টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের পুরস্কার দেওয়া হয়: মুজিবুল হক কবীর
jugantor
টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের পুরস্কার দেওয়া হয়: মুজিবুল হক কবীর

  জুননু রাইন  

০১ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্ম ১১ এপ্রিল, ১৯৫২, নারায়ণগঞ্জ, পাইকপাড়া। মুজিবুল হক কবীরের কবিতায় বহির্বাস্তবতার আন্দোলন আর অন্তর্লোকের আলোড়ন টের পাওয়া যায়। কাব্য শরীরের বিবিধ বিন্যাস আর সুডোলতা তার কবিতাকে নিয়ে গেছে পাঠকহৃদয়ের গভীরতম সীমান্তে। আত্ম-অতিক্রমকারী কবীরের কবিতা। দশকের বিচারে তিনি সত্তর দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য : পা যে আমার অনড় পাথর, ললাপামুদ্রা ও অন্যান্য কবিতা, আমি ও আমার প্রতিবিম্ব, রাতের শিরায় আগুন, জলের অদ্ভুত সংগীত, অগ্নিগর্ভ দিন।

প্রবন্ধ : ছন্দের ঘরবাড়ি, ছন্দের মায়ামৃগ ও অন্যান্য ভাবনা, পর্ব থেকে পর্বান্তরে। শিশুতোষ : হাওয়াই পদ্য, আকাশের জানালা, সাধের ভেলায় (মূল; মায়াকোভস্কি) অনুবাদ, সোনালি কাক, অনুবাদ, যৌথ সম্পাদিত গ্রহ : আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : ফিরে দেখা

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : জুননু রাইন

লেখক হওয়ার জন্য শহরে চলে আসার প্রবণতাকে কীভাবে দেখেন?

: এক সময়ে সাহিত্যচর্চা ছিল রাজধানীকেন্দ্রিক। সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য লেখকরা নগরে ছুটে আসতেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহজলভ্য হওয়ায় লেখকদের শহরমুখী না হলেও চলে।

পুরস্কার বা সংগঠন সাহিত্যের কী উপকার আর কী অপকার করতে পারে?

: পুরস্কার একজন লেখককে উজ্জীবিত করে, প্রাণিত করে, আবার এমনও দেখা যায়, পুরস্কার পাওয়ার পর লেখকের প্রদর্শনকামিতা, প্রচার-প্রসার বেড়ে যায়। যোগ্যতা না থাকলেও বর্তমানে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের পুরস্কার দেওয়া হয়।

কবিতা দুর্বোধ্য হচ্ছে না কবিতা পড়তে পারার পাঠক কমেছে?

: কবিতা হচ্ছে একটি সূক্ষ্ম শিল্প মাধ্যম। কবি-প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল কবিতা। একজন কবি ইচ্ছা করলেই পরিমিত আবেগ ও মননের মধ্য দিয়ে কবিতা নির্মাণ করতে পারেন। পাঠক যদি বিদ্যাবুদ্ধিতে ঋদ্ধ না হন, নিজেকে যদি মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে না পারেন তাহলে তো কবিতা তার কাছে দুর্বোধ্য হিসাবেই বিবেচিত হবে। কবিতার পাঠক সব যুগেই কম ছিল। বর্তমানে কবিতা পড়তে পারার পাঠক সাহিত্যের অন্যান্য শাখার চেয়ে কমেছে। অবশ্য কিছু কিছু কবির কবিতার পাঠক ধীরে ধীরে বাড়ছে।

নারায়ণগঞ্জের সাহিত্য অতীতের তুলনায় বেশি না কম সক্রিয়? এ সক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয়তার কারণ?

: অতীতের তুলনায় বর্তমানে নারায়গঞ্জের সাহিত্যচর্চা কম হচ্ছে বলা যাবে না। যদিও সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা কমেছে, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা চলছে। বর্তমানে সাহিত্যচর্চা অনেকটাই ফেসবুক, অনলাইন মাধ্যম ও ওয়েবসাইটনির্ভর।

আগে প্রায় প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল ম্যগাজিন বেরোতো। এখন হচ্ছে না বললেই চলে। এ অবস্থা আমাদের শিল্পসাহিত্যে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে? এর থেকে উত্তরণের উপায়?

