মূল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহীরূহ হওয়ার প্রয়াস: আনিসুর রহমান স্বপন
jugantor
মূল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহীরূহ হওয়ার প্রয়াস: আনিসুর রহমান স্বপন

  জুননু রাইন  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্ম ১৯৫৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকায়। বেড়ে ওঠা বরিশাল শহরে। ১৯৮৬ সালে তেহরানে চলে যান এবং ১৯৯৬ পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। তখন তিনি ইসলামিক প্রপাগেশন অর্গানাইজেশনে অনুবাদক, রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে অনুবাদক, ঘোষক, সংবাদ পাঠক, সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘ডেইলি তেহরান টাইমস’ পত্রিকায় কাজ করেন। ১৯৭০ সালে ঢাকা ডাইজেস্ট পত্রিকায় ‘সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি শিল্প’ এবং ‘হজরত মূসা (আ.)-এর সমৃদ্র অতিক্রম ও ফেরাউনের সলিল সমাধি’ শিরোনামে দুটি অনুবাদ কর্র্মের মাধ্যমে তার লেখক জীবনের আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৩ সালে বরিশাল থেকে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিক গণডাক’ পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিক জীবনের শুরু। বর্তমানে ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের বরিশাল প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। তিনি বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। বাংলা একাডেমি, বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি ও এফপিএবি বরিশালের আজীবন সদস্য। প্রকাশিত গ্রন্থ ফার্সি ভাষার ব্যাকরণ (১৯৯০), পারস্যে রবীন্দ্রচর্চা (১৯৯৩), বাংলাদেশে ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য (১৯৯৫), পারস্যে রবীন্দ্রনাথ (২০১৭), একটি মোরগের কাহিনি (অনুবাদ,১৯৮৬), পারলৌকিক জীবন (অনুবাদ : ১৯৮৭) এবং তাহেরেহ সফরজাদেহ : স্বনির্বাচিত কবিতা (অনুবাদ : ১৯৯১)।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : জুননু রাইন

লেখক হওয়ার জন্য শহরে চলে আসার প্রবনতাকে কীভাবে দেখেন?

: মূল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহীরূহ হওয়ার প্রয়াস, যা মানোত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কৃত্রিম আয়াস মাত্র।

বরিশালের সাহিত্য অতীতের তুলনায় বেশি না কম সক্রিয়? এ সক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয়তা কারণ

: কারণ প্রকাশনা, আড্ডা, মতবিনিময় এবং চর্চার সীমিত পরিসর দিন দিন আরও সংকুচিত হয়ে আসছে। বিভাগীয় শহরে স্থানীয় দৈনিকের সংখ্যা অর্ধশত ছুঁই ছুঁই, কিন্তু মানসম্মত তো দূরের কথা, হাতে তুলে নেওয়ার মতো সাহিত্য পত্রপত্রিকা এখনো চোখের আড়ালে। বিশেষ দিন বা দিবস উপলক্ষে স্মরণিকা বা সাহিত্য-সাময়িকীর প্রকাশনা এখন বিস্মৃতপ্রায়।

আগে প্রায় প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল ম্যাগাজিন বেরোত। এখন অনেক কমে গেছে, হয় না বললেই চলে। এ অবস্থা আমাদের শিল্পসাহিত্যে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে? এ থেকে উত্তরণের উপায়?

: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাময়িকী প্রকাশনার, বার্ষিকী বাবদ ফিস আদায় করা হলেও, আলোর মুখ দেখার মতো সৌভাগ্য খুব কম প্রকাশনাই হয়েছে তৃণমূল হতে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই। অথচ ছাত্রসংসদ রয়েছে, আছে সাহিত্য-সাময়িকী সম্পাদকের মতো পদও। কিন্তু কার্যকারিতার অভাবে তা এক অর্থহীন অলঙ্কার, অবলুপ্ত-প্রায় প্রজাতি হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে তা আমাদের শিল্পসাহিত্যের ক্ষেত্র কর্ষণ বা খরাজনিত বন্ধ্যত্ব বাড়তেই থাকবে। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে চর্চার সেই ক্ষেত্রগুলোর পুনরুজ্জীবন, বিশেষত যেখানে শিক্ষার্থীরাই জোগান দিচ্ছে এর আর্থিক সামর্থ্য আর লেখার মতো কাঁচামাল।

বর্তমান সাহিত্যে কোন বিষয়গুলো প্রধান্য পাচ্ছে। কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত?

