প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক যুগান্তরে ‘রূপগঞ্জে আ’লীগ-পুলিশ সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী নিহত’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ও রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম রফিক। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংবাদে কিছু অসত্য তথ্য উত্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির নাশকতা প্রতিহত করতে আমার এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাড়ে অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে লক্ষ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি থানা পুলিশের মৌখিক অনুমতি নিয়ে কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাড়ের পুলিশবক্সের সামনে আগেরদিনই মঞ্চ তৈরি করি। অন্যদিকে গাজী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা রূপসী বরপা যাত্রামুড়া ও তারাব এলাকায় একই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। আমি ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত হয়ে পরায় বৃহস্পতিবার কর্মসূচিতে যোগদান করতে পারিনি। কিন্তু সকাল থেকেই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আমাদের মঞ্চে আসতে শুরু করে। উপজেলা আওয়ামী লীগকে এমন সুসংগঠিত হতে দেখে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের জনস্রোত রুখতে সকাল ১১টা থেকে গাজী তার সব কর্মসূচি বাতিল করে লাঠিসোটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার লোকজনকে আমাদের অনুষ্ঠান অভিমুখে পাঠাতে থাকে। এ অবস্থায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও সংঘাতের পরিস্থিতির উপক্রম হলে পুলিশ উভয়পক্ষকে কর্মসূচি বাতিল করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু পুলিশের নির্দেশ উপেক্ষিত হওয়ায় একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারশেল, কাঁদানে গ্যাস, শর্টগানের গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়ে গণজমায়েত ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় সুমনসহ ১৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সুমন মারা যায়।