: শিক্ষার্থীদের সুকুমারবৃত্তি বিকাশের জন্য, জ্ঞানের জগৎকে বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজন একটি ম্যাগাজিন। এটা যদি না থাকে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, কল্পনার স্তরটা আমরা বুঝতে পারব না, পরে লেখক হওয়ার যদি স্বপ্ন থাকে তা-ও ভেস্তে যাবে।

বর্তমান সাহিত্যে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত?

: প্রাধান্য পাচ্ছে মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট, যন্ত্রণা, উচ্চবিত্ত জীবনের কিছু খণ্ডচিত্র, আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক উপাদান। নিুবর্গের মানুষের জীবন ও জগতের কথা প্রাধান্য পাওয়া উচিত, সেই সঙ্গে মনোলৌকিক জগতের দর্শনটাও থাকা প্রয়োজন, প্রয়োজন অনুবাদ-সাহিত্য।

দীর্ঘ সাহিত্য-জীবনের অভিজ্ঞতায় বর্তমান সময়ে মানুষের মননশীলতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন...

: সব মানুষের মননশীলতার স্তরটা এক রকম নয়। বুদ্ধিদীপ্ত, যুক্তিসম্মত চিন্তাচেতনা দ্বারা বিচার-বিশ্লেষণ করে চালিত হওয়ার স্বভাবকে বোঝায় মননশীলতা অর্থাৎ বৌদ্ধিক বিষয়টি ক্রিয়াকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রয়োজন।

আমাদের বর্তমান সাহিত্যে প্রকৃতি মানুষ জীবন কতটা নিজস্ব সৌন্দর্যে বহমান, কতটা বিকৃতির শিকার? কী কারণে হচ্ছে?

: সৌন্দর্যের দুটো দিক-একটি বাহ্য-সৌন্দর্য, অন্যটি আন্তর-সৌন্দর্য। প্রকৃতি, মানুষ, জীবনধারা এক সুতায় অনেকাংশে বাঁধা আবার অনেকটা বাঁধাও নয়। ব্যক্তিবিশেষে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সৌন্দর্যের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ হতে পারে। বর্তমান সাহিত্যে সৌন্দর্যবোধের জগৎটি সম্প্রসারিত হচ্ছে অনুভূতির সামগ্রী হিসাবে। বহু আগেও এ মর্মসত্যটি ছিল। রুচিবোধের তারতম্যের ওপর নির্ভরশীল বিকৃতি, অশ্লীলতা, যৌনতা। অসুন্দর বিষয়কেও সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় সাহিত্য-শিল্পে, যাতে প্রকাশ পায় সৌন্দর্য-বিভা।

প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য কতটা ভালো কতটা মন্দ?

: প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য খুবই ভালো। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ভার্চুয়াল জগতের ক্ষেত্রে দূরত্বটা থেকে যায়। মন্দের দিকটা হলো-১৮ বছর বয়সের নিচে ছেলেমেয়েরা যখন স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন তাদের স্নায়ুকোষ, স্মৃতিকোষ ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি মাত্রায় কম্পিউটার চালালেও মেরুদণ্ড ও চোখে চাপ পড়ে।

বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক কেমন? কেমন হওয়া উচিত?

: রাষ্ট্র ও জনগণ অবিচ্ছেদ্য অংশ। জনগণ চায় রাষ্ট্রের কাছে অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সার্বিক উন্নয়ন। সেটা তো হচ্ছেই। জনগণ চায় একটি কল্যাণমুখী সুন্দর রাষ্ট্র।

টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের পুরস্কার দেওয়া হয়: মুজিবুল হক কবীর

 জুননু রাইন 
০১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্ম ১১ এপ্রিল, ১৯৫২, নারায়ণগঞ্জ, পাইকপাড়া। মুজিবুল হক কবীরের কবিতায় বহির্বাস্তবতার আন্দোলন আর অন্তর্লোকের আলোড়ন টের পাওয়া যায়। কাব্য শরীরের বিবিধ বিন্যাস আর সুডোলতা তার কবিতাকে নিয়ে গেছে পাঠকহৃদয়ের গভীরতম সীমান্তে। আত্ম-অতিক্রমকারী কবীরের কবিতা। দশকের বিচারে তিনি সত্তর দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য : পা যে আমার অনড় পাথর, ললাপামুদ্রা ও অন্যান্য কবিতা, আমি ও আমার প্রতিবিম্ব, রাতের শিরায় আগুন, জলের অদ্ভুত সংগীত, অগ্নিগর্ভ দিন।

প্রবন্ধ : ছন্দের ঘরবাড়ি, ছন্দের মায়ামৃগ ও অন্যান্য ভাবনা, পর্ব থেকে পর্বান্তরে। শিশুতোষ : হাওয়াই পদ্য, আকাশের জানালা, সাধের ভেলায় (মূল; মায়াকোভস্কি) অনুবাদ, সোনালি কাক, অনুবাদ, যৌথ সম্পাদিত গ্রহ : আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : ফিরে দেখা

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : জুননু রাইন

লেখক হওয়ার জন্য শহরে চলে আসার প্রবণতাকে কীভাবে দেখেন?

: এক সময়ে সাহিত্যচর্চা ছিল রাজধানীকেন্দ্রিক। সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য লেখকরা নগরে ছুটে আসতেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহজলভ্য হওয়ায় লেখকদের শহরমুখী না হলেও চলে।

পুরস্কার বা সংগঠন সাহিত্যের কী উপকার আর কী অপকার করতে পারে?

: পুরস্কার একজন লেখককে উজ্জীবিত করে, প্রাণিত করে, আবার এমনও দেখা যায়, পুরস্কার পাওয়ার পর লেখকের প্রদর্শনকামিতা, প্রচার-প্রসার বেড়ে যায়। যোগ্যতা না থাকলেও বর্তমানে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের পুরস্কার দেওয়া হয়।

কবিতা দুর্বোধ্য হচ্ছে না কবিতা পড়তে পারার পাঠক কমেছে?

: কবিতা হচ্ছে একটি সূক্ষ্ম শিল্প মাধ্যম। কবি-প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল কবিতা। একজন কবি ইচ্ছা করলেই পরিমিত আবেগ ও মননের মধ্য দিয়ে কবিতা নির্মাণ করতে পারেন। পাঠক যদি বিদ্যাবুদ্ধিতে ঋদ্ধ না হন, নিজেকে যদি মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে না পারেন তাহলে তো কবিতা তার কাছে দুর্বোধ্য হিসাবেই বিবেচিত হবে। কবিতার পাঠক সব যুগেই কম ছিল। বর্তমানে কবিতা পড়তে পারার পাঠক সাহিত্যের অন্যান্য শাখার চেয়ে কমেছে। অবশ্য কিছু কিছু কবির কবিতার পাঠক ধীরে ধীরে বাড়ছে।

নারায়ণগঞ্জের সাহিত্য অতীতের তুলনায় বেশি না কম সক্রিয়? এ সক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয়তার কারণ?

: অতীতের তুলনায় বর্তমানে নারায়গঞ্জের সাহিত্যচর্চা কম হচ্ছে বলা যাবে না। যদিও সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা কমেছে, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা চলছে। বর্তমানে সাহিত্যচর্চা অনেকটাই ফেসবুক, অনলাইন মাধ্যম ও ওয়েবসাইটনির্ভর।

আগে প্রায় প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল ম্যগাজিন বেরোতো। এখন হচ্ছে না বললেই চলে। এ অবস্থা আমাদের শিল্পসাহিত্যে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে? এর থেকে উত্তরণের উপায়?

