সুস্থ থাকুন

ঈদে পুষ্টিকর খাবার

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এক মাস উপবাসের পর আসে ঈদ। ঈদ মানেই নতুন পোশাক, ঈদ মানেই সুস্বাদু ও প্রিয় খাবার। ঈদের দিনে মিষ্টিমুখ করা এ ঈদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সুতরাং প্রতিটি বাড়িতেই মিষ্টি ও মিষ্টান্নের ব্যবস্থা রাখতেই হয়। যেমন সেমাই, পায়েস, জর্দা, হালুয়া, পুডিং, কাস্টার্ড, ফালুদা ইত্যাদি। মিষ্টান্নের পাশাপাশি ঝাল ও নোনতা খাওয়ার ইচ্ছা যে মনে জাগে না তা নয়। তাই তৈরি হয় পোলাও, বিরিয়ানি, তেহারি, কাবাব, কালিয়া ইত্যাদি। আবার রুচির পরিবর্তনের জন্য ঈদের দিনে জায়গা করে নিয়েছে চটপটি, ফুচকা, শাসলিক, নুডলস ইত্যাদি। বোধকরি মানুষের ভেতরে সব সময় একটা পরিবর্তনের ধারা বইতে থাকে বলেই মানুষের স্বাদ ও রুচির তারতম্য ঘটছে প্রতিনিয়ত।

এক মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিন অনেকেই খাবারের ব্যাপারে স্বাধীনতা অনুভব করেন। এ দিনে যখন যা ইচ্ছা যতটুকু ইচ্ছা খাবার খেলে কোনো অসুবিধা হবে না। বেশি বেশি সুস্বাদু খাওয়ার জন্যই তো ঈদ উদযাপন। কিন্তু এটা কখনই করা উচিত নয়। কারণ এক মাসের সিয়াম পালনের মধ্য দিয়ে দেহের বিপাক ক্রিয়া একটা নিয়মের মধ্যে চলে আসে। তারপর হঠাৎ একদিনের অতিরিক্ত খাবার পাকস্থলী সহ্য করতে পারে না। অর্থাৎ পাকস্থলীর এনজাইমগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমি, পেট ফেঁপে যাওয়া, পেটে গ্যাস অর্থাৎ পেটের যাবতীয় সমস্যা দেখা যায়। এ জন্য জেনে-বুঝে খাবার খাওয়া উচিত।

ঈদের দিন দুপুর ও রাতের খাবারে চাটনি, আচার, সালাদ, লেবু থাকলে ভালো হয়। খাবারের পর টক বা মিষ্টিদই পরিবেশন করা স্বাস্থ্যসম্মত। দই প্রো-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে। এর ল্যাক্টোক্যাসিলাস ভালো ব্যাকটেরিয়াকে উদ্দীপ্ত করে পরিপাক ক্রিয়াকে সহজতর করে।

ঈদের দিনে যত রকমারি খাবারই থাকুক না কেন, খেতে হবে নিজের শরীরের কথা চিন্তা করে। খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত। সহজপাচ্য ও পরিমিত। পরিবেশিত হবে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে। খাবার যেন কোনোভাবেই নষ্ট হয়ে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। খাবারের টেবিলে একগুচ্ছ তাজা ফুল যেমন আকর্ষণীয় হবে তেমনই এর সুঘ্রাণ মনকে ভালো রাখবে।

ডা. আলমগীর মতি

হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক

মডার্ন হারবাল গ্রুপ, ঢাকা।

মোবাইল ফোন : ০১৯১১৩৮৬৬১৭

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×