হাটহাজারীতে দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু
jugantor
বন্ধ ফ্ল্যাটে গ্যাস বিস্ফোরণ
হাটহাজারীতে দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

০২ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হাটহাজারীতে বন্ধ ফ্ল্যাটে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া রুবি আক্তারের (১৫) অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) এইচএম মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, ফ্ল্যাটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। এছাড়া ফ্ল্যাটের গ্যাস লাইনে ছিদ্র থাকায় সেখানে গ্যাসও জমেছিল। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নতুন ভাড়াটিয়া ম্যাচের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। এতে দুই নারী ও তিন শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক মো. আলাউদ্দিন জানান, দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে শিশু তামিম (৩) ও রাজিয়া সুলতানা মিম (১১) মারা গেছে। নতুন ভাড়াটিয়া আনোয়ার হোসেনের ছেলে তামিম। তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার আলীয়াপুর ইউনিয়নে। মিম একই ফ্ল্যাটের মিনার হোসেন তুহিনের ছোট বোন। তিন মাস আগে মা মারা যাওয়ার পর ছোট বোনকে নিয়ে তুহিন চট্টগ্রামে আসেন। তাদের গ্রামের বাড়ি রাঙ্গামাটি জেলায়। আনোয়ার তুহিনকে সাবলেট দেন। ঘটনার সময় তুহিন ও আনোয়ার বাইরে ছিলেন। আমানবাজার এলাকায় খোশাল শাহ মসজিদ রোড সংলগ্ন মো. সেলিম ভবনের তৃতীয় তলায় বন্ধ থাকা ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. নারায়ণ ধর জানান, তামিমের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়। আর মীমের শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়। ভর্তির পর থেকেই তারা অচেতন ছিল। আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সোনিয়া আকতার (২৪), তাদের এক বছর বয়সী সন্তান ইয়ামিন এবং পাশের ফ্ল্যাটের রুবি আকতারকে (১৫) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তবে রুবির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বৃস্পতিবার সকালে ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার চিকনদণ্ডি ইউনিয়নের একে সিদ্দীকি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবির দুলাভাই মো. কাউছার জানান, তারা পাশাপাশি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রুবি বিস্ফোরণে আহত হয়।

বন্ধ ফ্ল্যাটে গ্যাস বিস্ফোরণ

হাটহাজারীতে দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
০২ নভেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হাটহাজারীতে বন্ধ ফ্ল্যাটে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া রুবি আক্তারের (১৫) অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) এইচএম মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, ফ্ল্যাটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। এছাড়া ফ্ল্যাটের গ্যাস লাইনে ছিদ্র থাকায় সেখানে গ্যাসও জমেছিল। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নতুন ভাড়াটিয়া ম্যাচের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। এতে দুই নারী ও তিন শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক মো. আলাউদ্দিন জানান, দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে শিশু তামিম (৩) ও রাজিয়া সুলতানা মিম (১১) মারা গেছে। নতুন ভাড়াটিয়া আনোয়ার হোসেনের ছেলে তামিম। তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার আলীয়াপুর ইউনিয়নে। মিম একই ফ্ল্যাটের মিনার হোসেন তুহিনের ছোট বোন। তিন মাস আগে মা মারা যাওয়ার পর ছোট বোনকে নিয়ে তুহিন চট্টগ্রামে আসেন। তাদের গ্রামের বাড়ি রাঙ্গামাটি জেলায়। আনোয়ার তুহিনকে সাবলেট দেন। ঘটনার সময় তুহিন ও আনোয়ার বাইরে ছিলেন। আমানবাজার এলাকায় খোশাল শাহ মসজিদ রোড সংলগ্ন মো. সেলিম ভবনের তৃতীয় তলায় বন্ধ থাকা ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. নারায়ণ ধর জানান, তামিমের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়। আর মীমের শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়। ভর্তির পর থেকেই তারা অচেতন ছিল। আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সোনিয়া আকতার (২৪), তাদের এক বছর বয়সী সন্তান ইয়ামিন এবং পাশের ফ্ল্যাটের রুবি আকতারকে (১৫) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তবে রুবির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বৃস্পতিবার সকালে ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার চিকনদণ্ডি ইউনিয়নের একে সিদ্দীকি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবির দুলাভাই মো. কাউছার জানান, তারা পাশাপাশি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রুবি বিস্ফোরণে আহত হয়।