চট্টগ্রামে সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় খুনের নেপথ্যে আর্থিক লেনদেন
jugantor
চট্টগ্রামে সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় খুনের নেপথ্যে আর্থিক লেনদেন
খুনিচক্রকে ধরতে মাঠে পুলিশের একাধিক টিম

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৫ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় ধরকে নিজ দোকানে গলা কেটে খুনের ঘটনায় বিকাশ কান্তি মল্লিক নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিকাশ স্থানীয় তপন কান্তি মল্লিকের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, সোনা বন্ধক ও টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সঞ্জয়কে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সঞ্জয়ের সোনার দোকানে লাখ লাখ টাকার সোনা থাকলেও এক টুকরো সোনাও ঘাতকরা নিয়ে যায়নি। শুধু সঞ্জয়কে খুন করে তারা পালিয়ে গেছে। এ থেকে অনেকটাই স্পষ্ট যে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।

রোববার ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা এলাকার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনিশ্রী জুয়েলার্স থেকে সঞ্জয় ধরের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে দুই থেকে তিন দিন আগে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। সঞ্জয় ধর কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মৃত সুধারাম ধরের ছেলে। এ ঘটনায় রোববার রাতে সঞ্জয় ধরের স্ত্রী রেখা ধর অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোমবার দুপুরে বিকাশ কান্তি মল্লিককে আটক করা হয়েছে। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে এখনও মুখ খোলেনি। তারপরও বিভিন্ন কৌশলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ইপিজেড থানা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ঘাতকদের শনাক্তে বিভিন্ন প্রযুক্তির সহায়তাও নেয়া হচ্ছে।

ইপিজেড থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে জানান, ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গেছে পুলিশ। এমনকি খুনের রহস্যও উদঘাটন করা গেছে। এখন শুধু ঘাতকদের গ্রেফতার বাকি। সুদের টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। খুন হওয়া স্বর্ণকার সোনা বন্ধক এবং সুদের ব্যবসাও করতেন।

বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় ধর খুনের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাদের গ্রেফতার

করা সম্ভব হবে।

চট্টগ্রামে সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় খুনের নেপথ্যে আর্থিক লেনদেন

খুনিচক্রকে ধরতে মাঠে পুলিশের একাধিক টিম
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৫ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় ধরকে নিজ দোকানে গলা কেটে খুনের ঘটনায় বিকাশ কান্তি মল্লিক নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিকাশ স্থানীয় তপন কান্তি মল্লিকের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, সোনা বন্ধক ও টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সঞ্জয়কে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সঞ্জয়ের সোনার দোকানে লাখ লাখ টাকার সোনা থাকলেও এক টুকরো সোনাও ঘাতকরা নিয়ে যায়নি। শুধু সঞ্জয়কে খুন করে তারা পালিয়ে গেছে। এ থেকে অনেকটাই স্পষ্ট যে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।

রোববার ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা এলাকার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনিশ্রী জুয়েলার্স থেকে সঞ্জয় ধরের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে দুই থেকে তিন দিন আগে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। সঞ্জয় ধর কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মৃত সুধারাম ধরের ছেলে। এ ঘটনায় রোববার রাতে সঞ্জয় ধরের স্ত্রী রেখা ধর অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোমবার দুপুরে বিকাশ কান্তি মল্লিককে আটক করা হয়েছে। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে এখনও মুখ খোলেনি। তারপরও বিভিন্ন কৌশলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ইপিজেড থানা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ঘাতকদের শনাক্তে বিভিন্ন প্রযুক্তির সহায়তাও নেয়া হচ্ছে।

ইপিজেড থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে জানান, ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গেছে পুলিশ। এমনকি খুনের রহস্যও উদঘাটন করা গেছে। এখন শুধু ঘাতকদের গ্রেফতার বাকি। সুদের টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। খুন হওয়া স্বর্ণকার সোনা বন্ধক এবং সুদের ব্যবসাও করতেন।

বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, সোনা ব্যবসায়ী সঞ্জয় ধর খুনের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাদের গ্রেফতার

করা সম্ভব হবে।