মাতৃভাষার উন্নতি ছাড়া একটি দেশ ও জাতির উন্নতি কল্পনাও করা যায় না : খালিকুজ্জামান ইলিয়াস

  যুগান্তর ডেস্ক    ৩১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

খালিকুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৯ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক। হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি অর্জন করেন ১৯৮৯ সালে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। বর্তমানে নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করছেন। তার উল্লেখযোগ্য অনুবাদগ্রন্থ : রাসোমন (১৯৮২), গালিভারের ভ্রমণকাহিনী (১৯৮৫), মিথের শক্তি (১৯৯৬), পেয়ারার সুবাস (২০০২), গোল্ডেন বাউ ইত্যাদি। ভাষা চর্চা, বাংলা ভাষার বর্তমান অবস্থা এবং অনুবাদ সাহিত্য নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন কমাল হোসেন। সেই কথোপকথনের অংশ বিশেষ পত্রস্থ হল।

অনেকবারই সর্বস্তরে বাংলার প্রচলনের কথা উঠেছে, কিন্তু কাজটি হয়নি

খালিকুজ্জামান ইলিয়াস : স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু ক্ষমতায় এসে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের ঘোষণা দেন। এটি অবশ্যই একটি সাহসী এবং সময়োপযোগী ঘোষণা ছিল। তার মতো নেতার কাছ থেকে জাতি এমনটিই আশা করেছে। কিন্তু যে ঘাটতি তখন দেখা দেয় তা হল- সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের কোনো প্রস্তুতিই আমাদের ছিল না। বাংলা একাডেমি ছিল। কিন্তু শক্তিশালী অনুবাদ সেল ছিল না। পাঠ্যপুস্তক ছিল ইংরেজি ভাষায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন সাইন্স এবং অন্যান্য বিষয় পড়ানো হতো ওই ইংরেজি ভাষাতেই। প্রশাসনিক কার্যক্রমও চলত ইংরেজি ভাষায়। এককথায় সরকারি অফিসের কাজকর্ম সবই চলত ইংরেজি ভাষায়। তখন যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক এবং অফিসিয়াল কাজ বাংলা ভাষায় করা যেত, তবে বাংলাদেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে যেত। মাতৃভাষার উন্নতি ছাড়া একটি দেশ ও জাতির উন্নতি কল্পনাও করা যায় না। উন্নত বিশ্বে যেসব দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারা সবাই মাতৃভাষার মাধ্যমেই নিজেদের পুরোশিক্ষা পদ্ধতি পরিচালনা করেছে। উদাহরণ হিসেবে চীন-জাপানের কথা আমরা বলতে পারি। মাতৃভাষার হাত ধরেই তারা বিশ্বের বুকে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

তার মানে ঘোষণাটি পরিকল্পিত ছিল না?

: পরিকল্পনার চেয়ে তখন আবেগ কাজ করেছে বেশি। নতুন দেশ। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন হবে- এ আবেগ থেকেই বঙ্গবন্ধু ঘোষণাটি দিয়েছিলেন।

একেবারেই প্রস্তুতি ছাড়া এরকম ঘোষণা দেয়া...

: ঠিকই আছে। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধও তো প্রস্তুতি ছাড়াই হয়েছে। আসলে এগুলো প্রস্তুতি নিয়ে হয় না। এভাবেই হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু তো মাত্র তিন বছর ক্ষমতায় ছিলেন। আরও কিছু সময় পেলে হয়তো সব কিছু গুছিয়ে আনতেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, ইতিহাস এরপর অন্য দিকে মোড় নিয়েছে।

আপনি তো ইংরেজি পড়াচ্ছেন। অনেকেই মনে করে ইংরেজি মাধ্যমে পড়া ছাড়া ইংরেজি ভাষা-সাহিত্য রপ্ত করা সম্ভব নয়- এ ধারণা কতটুকু সঠিক?

