কাউখালীর সন্ধ্যা নদীর ভাঙন

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান ক্ষতিগ্রস্তরা

  যুগান্তর রিপোর্ট ২১ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার সন্ধ্যা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভাঙনের শিকার ক্ষতিগ্রস্তরা। তারা বলেছেন, নদী ভাঙনে কাউখালীর সোনাকুর গ্রাম প্রায় বিলীনের পথে। এরই মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ নদী বিলীন হয়ে গেছে। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্তরা। মানববন্ধনের আয়োজন করে ঢাকাস্থ কাউখালী যুবকল্যাণ সমিতি, সয়না রঘুনাথপুর দ্বীপ কল্যাণ সমিতি, ঢাকাস্থ কাউখালী শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদ।

এতে বক্তারা বলেন, ১৫ দিনে সোনাকুর গ্রামের প্রায় ২০ একর জমি, ৫০টির অধিক বাড়ি ও ২০টি দোকান এবং ব্রিজ-কালভার্ট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ভাঙন ছড়িয়ে পড়েছে ১নং সয়না-রঘুনাথপুর ইউনিয়নের হোগলা, বেতকা, রোঙ্গাকঠি, শীর্ষা ও মেঘপাল গ্রামে। আবার ২নং আমরাজুরি ইউনিয়নের সরকারি খাদ্যগুদাম, আশোয়া, কুমিয়ান, ফেরিঘাট এলাকা ধীরে ধীরে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কাউখালী নদীবন্দর লঞ্চঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে- যা এখন থেকে রোধ না করলে মানচিত্র থেকে এই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ও গ্রাম বিলীন হয়ে যাবে। তারা বলেন, ১নং সয়না-রঘুনাথপুর ও ২নং আমরাজুরি ইউনিয়নের দু’পাড়ে সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গা নদী। এই দুই নদীর অব্যাহত ভাঙনে এসব এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।

কাউখালী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কাজী হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ, সালাহ উদ্দিন হিরু, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শরীফ, আবুল কালাম আজাদ, সাইফুর রহমান আলম, আহসান হাবীব মিলন, জাকির হোসেন রোকন, নাঈম হোসেন মিয়া প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter