বিএসএমএমইউতে মেডিকেল অফিসার নিয়োগ

পরীক্ষায় নজিরবিহীন অনিয়মের অভিযোগ

ফল বাতিল ও পুনঃপরীক্ষার দাবি

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষায় নজিরবিহীন অনিয়ম হয়েছে দাবি করে ওই পরীক্ষার ফল বাতিল ও পুনঃপরীক্ষার দাবি জানানো হয়েছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকরা। একই দাবিতে গত ১২ মে রোববার থেকে বিএসএমএমইউ ক্যাম্পাসে লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন তারা।

চিকিৎসকরা বলেন, সম্পূর্ণ বিতর্কিত ও অগ্রহণযোগ্য এ নিয়োগের বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগপত্র প্রমাণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের অভিযোগ অগ্রাহ্য করে এক নিয়োগ নাটক উপস্থাপন করে। তাই অবিলম্বে^ আমরা ফল বাতিল করে পুনঃপরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ডা. আবদুর রহমান, ডা. পলাশ, ডা. নাইমুর, ডা. নজমুল হোসেন, ডা. শারমিন রহমান, ডা. আলম মামুন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগ পরীক্ষার বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই প্রশ্নপত্র ফাঁস। পরীক্ষা ২২ মার্চ হলেও তার ৪ দিন পূর্বেই ১৮ মার্চ একটি বিশেষ কক্ষে প্রশ্নপত্র খোলা হয়, যেখানে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপস্থিত ছিলেন। পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানায়, প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দেয়। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই বিতর্কিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল ৩২ বছর। কিন্তু এর বেশি বয়সের অনেক প্রার্থীর আবেদনও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রেখে অবৈধভাবে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। এদের কেউ কেউ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ফলাফলের তালিকায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তি, যেমন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সন্তান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের জামাতা, ভিসির ব্যক্তিগত সহকারী-২ এর সহধর্মিণীসহ অনেকেই প্রথমসারিতে রয়েছেন। এছাড়া ভিসি নিয়োগ পরীক্ষা বিষয়ক সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাই বিষয়গুলো সন্দেহজনক।

বক্তারা আরও বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে মেডিকেলের প্রশ্নপত্রে ডেন্টালের পরীক্ষার্থীদেরও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া, ফল প্রকাশের আগেই রোলসহ তালিকার অনুলিপি পাওয়া, সেই তালিকার সঙ্গে প্রকাশিত ফলের হুবহু মিল পাওয়া যায়, এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করার ঘটনাও ঘটে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×