: এরকম চিন্তা-চেতনার কোনো ভিত্তি নেই। ইংরেজি ভাষা শিখতে হবে, তাই বলে জোর করে কাউকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়তে দেয়া কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? ক্লাসে আমি ইংলিশে লেকচার দিই, ফাঁকে ফাঁকে বাংলাও বলি। বাংলা বললে দেখা যায়, ছেলেমেয়েদের মধ্যে একধরনের স্বস্তি কাজ করে। তারা খুব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ভাষা শেখাতে দোষ নেই। কিন্তু ভাষা গেলানোটা বোধ হয় দোষের।

ভাষা শেখানোর নামে পুরো শিক্ষা মাধ্যমই বিদেশি ভাষায় করাটা কতটুকু যৌক্তিক? এভাবে না শেখা হয় ভাষা, না অর্জন করা যায় শিক্ষা

: আমাদের সরকারের কোনো ল্যাঙ্গুয়েজ পলিসি নেই। এটা আমাদের জন্য সত্যিই দুঃখজনক ব্যাপার। ল্যাঙ্গুয়েজ পলিসি থাকলে ভাষা শিক্ষা-পদ্ধতিতে আরও বৈচিত্র্য আসত। এবং অবশ্যই মাতৃভাষা প্রাধান্য পেত। অনন্ত মাতৃভাষাকে বাদ দেয়ার তো কোনো সুযোগ থাকত না।

শোনা যায়, ইংলিশ মিডিয়ামে বাংলা চর্চা তেমন একটা হয়ই না...

: শুধু যে হয় না তা নয়, ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলেরা বাংলা চর্চায় ভয়াবহ রকম পিছিয়ে। ওদের যখন ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ লিখতে দিই, তখন ভয়ঙ্কর রকম বানান ও বাক্য ভুল করে বসে। আবার বাংলা থেকে ইংরেজি করতে দিলেও পারে না। বড়ই অদ্ভুত ব্যাপার।

ঠিক কী কারণে এমনটি হচ্ছে বলে আপনার মনে হয়?

: প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সেভাবে গড়ে তোলা হয় না। আমাদের দেশে প্রাইমারি টিচারদের ভাষাগত দক্ষতা কম। তাদের হাত ধরে যারা উঠে আসে তাদের দক্ষতা আরও কম হবে- এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া প্রাইমারি শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মান এবং সোশ্যাল স্টাটাস খুব একটা সম্মানজনক নয়।

আমরা একটু ভিন্ন বিষয়ে আসি। প্রায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাগাজিন কমিটি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছে। যে যেই রাজনৈতিক মতাদর্শের, সে সেরকমভাবে কিছু করতে গিয়ে সাহিত্যের নামে আসলে রাজনীতিরই চর্চার করছে

: রাজনৈতিক ক্যাডারদের সাহিত্যে আসাকে আমি দোষ মনে করি না। এমনটি হয়েই থাকে। রাশিয়াও এমনটি করেছে। প্রশিক্ষিত ও পড়াশোনা জানা রাজনৈতিক নেতারা স্কুল-কলেজে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সাহিত্য করেছে, সাহিত্য শিখিয়েছে। এখানে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, রাজনৈতিক ব্যক্তি যখন সাহিত্য করবেন, তাকে খেয়াল রাখতে হবে সাহিত্য যেন গণমুখী হয়, সত্যিকারের সাহিত্য হয়। তাহলে আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।

এখনকার ছাত্ররা বিশেষ করে স্কুলের ছাত্ররা এতবেশি চাপে থাকে যে, অবসরে ছড়া-গল্প-উপন্যাস পড়বে সে সময় তাদের হয়ে ওঠে না। সাহিত্য বিমুখ প্রজন্ম তৈরি হওয়ার পেছনে কী এটিও বড় কারণ না?

: আমাদের দেশে পড়াশোনাটা শিশুদের কাছে বোঝা হয়ে উঠেছে। তাদের শরীরের ওজনের চেয়ে ব্যাগের ওজন বেশি। অনেক দেশেই পড়াশোনার চাপে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক জীবন থেকে ছিটকে পড়ে। কেউ কেউ সুসাইডও করে ফেলে। এ ধরনের পড়াশোনা তো আসলে সুস্থ পড়াশোনা নয়। শিক্ষা হল আনন্দের আরেক নাম। এ আনন্দকে বোঝা মনে হবে কেন?

