনা ছাড়া আর কিছু নয়। তাই, আমাদের, এই প্রজন্মের অনুভব শক্তিতে নির্ভর করে ওই অপচেষ্টার কবর দিতে হবে, নইলে জাতিগত দৃঢ়িকরণ আর কোনোদিন সম্ভব হবে না। আমরা জানি, আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস অত্যন্ত দীর্ঘ ও রক্তাক্ত। দীর্ঘ ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে এ দেশের অসংখ্য সূর্যসন্তান বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আন্দোলনকে এগিয়ে দিয়ে গেছে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণআন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন এবং সর্বশেষ ১৯৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধ- সবই এক সুতোয় বাঁধা।

নাটকের অভিনয় স্থান আর পাত্রপাত্রী নির্বাচন ও নামকরণে রয়েছে পরিবর্তন-প্রত্যাশার আভাস। ‘এ নাটকের অভিনয়স্থল দুটি। একটি নাট্যকারের ফ্ল্যাট, সমুখের ঘর- বসবার এবং তার লেখার। অপরটি শূন্য একটি স্থান।’ কুশীলব রয়েছে- নাট্যকার, নেতা, নাট্যকারের মেয়ে, বিপরীত-মানুষের দল, কয়েকজন যুবক, বৃদ্ধ, প্রৌঢ়, শিশু, মধ্যবয়সী নারী ও যুবতীরা এবং নাট্যকারের স্ত্রী। নানা বয়স ও পেশার মানুষের উপস্থিতি যেমন নির্দেশ করে স্বাভাবিক জীবনের আবহ, তেমনি বিপরীত-মানুষের দল ইঙ্গিত বহন করে প্রতিকূল চিন্তার বাস্তবতা; আর লেখার ঘর- যার অবস্থান সামনের দিকে, হয়তো শিল্পকলার বিকাশকে ধারণ করে। নাটকের শুরুতে ছাব্বিশ মার্চ, ধানমণ্ডি বত্রিশ নম্বর আর আরও অগ্রসর হয়ে চৌদ্দ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রের স্থপতি- জাতির জনকের হত্যাকাণ্ড- এসব প্রসঙ্গ খুব সহজভাবেই এ দেশের উদ্ভব আর স্খলন-দুর্ভাগ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। নাট্যকার আর নেতার উদ্দেশ্যও সরল এবং অভিন্ন। নেতার ভাষ্য: ‘মানুষই আমাদের উভয়ের লক্ষ্য এবং বিষয়- যদিও/এমন রাজনীতিও দেশে আছে, /দেশ বা মানুষ যার লক্ষ্য নয়-/ইতিহাস তাদের বিষয় নয়।/সেই ইতিহাসটা কতভাবেই না বিকৃত করে চলেছে/ওই ভ্রষ্ট রাজনীতিকের দল।...তোমাদের লেখায় অভিনয়ে গানে তোমরা তৈরি /করেছ জমি।/রোপণ করেছ বীজ। হাজার বছরের ভাঁড়ার থেকে বীজ।/আর আমরা রাজনীতির মানুষেরা তোমাদের বীজতলা থেকে/চারা তুলে ফসল করেছি- স্বাধীনতা আমরা ঘরে তুলেছি।’ নাট্যকার মনে করেন- মানুষকে যদি সত্য আর বিভ্রম সম্বন্ধে সজাগ করা যায়, দেখিয়ে দেয়া যায় ভুল আর অন্যায়সমূহ, মানুষের ভেতরে যদি জাগিয়ে তোলা যায় শিল্পের আলোকসভা- রঙ, স্বপ্নের আর বাস্তবের সৌকর্য, তাহলে সম্ভব ‘পাহাড়ের মতো দেয়াল’ অতিক্রম করে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি অর্জন। ‘সৎ আর অসতের পার্থক্য’, খাঁটি আর ভেজালের সত্যতা নির্ণয় করতে পারলে গোপন ইতিহাসের ভেতর থেকে বেরিয়ে পড়বে চপা-পড়া আগুন। তার মত হল- শিল্প আর রাজনীতি পরস্পরের সম্পূরক; একটি জাগায় বোধ, অন্যটি দেখায় পথ। নাট্যকার বলছেন নেতা বন্ধুকে:

