পটুয়াখালীতে দুটি লঞ্চে ছাত্রলীগের হামলা ভাংচুর

আড়াই ঘণ্টা পর ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা

  পটুয়াখালী (দ.) প্রতিনিধি ১৮ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভাংচুর

পটুয়াখালী নৌবন্দর টার্মিনালে ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটের সুন্দরবন-৯ ও জামাল-৫ নামে দুটি দ্বিতল লঞ্চে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগ নামধারী একদল যুবক রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটায়।

এ সময় তারা সুন্দরবন-৯ লঞ্চের কেরানিকে মারধর করে। হামলার জেরে কর্তৃপক্ষ এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন। পরে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রের চেষ্টার পর কর্তৃপক্ষ লঞ্চ দুটি যাত্রী নিয়ে ঢাকা যেতে রাজি হন। নির্দিষ্ট সময়ের আড়াই ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৭টায় দুটি লঞ্চই টার্মিনাল থেকে যাত্রী তুলছিল। যদিও বিকাল ৫টায় দুটি লঞ্চ পটুয়াখালী ত্যাগ করার কথা ছিল।

এদিকে হামলার পর লঞ্চ দুটি টার্মিনাল ছেড়ে পৌনে এক কিলোমিটার দূরে নদীর ওপারে লোহালিয়া খেয়াঘাটের কাছে নোঙ্গর করে। দিনভর দূরদূরান্ত থেকে আসা হাজারও যাত্রী টার্মিনালে এসে লঞ্চ না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন। সেই সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি এবং রোববারের সরকারি ছুটিসহ ৩ দিনের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে আসা চাকরিজীবী এবং মামলা-মোকদ্দমা, অফিসের জরুরি কাজ ও চিকিৎসার জন্য ঢাকার উদ্দেশে আসা সীমিত আয়ের লোকজন টার্মিনালে হতাশ ও উদ্বিগ্ন ছিলেন। বিশেষ করে এ সময় শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের অস্থির দেখা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সুন্দরবন-৯ ও জামাল-৫ লঞ্চ দুটি ঢাকার যাত্রী পরিবহনের উদ্দেশে পটুয়াখালী নৌবন্দর টার্মিনালে অবস্থান করছিল। দুপুর ২টায় ১০-১৫ যুবক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পরিচয়ে লঞ্চের কেবিন বুকিং ইনচার্জ জাফরকে খোঁজে। তারা লঞ্চে ঘোরাঘুরি করে এবং সুন্দরবন-৯ এর কেরানি মশিউরের কাছে যায়। কিছু বোঝে উঠার আগেই তাকে যুবকরা মারধর করে। একপর্যায় লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে তাকে দ্বিতীয় তলায় নামায়।

পরে তারা গালাগাল করে লঞ্চ দুটির কেবিনের গ্লাস ভাংচুর করে চলে যায়। বলা হচ্ছে যুবকরা কেবিনের জন্য আসে এবং কেবিন না পেয়ে হামলা করেছে। তবে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান সিকদার জানান, আমি হামলার আগে টার্মিণালে গিয়ে কেবিন পেয়েছি। সেক্ষেত্রে ছাত্রলীগ কেন হামলা করবে। হামলার ঘটনায় আমি দুঃখিত।

ঘটনার সময় লঞ্চঘাটে দায়িত্বরত সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, হামলার সময় ছাত্রলীগ নেতা হাসান সিকদার আমার পাশেই দাঁড়ানো ছিলেন। হয়তো অতি উৎসাহী হয়ে ছাত্রলীগ এমন কাজ করেছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×