শহরের স্কুলগুলোতে মাঠ নেই বললেই চলে

: এটা অবশ্যই শিশুদের জন্য দুর্ভাগ্যের কথা। তাছাড়া প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা শিক্ষার্থীদের হতাশা বাড়াচ্ছে। একটা ছেলে যখন পড়াশোনা করে ওই ছেলের চেয়ে কম নাম্বার পায়, যে মোটেই পড়াশোনা করেনি, তখন তো পড়ুয়া ছেলেটি হতাশ হবেই।

মজার ব্যাপার হল, একটু ভালো ছাত্র যারা তারা এখন দেশের বাইরে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখছে

: ভালো-খারাপ সবাই এখন বাইরে চলে যেতে চায়। খারাপরাও মনে করছে, দেশটা এখন বসবাসযোগ্য নয়।

আর ভালোরা চাচ্ছে, তাদের যোগ্যতা ও মেধার সঠিক বিকাশ হোক

: তা ঠিক। আবার খারাপ যারা তারা আরও ভাগ্যাস্বেষণে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে।

এই যদি হয় আমাদের অবস্থা, তাহলে কী এ প্রজন্ম থেকে শিল্প-সাহিত্য ভাবনা নিয়ে ভালো কিছু আশা করা যায়?

: আপনার প্রশ্নেই রয়েছে উত্তর।

আমাদের সাহিত্য তেমন একটা অনুবাদ হয় না। অনুবাদে কেউ আগ্রহীও নয়। ঠিক কী কারণে এমনটি হচ্ছে?

: আমাদের সাহিত্য নিয়ে পাশ্চাত্যের সাহিত্যিকদের তেমন আগ্রহ নেই হয়ত এ কারণে যে, আমাদের সাহিত্যে তাদের সাহিত্যেরই প্রভাব বেশি। আমরা যদি নিজস্ব ঢং তৈরি করতে পারি তাহলে হয়তো তারা আগ্রহী হবে।

এমনটি কখন থেকে শুরু হয়েছে?

: ঔপনিবেশিক আমল থেকে। আমাদের সাহিত্য আসলে পাশ্চাত্য সাহিত্যের ঢংয়ে লেখা। ওরা নতুন কিছু চায়। আমরা যদি দিতে পারি, তাহলে ওরা আমাদের সাহিত্য গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।

আমরা নতুন কিছু করতে করতে ওরা তো আরও নতুন কিছু করে ফেলছে। তার মানে আমাদের স্টাইল তাদের কাছে বাসিই থেকে যাচ্ছে

: তাই তো হচ্ছে। ইউরোপ আমেরিকা যা গ্রহণ করেছে পঞ্চাশ বছর আগে, আমরা তা সবে চর্চা করতে শুরু করেছি। লাইফস্টাইল থেকে শুরু করে সাহিত্য বলেন, সংস্কৃতি বলেন, রাজনীতি, উন্নয়ন সবদিক থেকেই আমরা অনেক পিছিয়ে। তো আমাদের নতুন তাদের কাছে তো পুরনো মনে হবেই।

আমাদের এখানে যারা ইংরেজিতে লিখছে- তাদের সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

: ইংরেজিতে লেখা ভালো। ইংরেজিতে লিখে তারা একটা আন্তর্জাতিক পরিচিতি পেতে চেষ্টা করছে। বিশ্বজনীন পরিচিতি পেতে হলে ইংরেজি আপনাকে সাহায্য করবে। তাছাড়া আমাদের অনুবাদ যেহেতু দুর্বল, তাই তারা ভাবছে, আমরাই সরাসরি ইংরেজিতে লিখি না কেন? ভারত-পাকিস্তানের অনেকই ইংরেজি সাহিত্য চর্চা করে আন্তর্জাতিক পাঠকের কাছে পৌঁছেছেন।

অন্য ভাষাভাষী যারা ইংরেজিতে সাহিত্য চর্চা করছে, তারা কী আসলেই সফল হতে পারবে?

: এটা খুব কঠিন। তবে অসম্ভব নয়। অনেকেই আছে নিজের মাতৃভাষা খুব ভালো জানে না। কিন্তু ইংরেজি ভাষায় দখল আছে। প্রতিভাবান এমন কেউ কলম ধরলে তো সাফল্য আসতেই পারে।

এটা কী আসলেই সম্ভব?