শিল্প যখন আমাদেরকে স্পর্শ করে- ভেতরের ব্যক্তি জেগে ওঠে।

শিল্পের এটাই কাজ, বন্ধু, এটাই হচ্ছে কাজ।

শিল্পের কাজ নয়- তোমাদের বক্তৃতার ভাষায়- পথ দেখানো।

শিল্পের কাজ- ভেতরের ব্যক্তিকে জাগিয়ে তোলা।

রাজনীতির কাজ- ব্যক্তি নয়, সমষ্টিকে জাগিয়ে তোলা।

এই নাটকে বর্ণিত নাট্যকারের মধ্যেও রয়েছে এক এশীয় প্রবণতা- সত্যগোপনের চেষ্টা; তিনি তার জীবনে ঘটে যাওয়া নিবিড় কষ্টকে চেপে রাখতে চান। যে মানুষটি কবিতায় বা মঞ্চে উচ্চকণ্ঠ, তিনি কেন বাস্তব জীবনে সত্যকে গোপন করছেন; কেন তার এই বৈপরিত্য- এমন ভাবনা তার কন্যাকে বিচলিত করে তোলে। সত্য প্রকাশে সংকোচ কিংবা ভয় থেকে এমনতরো প্রবণতার জন্ম হতে পারে; হতে পারে পূর্বপুরুষের মানসিক জরাগ্রস্ততার উত্তরাধিকার। কিন্তু কেন? তার মেয়ে বলছে : ‘মায়ের গল্প, মায়ের কথা আমাকে অনেক তুমি বলেছ,/কিন্তু কখনই বলনি- মা কেন আত্মহত্যা করেছিল?’ নাট্যকারের স্ত্রী একাত্তরের অনেক ধর্ষিতা নারীর একজন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি তার অপমানের বিচার হতে দেখেননি; বরং দেখেছেন জাতির পিতাকে নৃশংসভাবে হত্যার ছবি, অবলোকন করেছেন বিবেচনারহিতের তাণ্ডব। নিজের জীবনের গানিকে, দেশের অগণন মানুষের অবদমিত লজ্জাকে বারবার আঘাতের শিকার হতে দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন এই মা। তাই তিনি নিজের গায়ে আগুন জ্বালিয়ে রাষ্ট্র ও জাতির সকল অক্ষমতাকে পুড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। নিজ ভূমিকে পরাধীনতার যন্ত্রণা থেকে বাঁচাতে যে জনগোষ্ঠী সংগ্রাম করেছে, সে জাতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারেনি; বরং তাদের উত্থানকে সহ্য করেছে প্রায় নীরবে- এই অবিশ্বাস্য সত্যকে মেনে নিতে পারেননি বীরাঙ্গনা এই নারী। তাই তার প্রতিবাদ; আত্মহননের পথে অবগাহন- সাড়ে তিন বছরের কন্যাশিশুকে পরিত্যাগ করে সংসারের সব মমতাকে পেছনে ফেলে সাহসের সঙ্গে আপন জীবন-অবসানের দায় গ্রহণ করেছেন।

সৈয়দ শামসুল হক বর্তমান নাটকে সৃষ্ট নেতা চরিত্রের মধ্য দিয়ে জাতিকে জানান দিতে চান যে, প্রয়োজনে আমাদের নতুন করে, প্রথম থেকে শুরু করতে হবে আন্দোলন-বিপ্লব, হত্যা-লুণ্ঠন-ধর্ষণ-স্বাধীনতাবিরোধিতার বিরুদ্ধে। গতিপথ-হারা আদর্শরহিত এ নিথর বাংলাদেশ আমাদের কাম্য ছিল না। রাষ্ট্রের স্থপতিকে হারানোর লজ্জা, তার মৃতদেহ দাফন করতে না পারার ব্যর্থতা আমাদের বহন করতে হবে অনন্তকাল। উত্তর প্রজন্ম নিশ্চয় সেই ব্যর্থতার দায় নেবে না; দোষ দেবে আমাদেরই। হয়তো উত্তরপ্রজন্ম বিচারের দায়িত্ব নেবে। এমন প্রত্যাশার কথা, প্রত্যয়ের কথা ব্যক্ত করেছেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ হক। জাতিসত্তার স্বরূপ উদঘাটনে ও প্রকাশে তার এই সদিচ্ছা আমাদেরকে নানাভাবে আশান্বিত করে। বর্তমান প্রজন্মকে যুদ্ধাপরাধের সমূহ দায় থেকে মুক্ত করার জন্য, সঠিক দায়িত্বটি পালন করার জন্য এবং জাতিকে ও রাষ্ট্রকে অগ্রগতির মহাসড়কে চলার পথ তৈরি করার জন্য জাতীয় চেতনার প্রতি বিশ্বস্ততার কোনো বিকল্প নেই- এই উপলব্ধির কথামালাই সাজিয়েছেন সৃজনশিল্পী।

নাট্যকারকে বারবার ফিরে যেতে দেখি স্বাধীনতা-সংগ্রামের আগের পটভূমিতে- তার নতুন গড়া সাজানো সংসার বাগানের ঠাণ্ডা শীতল শান্ত দিনগুলোতে। এখানে অবশ্য নিজেকে আড়াল করার ভূমিকায় অবতীর্ণ নন এ শিল্পী; বরং উদার স্থির জনজীবনের প্রত্যাশাকে ধারণ করেন তিনি। কঠিন বাস্তবতার বিপরীতে তিনি হয়তো বারবার খুঁজে ফেরেন তরুণ এক দম্পতির পরস্পরকে জানার নিভৃত দিনগুলোর মুছে-যাওয়া ছবি। মিথ্যের পাটাতনে সত্যের আলোককে, সামান্য করে হলেও- স্বপ্নের মতো করে হলেও, দেখে নিতে চান হয়তো। নাট্যকার আমাদের শেকড়বিমুখ প্রবণতার কথাও বলেছেন কৌশলে। গ্রাম ছেড়ে শহরে প্রবেশ করে আমরা যেমন বেমালুম ভুলে থাকি গ্রামকে, তেমনি সামনে পাড়ি জমিয়ে আমরা বিলকুল ভুলে গেছি আমাদের রাজনৈতিক প্রত্যয়ের ইতিহাস। সন্দেহ-অবিশ্বাস-অসহিষ্ণুতা আর কীর্তির মূল্যায়নে ব্যর্থতা- এসবই যেন আমাদের অর্জন! [নাট্যকারের অনুভবে দেশের দুর্ভাগ্য] কবিতায় নিমগ্ন শিল্পী সৈয়দ হক শিল্পের প্রেরণায় পরিশুদ্ধ করতে চান আমাদের অনুভব; মর্যাদা আর অধিকারের প্রত্যয় এবং চিন্তার মুক্তির পথ নির্মাণ করতে চান সত্য-উদ্ঘাটনের পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে। তিনি বলছেন-

নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠেছে আবৃত ইতিহাসের অন্ধকারে

বিকৃত ইতিহাস আর ধর্মলোপের জুজু যখন

জাপটে ধরে জাতিকে-

তখন বিশেষণ করবার অবকাশ আর মানুষ পাবে কী করে।

তিনি লক্ষ্য করেছেন বর্তমান প্রজন্ম মনে করে, আমাদের জাতিগত বুদ্ধিবৃত্তিক অসাবধানতার ফলে সৃষ্ট হয়েছে এ দুর্গতি। তাই কবি-নাট্যকারের পরামর্শ সব মূর্খতা, ভাবনার অপরিচ্ছন্নতা-শূন্যতা, অপ্রকাশ-অভিপ্রায় থেকে বেরিয়ে নেতৃত্বশূন্যতাকে দূর করার পথ ও প্রত্যয় নির্মাণ করতে হবে; অনাগত নেতার আগমনবার্তার আওয়াজ শোনার মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে; তৈরি করতে হবে নির্বিঘ্নে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা। সৈয়দ হক জানেন, নাটকের মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে আপামর জনতার কাছে মেসেজ পৌঁছানো সহজ; অন্তত কবিতা বা গল্প-উপন্যাসের চেয়ে এটা বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তাই বর্তমান নাটকে মানুষকে জাগিয়ে তোলার তীব্র-উজ্জ্বল অভিপ্রায়, দায় আর দাবির আশাবাদ তিনি প্রকাশ করেছেন আপন যন্ত্রণার-ব্যর্থতার গানিমোচনের ইচ্ছাকে মনে রেখে। এ কাব্যনাট্যটির প্রায় শেষাংশে বর্ণিত নাট্যকারের মেয়ের সংলাপে প্রকাশ পেয়েছে সৈয়দ হকের আকাক্সক্ষা। মেয়েটি বলছে :

তোমরা শান্ত হও, শান্ত হও, হে অশান্ত আত্মা,

আমার মা, আমার বোন, আমার ভাই, আমার পূর্বপুরুষেরা,

আমি উত্তরবংশের মেয়ে, আমরাই করব বিচার।/বাবা, আমি তোমার উত্তরপ্রজন্ম- তোমরা যেখানে ব্যর্থ,

আমরা সেখানে হতে চাই সফল।

নতুন প্রজন্মের কাছে এ এক ভিন্নতর বারতা, অনাগত মানবশিশুর জন্য এক অনিবার্য প্রেরণা; অনুভবকে শাণিত করার শক্তি। জয়তু সৈয়দ শামসুল হক, জয়তু উত্তরবংশ!

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×