: শিক্ষার্থীদের সুকুমারবৃত্তি বিকাশের জন্য, জ্ঞানের জগৎকে বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজন একটি ম্যাগাজিন। এটা যদি না থাকে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, কল্পনার স্তরটা আমরা বুঝতে পারব না, পরে লেখক হওয়ার যদি স্বপ্ন থাকে তা-ও ভেস্তে যাবে।

বর্তমান সাহিত্যে কোন বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত?

: প্রাধান্য পাচ্ছে মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট, যন্ত্রণা, উচ্চবিত্ত জীবনের কিছু খণ্ডচিত্র, আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক উপাদান। নিুবর্গের মানুষের জীবন ও জগতের কথা প্রাধান্য পাওয়া উচিত, সেই সঙ্গে মনোলৌকিক জগতের দর্শনটাও থাকা প্রয়োজন, প্রয়োজন অনুবাদ-সাহিত্য।

দীর্ঘ সাহিত্য-জীবনের অভিজ্ঞতায় বর্তমান সময়ে মানুষের মননশীলতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন...

: সব মানুষের মননশীলতার স্তরটা এক রকম নয়। বুদ্ধিদীপ্ত, যুক্তিসম্মত চিন্তাচেতনা দ্বারা বিচার-বিশ্লেষণ করে চালিত হওয়ার স্বভাবকে বোঝায় মননশীলতা অর্থাৎ বৌদ্ধিক বিষয়টি ক্রিয়াকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রয়োজন।

আমাদের বর্তমান সাহিত্যে প্রকৃতি মানুষ জীবন কতটা নিজস্ব সৌন্দর্যে বহমান, কতটা বিকৃতির শিকার? কী কারণে হচ্ছে?

: সৌন্দর্যের দুটো দিক-একটি বাহ্য-সৌন্দর্য, অন্যটি আন্তর-সৌন্দর্য। প্রকৃতি, মানুষ, জীবনধারা এক সুতায় অনেকাংশে বাঁধা আবার অনেকটা বাঁধাও নয়। ব্যক্তিবিশেষে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সৌন্দর্যের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ হতে পারে। বর্তমান সাহিত্যে সৌন্দর্যবোধের জগৎটি সম্প্রসারিত হচ্ছে অনুভূতির সামগ্রী হিসাবে। বহু আগেও এ মর্মসত্যটি ছিল। রুচিবোধের তারতম্যের ওপর নির্ভরশীল বিকৃতি, অশ্লীলতা, যৌনতা। অসুন্দর বিষয়কেও সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় সাহিত্য-শিল্পে, যাতে প্রকাশ পায় সৌন্দর্য-বিভা।

প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য কতটা ভালো কতটা মন্দ?

: প্রযুক্তির ব্যবহার সাহিত্যের জন্য খুবই ভালো। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ভার্চুয়াল জগতের ক্ষেত্রে দূরত্বটা থেকে যায়। মন্দের দিকটা হলো-১৮ বছর বয়সের নিচে ছেলেমেয়েরা যখন স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন তাদের স্নায়ুকোষ, স্মৃতিকোষ ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি মাত্রায় কম্পিউটার চালালেও মেরুদণ্ড ও চোখে চাপ পড়ে।

বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক কেমন? কেমন হওয়া উচিত?

: রাষ্ট্র ও জনগণ অবিচ্ছেদ্য অংশ। জনগণ চায় রাষ্ট্রের কাছে অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সার্বিক উন্নয়ন। সেটা তো হচ্ছেই। জনগণ চায় একটি কল্যাণমুখী সুন্দর রাষ্ট্র।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : প্রান্তছোঁয়া আকাশ

০৩ ডিসেম্বর, ২০২১
০৩ ডিসেম্বর, ২০২১
০৩ ডিসেম্বর, ২০২১
০৫ নভেম্বর, ২০২১
০৫ নভেম্বর, ২০২১
০৫ নভেম্বর, ২০২১
২৯ অক্টোবর, ২০২১
২৯ অক্টোবর, ২০২১
২৯ অক্টোবর, ২০২১