প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৮২৪৫৩ শিক্ষার্থী

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বৃত্তি

প্রাথমিক স্তরের বৃত্তির ফল রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এবার ৮২ হাজার ৪৫৩ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। সাড়ে ৮২ হাজার বৃত্তি দেয়ার কথা থাকলেও উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নিঃশেষে বিভাজ্য না হওয়ায় ৪৭টি বৃত্তি দেয়া হয়নি। এর মধ্যে ৫টি ট্যালেন্টপুল এবং ৪২টি সাধারণ গ্রেডের বৃত্তি।

বৃত্তির ফল প্রকাশ উপলক্ষে রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সচিব আকরাম-আল-হোসেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক ড. মনজুর কাদিরসহ অন্য কর্মকর্তারা সেখানে ছিলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেধাবী কোটায় (ট্যালেন্টপুল) ৩৩ হাজার এবং সাধারণ কোটায় সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়ার কথা ছিল। এবার মেধাবী কোটায় দেয়া হয়েছে ৩২ হাজার ৯৯৫ জনকে। আর সাধারণ কোটায় দেয়া হয়েছে ৪৯ হাজার ৪৫৮ জনকে। সাধারণ কোটায় ৪২ এবং মেধাবী কোটায় ৫ জনকে বৃত্তি দেয়া যায়নি।

এর কারণ সম্পর্কে ডিপিই’র একজন কর্মকর্তা বলেন, ট্যালেন্টপুল বৃত্তির সংখ্যাকে উপজেলার ছাত্রছাত্রী দিয়ে ভাগ করা হয়। যেই উপজেলায় ছাত্রছাত্রী বেশি, সেই উপজেলায় বেশি বৃত্তি বরাদ্দ করা হয়। এরপর উপজেলার শীর্ষ মেধাবীদের মধ্যে মেধাক্রম অনুযায়ী বরাদ্দকৃত বৃত্তি বণ্টন করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ৫টি বৃত্তি কোনো উপজেলায় দেয়া যায়নি। আর সাধারণ গ্রেডের বৃত্তি দেয়া হয় ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক। প্রত্যেক ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে ৬টি করে বৃত্তি বরাদ্দ থাকে। ৬টির মধ্যে ৩টি পায় ছাত্রীরা। এই প্রক্রিয়ায় ৪২টি বৃত্তি বণ্টন করা যায়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ট্যালেন্টপুলের ছাত্রছাত্রীরা মাসে ৩০০ টাকা ও সাধারণ গ্রেডের শিক্ষার্থীরা মাসিক ২২৫ টাকা হারে বৃত্তি পায়। বৃত্তিপ্রাপ্তরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই অর্থ পাবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ও সুষম মেধা বিকাশের লক্ষ্যে এই বৃত্তি দেয়া হয়। ফলে সব শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধি পায়। গত বছরের নভেম্বরে সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পিইসিতে পাস করে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ইবতেদায়িতে এ হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় মোট ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

ইবতেদায়ির বৃত্তির তারিখ নির্ধারণ হয়নি : এদিকে একসঙ্গে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ভিত্তিতে বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম ছায়েফউল্ল্যা বলেন, বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ দু-একদিনের মধ্যে জানানো হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×