: বর্তমান সাহিত্যের প্রাধান্য বিস্তারকারী প্রধান বিষয় হচ্ছে সহজ ‘তাৎক্ষণিকতা’ এবং সস্তায় ‘জন-মনোরঞ্জনে’র লালসা। কিন্তু প্রাধান্য পাওয়া উচিত কাল বা যুগোত্তীর্ণ হওয়ার নিরন্তর প্রয়াস ও অনুশীলন। সাহিত্যে পাঠাভ্যাস তৈরি, আড্ডা, আলোচনা, মতবিনিময়ের চর্চা দৈনন্দিন জীবন-চর্চার বিষয় হওয়া উচিত।

দীর্ঘ সাহিত্য-জীবনের অভিজ্ঞতায় বর্তমান সময়ে মানুষের মননশীলতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন

: মানুষের মননশীলতার চর্চা ও বিকাশের সুযোগ বাড়ছে প্লাবনের মতো, কিন্তু প্লাবিত জল প্রবাহ সরে গেলেই জেগে উঠছে চর। জেগে ওঠা এ চরের জমি উর্বরা হলেও, কর্ষণ, বপন ও যত্নের অভাবে তাতে শুধুই জš§াচ্ছে আগাছা, ঢেকে ফেলছে সুফলা ফসল। কমছে সময়, যুগ, জীবনকে নির্মোহভাবে ফুটিয়ে তোলার প্রয়াস।

আমাদের বর্তমান সাহিত্যে প্রকৃতি মানুষ জীবন কতটা নিজস্ব সৌন্দর্যে বহমান, কতটা বিকৃতির শিকার? কী কারণে হচ্ছে?

: ‘প্রকৃতি মানুষ জীবন’-এর চর্চা আমাদের বর্তমান সাহিত্যে এক সৌন্দর্যহীন বিকৃতির শিকার বস্তুতান্ত্রিকতা, বাস্তবতা আর জীবনমুখিতা চর্চার নামে, অজুহাতে। বর্তমানে অন্তর্জালের বিস্তৃতির অজুহাতে বাড়ছে মৌলিকতার বদলে অনুসরণের প্রভাবে প্রভাবিত হওয়ায় কৃত্রিমতার চর্চা।

প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য কতটা ভালো কতটা মন্দ?

: প্রযুক্তি জীবনের পথ পরিক্রমাকে আগের তুলনায় সহজতর করেছে ও করছে। অন্তর্জাল আমাদের জীবনকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেলেছে। অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো নিশ্চয়ই এর ভালো-মন্দ এবং এর মাত্রা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর মানসিকতা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ওপর। সাহিত্য এবং সাহিত্যিকও এ থেকে ব্যতিক্রমী হতে পারেন না।

বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক কেমন? কেমন হওয়া উচিত?

: রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক এখন সুস্থ স্বাভাবিকতার ঊর্ধ্বে। এ সম্পর্ক এখন সর্বত্রগামী তৈলাক্ত তোষামোদির সিক্ততায় পিচ্ছিল। তাতে অহরহ ফসকে যাচ্ছে জীবনের সুফলগুলো। অথচ রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক হওয়া উচিত ছিল পরস্পরের সম্পূরক, কেননা রাষ্ট্রের জন্য যেমন জনগণ, তেমনি জনগণের শৃঙ্খলা ও সম্পদের কল্যাণকর সুষম বণ্টনের নিশ্চয়তার জন্যই রাষ্ট্র।

মূল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহীরূহ হওয়ার প্রয়াস: আনিসুর রহমান স্বপন

