চট্টগ্রামে খালেদা জিয়ার রায় ঘিরে সংঘাতের মামলা

ডা. শাহাদাতসহ ১৯ নেতাকর্মীর ১৭ দিন রিমান্ড চাইবে পুলিশ

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনসহ গ্রেফতার ১৯ নেতাকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদে দুই মামলায় ১৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ। আজ আদালতে এ রিমান্ড আবেদন জমা দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে ডা. শাহাদাতসহ ১৯ নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ‘গ্রেফতার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা দুই মামলায় আজ আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে। এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ১০ দিন এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে করা পৃথক মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। এছাড়া দুই মামলায় আরও যারা পলাতক আছেন তাদের গ্রেফতারেও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নাসিমন ভবনের সামনে থেকে ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ১৯ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে দু’জন আইনজীবীও রয়েছেন। শুক্রবার এদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত ১৭ জনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুই আইনজীবী ফরিদা আকতার ও আবু কাউসারের জামিন শুনানি আজ ধার্য করা হয়েছে। গ্রেফতার অপর বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন- নগর মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক আরজু নাহার সায়মা, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুন নাঈম চৌধুরী, নগর মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক আঁখি সুলতানা, বাকলিয়া ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, বাকলিয়া বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম, নগর বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলমগীর নুর, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়া আখতার, নগর মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক মাহফুজা আক্তার, বিএনপি কর্মী ইকবাল হোসেন, সালাউদ্দিন কাদের, সানাউল কাদের, রুমা আকতার, মঈনুদ্দীন, সিফাতুন রাফসাতসহ ১৯ জন।

বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধাদান ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি করেন এসআই মহিউদ্দিন রতন। দুই মামলায় ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা চারশ’ থেকে সাড়ে চারশ’ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে করা মামলাটি তদন্ত করছেন কোতোয়ালি থানার এসআই সজল কান্তি দাশ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলাটি তদন্ত করছেন এসআই মৃণাল কান্তি মজুমদার।