আঙ্কটাডের রিপোর্ট: বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে
jugantor
আঙ্কটাডের রিপোর্ট: বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৫ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ২০১৮ সালে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে ১৪৬ কোটি ১৮ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে এক বছরে এফডিআই বেড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে দেশে এফডিআই এসেছে ৩৬১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে যা ছিল ২১৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। সার্বিকভাবে বিশ্বে এফডিআই কমলেও বাংলাদেশে বেড়েছে। এছাড়া বিনিয়োগ বেড়েছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৩টি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে কাজ করছে সরকার। আগামীতে বিনিয়োগে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। মূল রিপোর্ট তুলে ধরেন গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্স ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সব দেশ থেকে একযোগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি : প্রতিবেদনে মোট বিনিয়োগকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নতুন বিনিয়োগ, কোম্পানির আয় পুনরায় বিনিয়োগ এবং কোম্পানিগুলোর মধ্যে নিজস্ব ঋণ। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৭ সালের ২১৫ কোটি ১৫ লাখ ডলারের বিপরীতে ২০১৮ সালে মোট এফডিআই এসেছে ৩৬১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। এর মধ্যে নতুন বিনিয়োগ হয়েছে ১১২ কোটি ৪১ লাখ ডলার, পুনরায় বিনিয়োগ ১৩০ কোটি ৯১ লাখ ডলার এবং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১৮ কোটি ডলার।

খাতভিত্তিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ১০১ কোটি ২০ লাখ ডলার, খাদ্য খাতে ৭২ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, বস্ত্র খাতে ৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ব্যাংকিং ২৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার, টেলিকম খাতে ২১ কোটি ৯৮ লাখ, বাণিজ্য খাতে ১০ কোটি ১৯ লাখ এবং অন্যান্য খাতে ৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার বিনিয়োগ এসেছে।

আঙ্কটাডের রিপোর্ট: বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৫ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ২০১৮ সালে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে ১৪৬ কোটি ১৮ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে এক বছরে এফডিআই বেড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে দেশে এফডিআই এসেছে ৩৬১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে যা ছিল ২১৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। সার্বিকভাবে বিশ্বে এফডিআই কমলেও বাংলাদেশে বেড়েছে। এছাড়া বিনিয়োগ বেড়েছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৩টি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে কাজ করছে সরকার। আগামীতে বিনিয়োগে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। মূল রিপোর্ট তুলে ধরেন গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্স ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সব দেশ থেকে একযোগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি : প্রতিবেদনে মোট বিনিয়োগকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নতুন বিনিয়োগ, কোম্পানির আয় পুনরায় বিনিয়োগ এবং কোম্পানিগুলোর মধ্যে নিজস্ব ঋণ। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৭ সালের ২১৫ কোটি ১৫ লাখ ডলারের বিপরীতে ২০১৮ সালে মোট এফডিআই এসেছে ৩৬১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। এর মধ্যে নতুন বিনিয়োগ হয়েছে ১১২ কোটি ৪১ লাখ ডলার, পুনরায় বিনিয়োগ ১৩০ কোটি ৯১ লাখ ডলার এবং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১৮ কোটি ডলার।

খাতভিত্তিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ১০১ কোটি ২০ লাখ ডলার, খাদ্য খাতে ৭২ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, বস্ত্র খাতে ৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ব্যাংকিং ২৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার, টেলিকম খাতে ২১ কোটি ৯৮ লাখ, বাণিজ্য খাতে ১০ কোটি ১৯ লাখ এবং অন্যান্য খাতে ৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার বিনিয়োগ এসেছে।