 জুননু রাইন 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্ম ১৯৫৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকায়। বেড়ে ওঠা বরিশাল শহরে। ১৯৮৬ সালে তেহরানে চলে যান এবং ১৯৯৬ পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। তখন তিনি ইসলামিক প্রপাগেশন অর্গানাইজেশনে অনুবাদক, রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে অনুবাদক, ঘোষক, সংবাদ পাঠক, সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘ডেইলি তেহরান টাইমস’ পত্রিকায় কাজ করেন। ১৯৭০ সালে ঢাকা ডাইজেস্ট পত্রিকায় ‘সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি শিল্প’ এবং ‘হজরত মূসা (আ.)-এর সমৃদ্র অতিক্রম ও ফেরাউনের সলিল সমাধি’ শিরোনামে দুটি অনুবাদ কর্র্মের মাধ্যমে তার লেখক জীবনের আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৩ সালে বরিশাল থেকে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিক গণডাক’ পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিক জীবনের শুরু। বর্তমানে ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের বরিশাল প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। তিনি বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। বাংলা একাডেমি, বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি ও এফপিএবি বরিশালের আজীবন সদস্য। প্রকাশিত গ্রন্থ ফার্সি ভাষার ব্যাকরণ (১৯৯০), পারস্যে রবীন্দ্রচর্চা (১৯৯৩), বাংলাদেশে ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য (১৯৯৫), পারস্যে রবীন্দ্রনাথ (২০১৭), একটি মোরগের কাহিনি (অনুবাদ,১৯৮৬), পারলৌকিক জীবন (অনুবাদ : ১৯৮৭) এবং তাহেরেহ সফরজাদেহ : স্বনির্বাচিত কবিতা (অনুবাদ : ১৯৯১)।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : জুননু রাইন

লেখক হওয়ার জন্য শহরে চলে আসার প্রবনতাকে কীভাবে দেখেন?

: মূল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহীরূহ হওয়ার প্রয়াস, যা মানোত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কৃত্রিম আয়াস মাত্র।

বরিশালের সাহিত্য অতীতের তুলনায় বেশি না কম সক্রিয়? এ সক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয়তা কারণ

: কারণ প্রকাশনা, আড্ডা, মতবিনিময় এবং চর্চার সীমিত পরিসর দিন দিন আরও সংকুচিত হয়ে আসছে। বিভাগীয় শহরে স্থানীয় দৈনিকের সংখ্যা অর্ধশত ছুঁই ছুঁই, কিন্তু মানসম্মত তো দূরের কথা, হাতে তুলে নেওয়ার মতো সাহিত্য পত্রপত্রিকা এখনো চোখের আড়ালে। বিশেষ দিন বা দিবস উপলক্ষে স্মরণিকা বা সাহিত্য-সাময়িকীর প্রকাশনা এখন বিস্মৃতপ্রায়।

আগে প্রায় প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল ম্যাগাজিন বেরোত। এখন অনেক কমে গেছে, হয় না বললেই চলে। এ অবস্থা আমাদের শিল্পসাহিত্যে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে? এ থেকে উত্তরণের উপায়?

: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাময়িকী প্রকাশনার, বার্ষিকী বাবদ ফিস আদায় করা হলেও, আলোর মুখ দেখার মতো সৌভাগ্য খুব কম প্রকাশনাই হয়েছে তৃণমূল হতে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই। অথচ ছাত্রসংসদ রয়েছে, আছে সাহিত্য-সাময়িকী সম্পাদকের মতো পদও। কিন্তু কার্যকারিতার অভাবে তা এক অর্থহীন অলঙ্কার, অবলুপ্ত-প্রায় প্রজাতি হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে তা আমাদের শিল্পসাহিত্যের ক্ষেত্র কর্ষণ বা খরাজনিত বন্ধ্যত্ব বাড়তেই থাকবে। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে চর্চার সেই ক্ষেত্রগুলোর পুনরুজ্জীবন, বিশেষত যেখানে শিক্ষার্থীরাই জোগান দিচ্ছে এর আর্থিক সামর্থ্য আর লেখার মতো কাঁচামাল।

বর্তমান সাহিত্যে কোন বিষয়গুলো প্রধান্য পাচ্ছে। কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত?