: অবশ্যই সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে সালমান রুশদীর কথা আমরা বলতে পারি। উনি ভারতীয় হয়েও ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য চর্চা করে বেশ নাম করেছেন। এরকম আরও অনেকেরই নাম বলা যেতে পারে। অমিতাভ ঘোষ, অরুন্ধতি রায় প্রমুখ। কোন ভাষা যদি আপনি রপ্ত করতে পারেন, তাহলে ওই ভাষায় সাহিত্য চর্চা করা দোষের কিছু নয়।

কিন্তু যে ভাষায় কথা বলেন, যে দেশে আপনি বড় হলেন সে ভাষা ছেড়ে অন্য ভাষায় লেখাটা কতটুকু যৌক্তিক?

: যে বাংলা লিখে মজা পায়, স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সে বাংলায়ই লিখবে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ তো বাংলা ভাষার অপরিহার্য লেখক। তার সাধ হল, ইংরেজিতে লিখবেন। লিখেছেনও তিনি। আস্ত একটি উপন্যাসই লিখেছেন। পরে দেখা গেল কিছুই হয়নি। তিনি চেষ্টা করেছেন।

এখানে যা-ই লেখা হচ্ছে, তার মধ্য থেকেই বাছাই করা কিছু বই যদি অনুবাদ করে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়- তবে তো খারাপ হয় না

: এটা করা দরকার। আমি শুরুতেই অনুবাদ সেলের কথা বলেছি। শুধু যে টেক্সট বই বাংলায় অনুবাদ হবে তা নয়, বাংলা সাহিত্যের বইও বিদেশি ভাষায় অনুবাদ করে বিশ্ব পাঠককে দিতে হবে। এভাবেই আমরা এগিয়ে যাব।

আমাদের প্রকাশকরা যদি এগিয়ে আসেন, তবে বিষয়টা আরও সহজ হবে বলে মনে করি

: আমাদের প্রকাশকরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদে অনেকটা এগিয়েছেন। বাংলা থেকেও ইংরেজি অনুবাদে তারা এগিয়ে এলে ভালো হবে। কিন্তু বিদেশি ভাষায় অনুবাদ যেন উন্নত মানের হয়। ভালো অনুবাদ সবসময়ই দুর্লভ। প্রকাশকরা যেটা করতে পারে তা হল, কয়েকজন অনুবাদককে এসাইনমেন্ট দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনুবাদকরা যেন ভালো পয়সা পায় এ বিষয়টাও নিশ্চিত করতে হবে। প্রকাশকদের টার্গেট নিতে হবে, এক বছরে আমরা এই পাঁচটা বাংলা বইয়ের অনুবাদ করাব। সেক্ষেত্রে বই নির্বাচন, অনুবাদক নির্বাচন সবকিছুই যেন যথাযথভাবে হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এই অনূদিত বইগুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকারি প্রকাশনাগুলো কী ভূমিকা রাখতে পারে?

: সরকারি প্রকাশনাগুলো তো অবশ্যই জোরাল ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন বাংলা একাডেমি, ভাষা ইন্সটিটিউট এরা কাজটাকে এগিয়ে নিতে পারে।

সে ক্ষেত্রে কোন বইগুলো অনুবাদের জন্য নির্বাচন করা যায়?

: বাংলা অনেক উপন্যাসই বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। যেমন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ নিজেই লাল সালুর অনুবাদ করেছেন। কিন্তু এতে তেমন সাড়া পড়েনি। এ বইগুলো আবার নতুন করে করা যেতে পারে। হাসান আজিজুল হকের বই অনুবাদ করার মতো। শওকত আলী, সৈয়দ শামসুল হকের কিছু বই অনুবাদ করা যেতে পারে। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দুটো উপন্যাসই অনুবাদ করা দরকার। এসবের কিছু কিছু অনুবাদ যে হয়নি তা নয়। কিন্তু সাড়া জাগানোর মতো কোনো অনুবাদ আমার চোখে পড়েনি। গীতাঞ্জলি ছাড়া বাংলা ভাষার আর কোনো বই অন্য ভাষায় অনূদিত হয়ে সাড়া ফেলেছে তার কোনো নজির এখন পর্যন্ত নেই।

সময় দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

: ধন্যবাদ আপনাকেও।

শ্রুতিলিখন আলফাতা মামুন

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter