চার মাস পর বাড়ি ফিরলেন নাটোরে নিখোঁজ যুবলীগ নেতা মিলন

  যুগান্তর রিপোর্ট, নাটোর ২৪ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের রুহুল কুদ্দুস উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও যুবলীগ নেতা জামিল হোসেন মিলন নিখোঁজের প্রায় চার মাস পর বাড়ি ফিরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টার দিকে অটোরিকশায় নিজ বাড়ি নাটোর শহরের তালতলা মোড়ে ফিরে আসেন মিলন। তাকে দেখার জন্য শত শত মানুষ ভিড় করেন। কারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল, এতদিন কোথায় ছিলেন- এসবের উত্তর পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকে।

মিলনের বাবা স্থানীয় ইউপি সদস্য এমদাদুল হক জানান, ভোর ছয়টার দিকে অটোরিকশায় তার ছেলে মিলন বাড়ির পাশের তালতলা হাফরাস্তা মোড়ে এসে নামেন। খবর পেয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে যান। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করে তালতলা নিজ অফিসে বসেন মিলন। এ সময় শত শত মানুষ তাকে দেখতে ভিড় করেন। প্রত্যক্ষদর্শী আশরাফুল ইসলাম বাচ্চু জানান, মিলনকে আনমনা মনে হয়েছে। তার মুখে দাড়ি গজিয়েছে। মাথার চুল বড় হয়েছে। শরীর আগের চেয়ে শুকিয়ে গেছে। অনেক চুল পেকে গেছে। এতদিন কোথায় ছিলেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি লোকজনকে বলেন, ‘আপনারা আমাকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দাঁড় করিয়েছিলেন। তাই এই অবস্থা।’ তবে নিখোঁজ থাকা দিনগুলোর ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে চাননি।

গত ৩১ জানুয়ারি রাতে যুবলীগ নেতা ও সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামিল হোসেন মিলন হাফরাস্তা তালতলা মোড়ে নিজ অফিসে কয়েকজন কর্মী নিয়ে বসেছিলেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে চার-পাঁচজন তাকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার মুক্তির দাবিতে কর্মী-সমর্থকরা টানা ১৫ দিন নাটোর-ঢাকা সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছিল।

উল্লেখ্য, পাঁচ বছর আগে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান মেলেনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×