কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

বিজ্ঞান মেলায় ২০০ প্রদর্শনী আগ্রহীদের ভিড়

  যুগান্তর রিপোর্ট ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিজ্ঞান মেলা

বাতাস, পানি এবং সূর্য- এই তিন প্রাকৃতিক উৎস থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জাকওয়ান আয়াজ এ ধরনের একটি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছেন। প্রজেক্টের নাম- ‘ট্রাইয়ো হাইব্রিড অ্যানার্জি ইউনিট’।

রাজধানীর কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃহস্পতিবার ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় আয়াজের প্রজেক্টসহ অনেক প্রজেক্টই স্থান পেয়েছে।

মেলায় কথা হয় আয়াজের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক উৎস থেকে স্বল্প খরচে এবং সহজে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। তিনটি উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক জায়গায় জমা হবে।

কেবল আয়াজই নন, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তির এই প্রদর্শনী দর্শকদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করেছে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মেলার প্রথম দিনে অন্তত ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দু’শর বেশি প্রজেক্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উদ্ভাবনে উৎসাহ দিতেই কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার আয়োজন করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল খালেক যুগান্তরকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তুলতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের খুদে শিক্ষার্থীরা খুবই মেধাবী। তাদের মেধা বিকাশে সুযোগ করে দিতে হবে। সুযোগ এবং উৎসাহ পেলে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। মেলা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেল প্রথমদিনই।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিজ্ঞান মেলায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। খুদে শিক্ষার্থীরা মেলায় পানির পুনর্ব্যবহার, ইকোসিস্টেম, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান, নগর ব্যবস্থাপনাসহ নানা প্রজেষ্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন।

কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাদিয়া কবির রূপা ও ফৌজিয়া আলম পানির পুনর্ব্যবহারের পানিচক্রের ভূমিকা শীর্ষক একটি প্রজক্ট নিয়ে এসেছেন। সাদিয়া কবির বলছিলেন, প্রাকৃতিকভাবেই একই পানি আমরা বারবার ব্যবহার করি। অথচ আমরা পানির উৎসগুলো নানাভাবে নষ্ট করে ফেলছি। পানি দূষণ করছি। বোঝানোর চেষ্টা করছি, পানির উৎস নষ্ট করা যাবে না। আমাদের প্রয়োজনেই সংরক্ষণ করতে হবে। তা না হলে বিপর্যয় নেমে আসবে।

এসিড বৃষ্টি রোধের উপায় নিয়ে প্রজেক্ট নিয়ে এসেছেন কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খন্দকার ও আফসা আক্তার। তারা জানান, এসিড বৃষ্টি হয় বায়ুতে মিশে থাকা বিভিন্ন অক্সাইডের কারণে। এই বৃষ্টি ক্ষতিকারক। বিভিন্ন কলকারখানা, গাড়ি থেকে বের হওয়া ধোয়া প্রক্রিয়াজাত করে প্রাকৃতিক সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। এর ফলে এসিড বৃষ্টি রোধ করাও সম্ভব হবে।

কিভাবে পরিকল্পিত আবাসিক নগর গড়ে তোলা যায়- এমন একটি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছেন আফাজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর তিন শিক্ষার্থী আকিক শাহরিন, আমিনুল ইসলম এবং ইয়াসির আদনান।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×