ভোলায় ভূত তাড়াতে গৃহবধূর গায়ে আগুন
jugantor
ভোলায় ভূত তাড়াতে গৃহবধূর গায়ে আগুন

  ভোলা প্রতিনিধি  

২০ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে ভূত তাড়াতে এক গৃহবধূর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় রুনা বেগম নামে এক কিশোরী ওঝা।

বৃহস্পতিবার রাতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়ায় ঝলসে গেছেন ৪ সন্তানের জননী জোছনা বেগম (৪০)।

রাতেই তাকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শুক্রবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তির পরামর্শ দেন হাসপাতালের ডাক্তার।

সন্ধ্যায় লঞ্চযোগে তাকে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। এরা হচ্ছেন রুনার নানা বেলায়েত হোসেন (৬০) ও নানি অহিদা বিবি (৫৫)। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রুনা তার নানার অনুসারী হয়ে ঝাড়ফুঁক করে।

আহত জোছনা বেগমের স্বজনরা জানান, কিছুদিন ধরে জোছনা কিছুটা এলোমেলো কথা বলতে থাকে। তাকে সুস্থ করে তুলতে ওই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কিশোরী ওঝা রুনা বেগমকে আনা হয়। ভূত তাড়াতে জোছনার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে যায়।

ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোক্তার হোসেন জানান, পশ্চিম ইলিশার দক্ষিণ চরপাতা গ্রাম থেকে এদের আটক করা হয়।

ভোলা থানার ডিউটি অফিসার সুবীর কুমার সাহা জানান, আহত ভিকটিমের স্বজনরা দুপুরে থানায় এসে অভিযোগ জানালে কথিত ওঝাদের আটক করে পুলিশ। বিকাল ৪টার মধ্যে বেলায়েত হোসেন ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রুনা ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। নানা বেলায়েত রুনাকে দিয়ে ঝাড়ফুঁকের কাজ করা তো বলে অভিযোগ রয়েছে।

জোছনার মা মাফুজা বেগম, বোনসহ স্বজনরা জানান, জোছনার স্বামী জসিম উদ্দিন সৌদি আরবে থাকেন। তাকে সুস্থ করতে প্রথমে গ্রাম্য ডাক্তার দেখানো হয়। পরে ভূতের বাতাস দূর করতে রুনাকে খবর দেয়া হয়।

ভোলায় ভূত তাড়াতে গৃহবধূর গায়ে আগুন

 ভোলা প্রতিনিধি 
২০ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে ভূত তাড়াতে এক গৃহবধূর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় রুনা বেগম নামে এক কিশোরী ওঝা।

বৃহস্পতিবার রাতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়ায় ঝলসে গেছেন ৪ সন্তানের জননী জোছনা বেগম (৪০)।

রাতেই তাকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শুক্রবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তির পরামর্শ দেন হাসপাতালের ডাক্তার।

সন্ধ্যায় লঞ্চযোগে তাকে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। এরা হচ্ছেন রুনার নানা বেলায়েত হোসেন (৬০) ও নানি অহিদা বিবি (৫৫)। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রুনা তার নানার অনুসারী হয়ে ঝাড়ফুঁক করে।

আহত জোছনা বেগমের স্বজনরা জানান, কিছুদিন ধরে জোছনা কিছুটা এলোমেলো কথা বলতে থাকে। তাকে সুস্থ করে তুলতে ওই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কিশোরী ওঝা রুনা বেগমকে আনা হয়। ভূত তাড়াতে জোছনার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে যায়।

ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোক্তার হোসেন জানান, পশ্চিম ইলিশার দক্ষিণ চরপাতা গ্রাম থেকে এদের আটক করা হয়।

ভোলা থানার ডিউটি অফিসার সুবীর কুমার সাহা জানান, আহত ভিকটিমের স্বজনরা দুপুরে থানায় এসে অভিযোগ জানালে কথিত ওঝাদের আটক করে পুলিশ। বিকাল ৪টার মধ্যে বেলায়েত হোসেন ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রুনা ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। নানা বেলায়েত রুনাকে দিয়ে ঝাড়ফুঁকের কাজ করা তো বলে অভিযোগ রয়েছে।

জোছনার মা মাফুজা বেগম, বোনসহ স্বজনরা জানান, জোছনার স্বামী জসিম উদ্দিন সৌদি আরবে থাকেন। তাকে সুস্থ করতে প্রথমে গ্রাম্য ডাক্তার দেখানো হয়। পরে ভূতের বাতাস দূর করতে রুনাকে খবর দেয়া হয়।