: বর্তমান সাহিত্যের প্রাধান্য বিস্তারকারী প্রধান বিষয় হচ্ছে সহজ ‘তাৎক্ষণিকতা’ এবং সস্তায় ‘জন-মনোরঞ্জনে’র লালসা। কিন্তু প্রাধান্য পাওয়া উচিত কাল বা যুগোত্তীর্ণ হওয়ার নিরন্তর প্রয়াস ও অনুশীলন। সাহিত্যে পাঠাভ্যাস তৈরি, আড্ডা, আলোচনা, মতবিনিময়ের চর্চা দৈনন্দিন জীবন-চর্চার বিষয় হওয়া উচিত।

দীর্ঘ সাহিত্য-জীবনের অভিজ্ঞতায় বর্তমান সময়ে মানুষের মননশীলতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন

: মানুষের মননশীলতার চর্চা ও বিকাশের সুযোগ বাড়ছে প্লাবনের মতো, কিন্তু প্লাবিত জল প্রবাহ সরে গেলেই জেগে উঠছে চর। জেগে ওঠা এ চরের জমি উর্বরা হলেও, কর্ষণ, বপন ও যত্নের অভাবে তাতে শুধুই জš§াচ্ছে আগাছা, ঢেকে ফেলছে সুফলা ফসল। কমছে সময়, যুগ, জীবনকে নির্মোহভাবে ফুটিয়ে তোলার প্রয়াস।

আমাদের বর্তমান সাহিত্যে প্রকৃতি মানুষ জীবন কতটা নিজস্ব সৌন্দর্যে বহমান, কতটা বিকৃতির শিকার? কী কারণে হচ্ছে?

: ‘প্রকৃতি মানুষ জীবন’-এর চর্চা আমাদের বর্তমান সাহিত্যে এক সৌন্দর্যহীন বিকৃতির শিকার বস্তুতান্ত্রিকতা, বাস্তবতা আর জীবনমুখিতা চর্চার নামে, অজুহাতে। বর্তমানে অন্তর্জালের বিস্তৃতির অজুহাতে বাড়ছে মৌলিকতার বদলে অনুসরণের প্রভাবে প্রভাবিত হওয়ায় কৃত্রিমতার চর্চা।

প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য কতটা ভালো কতটা মন্দ?

: প্রযুক্তি জীবনের পথ পরিক্রমাকে আগের তুলনায় সহজতর করেছে ও করছে। অন্তর্জাল আমাদের জীবনকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেলেছে। অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো নিশ্চয়ই এর ভালো-মন্দ এবং এর মাত্রা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর মানসিকতা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ওপর। সাহিত্য এবং সাহিত্যিকও এ থেকে ব্যতিক্রমী হতে পারেন না।

বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক কেমন? কেমন হওয়া উচিত?

: রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক এখন সুস্থ স্বাভাবিকতার ঊর্ধ্বে। এ সম্পর্ক এখন সর্বত্রগামী তৈলাক্ত তোষামোদির সিক্ততায় পিচ্ছিল। তাতে অহরহ ফসকে যাচ্ছে জীবনের সুফলগুলো। অথচ রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক হওয়া উচিত ছিল পরস্পরের সম্পূরক, কেননা রাষ্ট্রের জন্য যেমন জনগণ, তেমনি জনগণের শৃঙ্খলা ও সম্পদের কল্যাণকর সুষম বণ্টনের নিশ্চয়তার জন্যই রাষ্ট্র।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : প্রান্তছোঁয়া আকাশ

১৫ অক্টোবর, ২০২১
১৫ অক্টোবর, ২০২১
১৫ অক্টোবর, ২০২১
১৫ অক্টোবর, ২০২১
১৫ অক্টোবর, ২০২১
১৫ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১
০৮ অক্টোবর, ২০২১